.gif)

এন্ট্রে রিওসের কনকর্ডিয়ায় জন্ম নেওয়া এবং সান লরেঞ্জো থেকে উঠে আসা সেনেসি মূলত বাঁ পায়ের সেন্টার ব্যাক। সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে ইংলিশ ক্লাব বোর্নমাউথের হয়ে দারুণ সময় পার করেছেন তিনি। তবে এরপরও স্কালোনির ঘোষিত ২৬ সদস্যের প্রাথমিক বিশ্বকাপ স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছিলেন এই ফুটবলার। এবার বালের্দির চোট সুযোগ করে
বিস্তারিত পড়ুনকোরিয়া-চেক প্রজাতন্ত্রের ম্যাচে জিতবে কে?

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি মাত্র কয়েক ঘণ্টা। মেক্সিকো সিটিতে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’। এই ম্যাচ শুরুর আগেই আলোচনায় মেক্সিকোর গিলবের্তো মোরা।

বিবৃতিতে কিট প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানটি আরও যোগ করে, ‘পর্যালোচনা প্রক্রিয়া চলাকালীন ফিফা সিদ্ধান্ত নেয় যে, তাদের সরঞ্জাম সংক্রান্ত নিয়মাবলীর অধীনে কিছু দৃশ্যমান উপাদান ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ রয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত তারা নকশায় পরিবর্তনের অনুরোধ জানায়। যদিও এই ব্যাখ্যাটি আমাদের উদ্দেশ্যের চেয়ে আলা

বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে যুদ্ধ ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন বড় বাধা হয়ে দাঁড়ালেও মেক্সিকোতে গিয়ে ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা পেয়েছে ইরান। তিজুয়ানায় স্থানীয় সমর্থকদের উষ্ণ অভ্যর্থনা যেন কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছে টিম মেল্লিকে।

ঠিক ৪০ বছর আগে, মেক্সিকোর ঐতিহাসিক আসতেকা স্টেডিয়ামে খেলোয়াড় হিসেবে একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিলেন তাঁরা। চার দশক পর সেই একই ভেন্যুতে, একই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে আবারও দেখা হচ্ছে তাঁদের। তবে এবার আর ফুটবল পায়ে সবুজ ঘাসে নয়, ডাগআউটে কৌশলের লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছেন মেক্সিকোর কোচ হাভিয়ের আগিরে এবং দ

প্রতি বিশ্বকাপেই ফেবারিটের তকমা থাকে ব্রাজিলের গায়ে। যেটা সেলেসাওদের পারফরম্যান্সেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। উত্তর আমেরিকায় শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বাড়তি প্রত্যাশা বা চাপ এড়াতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূর থাকছেন ব্রাজিলের ফুটবলাররা।

কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডস কিংবা ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনার জয়ের নায়ক ছিলেন মার্তিনেস। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে কোলো মুয়ানির সেই অবিশ্বাস্য গোল সেভ কিংবা পেনাল্টি শুটআউটের মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ে তিনি নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাই


নিউইয়র্ক শহরে ফুটবল বিশ্বকাপ কাভার করতে এসেও ক্রিকেট পিছু ছাড়েনি! সাকিব আল হাসান যে শহরে গত দুই বছর টানা থাকছেন, সেখানে ক্রিকেট তো এসে পড়বেই বাংলাদেশ থেকে আগত ক্রীড়া সাংবাদিকের কাছে। নিউইয়র্কে সাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ হতেই আমন্ত্রণ জানালেন তাঁর লংআইল্যান্ডের বাসার দিকে যাওয়ার।

নিউইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরে বিশ্বকাপের আমেজ যেন খুব কমই পাওয়া গেল। যে শহরে হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপের মতো এত বড় ফুটবল উৎসব, সারা বিশ্ব থেকে আগত হাজারো অতিথিকে স্বাগত জানাতে শুধু এক-দুইটা ব্যানার, ব্যাকড্রপ চোখে পড়ল। এর মধ্যে একটাতে দেখা যাচ্ছে, স্ট্যাচু অব লিবার্টির পায়ে বল! তাতে বড় করে লেখা...

নিউইয়র্কের জে এফ কেনেডি বিমানবন্দর থেকে সাবওয়েতে উঠতেই পোস্টারটা চোখে পড়ে। দুই দিন পর নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ২০২৪ কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনা বনাম চিলির ম্যাচ। সেই ম্যাচের প্রচারে মেট্রোকে বেছে নিয়েছেন আয়োজকেরা। নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই ২০১৬ সালে শতবর্ষী কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে হেরে হতাশায়, দুঃখে লিওনেল মেসি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছিলেন। সেই মেটলাইফে আবার চিলির মুখোমুখি আর্জেন্টিনা। দীর্ঘ যাতনার পর সাফল্যের ভেলায় ভাসতে থাকা এই দলেও মেসি আছেন। আর্জেন্টিনা আর মেসি-দর্শনের সঙ্গে ‘রেকি’ করা হয়ে যাবে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালের ভেন্যুও, এ ভাবনায় অনেকেই ম্যাচের টিকিট কিনেছেন।

ট্রাই মানে ‘তিন’, আর স্প্যানিশ ভাষায় ওন্ডা শব্দের অর্থ ‘ঢেউ’। তিন আয়োজক দেশের ফুটবলের ঢেউয়ে মেতে উঠবে পুরো বিশ্ব। আয়োজক তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার প্রতি সম্মান রেখে বলের নকশায় লাল, সবুজ ও নীল রং ব্যবহৃত হয়েছে। চার প্যানেলের নকশা বলে ঢেউয়ের মতো জ্যামিতি তৈরি করেছে; যা নামের সঙ্গে সামঞ্জস্য দেখায়। প্যানেলগুলো মিলে বলের মাঝে একটি ত্রিভুজ তৈরি করেছে। এ ছাড়া বলে তিন দেশের প্রতীক খোদাই করে তুলে ধরা হয়—কানাডার ম্যাপল পাতা, মেক্সিকোর ঈগল ও যুক্তরাষ্ট্রের তারকা। বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতি সম্মান জানিয়ে বলে রাখা হয়েছে সোনালি রংয়ের আভাও।
অ্যাডিডাসের তৈরি এই বলে ব্যবহৃত হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারও।চার প্যানেলের নকশায় থাকা গভীর সেলাই, বলের গতিপথে সমানভাবে টান সৃষ্টি করে। ফলে বাতাসে থাকার সময় বলের স্থিতিশীলতা বেড়ে যায়। খোদাই করা প্রতীকগুলো ভেজা ও আর্দ্র পরিবেশে বলের গ্রিপ আরও শক্ত করে তুলবে।
গত বিশ্বকাপের মতো এবারও বলের ভেতর থাকছে ৫০০ হার্জ সেন্সরের চিপ; যা রেফারির সিদ্ধান্তকে নির্ভুল হতে সহায়তা করে। বিশেষ করে অফসাইড ও হ্যান্ডবলের ক্ষেত্রে বলের নড়াচড়ার প্রতিটি মুহূর্ত রিয়েল টাইমে ভিএআরের কাছে পাঠায়। চিপটি প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার সিগনাল পাঠায়, যা একটি প্যানেলের নিচে বসানো। বলের অন্য তিনটি প্যানেল চিপযুক্ত প্যানেলের ভারসাম্য রক্ষা করে।

পূর্বাপর জানা না থাকলেও একনজর দেখেই যে কেউ বলে দিতে পারবে এটি ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ। ২০২৬ সালের ‘২৬’ সংখ্যাটাকে পটভূমি হিসেবে ব্যবহার করে তার ওপর বিশ্বকাপের ট্রফি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে অফিশিয়াল লোগোয় আয়োজনের সাল ও ট্রফির ব্যবহার এই প্রথম। বাইরের এজেন্সির সহায়তা নিয়ে এই লোগোর ডিজাইন করেছে ফিফার ব্র্যান্ড টিম। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো—এই তিন দেশের মোট ১৬টি ভেন্যুতে হচ্ছে বিশ্বকাপ। প্রতিটি আয়োজক শহর নিজেদের স্বকীয়তা তুলে ধরতে ‘২৬’ লেখাটায় নিজেদের মতো করে রং ও আইকোনোগ্রাফির ব্যবহার করতে পারবে।

ম্যাপল, জায়ু ও ক্লাচ—এই তিন মিলিয়েই এবারের মাসকট। টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক তিন দেশের প্রতিনিধিও তারা। ম্যাপল দ্য মুজ কানাডার, জায়ু দ্য জাগুয়ার মেক্সিকোর আর ক্লাচ দ্য বাল্ড ইগল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি।
কানাডার সব প্রদেশ ও অঞ্চল ঘুরে বেড়িয়ে মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করাই ম্যাপলের কাজ। শহুরে সাজ ও সংগীতপ্রেমী ম্যাপল একজন নিবেদিত গোলরক্ষকও। সৃজনশীলতা, দৃঢ়তা আর স্বকীয়তা ধরে রাখার মধ্য দিয়ে জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে পেয়েছে সে। মাঠে যেমন গোল বাঁচানোর অসাধারণ ক্ষমতা আছে, তেমনি তার হৃদয় শক্তি ও নেতৃত্বগুণে ভরপুর। অসংখ্য গল্প ও অনুপ্রেরণায় মিলিত ম্যাপল কানাডার সংস্কৃতি ও চেতনার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
দক্ষিণাঞ্চলের জঙ্গল থেকে উঠে এসে জায়ু মেক্সিকোর সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও প্রাণবন্ত সংস্কৃতিকে ধারণ করে। তার নামের মধ্যেই শোভা পায় একতা, শক্তি ও আনন্দের বার্তা। মাঠে সে ধুরন্ধর ও ক্ষিপ্রগতির স্ট্রাইকার। মাঠের বাইরে সে নাচ, খাদ্য ও ঐতিহ্যের মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করে। সীমান্তের বাধা পেরিয়ে জায়ু তাই সাংস্কৃতিক উৎসব, ঐক্য ও সংযোগের প্রতীক।
সীমাহীন কৌতূহল, উৎসাহ ও আশাবাদের সঙ্গে উড়ে বেড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি সংস্কৃতি, খেলার মুহূর্ত ধারণ করে ক্লাচ। মাঠে সে একজন নির্ভীক মিডফিল্ডারের মতো উজ্জীবিত করে পুরো দলকে। লক্ষ্য এবং খেলার আবেগের সঙ্গে জীবনকে উজ্জীবিত করার বার্তা নিয়ে উড়ে বেড়ায় সে।
বিশ্বকাপের কোন দল কেমন
























আটলান্টা মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়াম

ডালাস

সিয়াটল স্টেডিয়াম

কানসাস সিটি

নিউজার্সি স্টেডিয়াম

বোস্টন

ফিলাডেলফিয়া

মায়ামি স্টেডিয়াম

লস অ্যাঞ্জেলেস

সান ফ্রান্সিসকো

হিউস্টন স্টেডিয়াম
১৯৩০ থেকে ২০২২·এক নজরে ইতিহাসের সংখ্যা
আসর সম্পন্ন
ফিফা বিশ্বকাপ
মোট গোল
গড় ২.৮২ গোল/ম্যাচ
মোট ম্যাচ
১৯৩০–২০২২
হোস্ট জয়
নিজ মাঠে শিরোপা
মিরোস্লাভ ক্লোসা
১৬রোনালদো
১৫গের্ড মুলার
১৪জাস্ত ফন্টেইন
১৩লিওনেল মেসি
১৩পেলে
১২সর্বোচ্চ গোলের আসর:
২০২২ (কাতার) | ১৭২ গোল
৬৪ ম্যাচ | চ্যাম্পিয়ন: আর্জেন্টিনা

এক আসরে সর্বোচ্চ গোল:
জাস্ত ফন্টেইন (ফ্রান্স, ১৯৫৮) | ১৩ গোল

গোল্ডেন বল জয়ী
২০১৪: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)
২০১৮: লুকা মদ্রিচ (ক্রোয়েশিয়া)
২০২২: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)

স্ত্রীর জন্য ফটোগ্রাফার হলেন মেসি

ছবিতে ছবিতে ইংল্যান্ড-ওয়েলস ম্যাচ

ছবিতে ছবিতে কাতার বিশ্বকাপের উৎসবমুখর পরিবেশ

প্রশংসায় ভাসছে ‘সামুরাই ব্লু’

ছবিতে ছবিতে বেলজিয়াম-কানাডা ম্যাচ

ছবিতে ছবিতে ফ্রান্স-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ

ছবিতে ছবিতে আর্জেন্টিনা-সৌদি আরব ম্যাচে সমর্থকদের ঢল

ছবিতে ছবিতে কাতার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ

আজকের পত্রিকার বিশ্বকাপ কুইজ জিতলেন যারা। আরও ভিডিও দেখতে ইউটিউব চ্যানেলটি ক্লিক করুন:https://www.youtube.com/c/AjkerPatrikabd



