
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনালের এক মাস পূর্ণ হবে আগামী পরশু। কিন্তু যে আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল নিয়ে এত আলোচনা, তা নিয়ে গল্প কি অত সহজে শেষ হয়? এবার ফিফা প্রকাশ করল সেই ফাইনালের ভিডিও ফুটেজ।

বিশ্বকাপ বিক্রির মালিকানা বিক্রির ঘোষণা আসার পর থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের রোষানলে পড়েছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। অনেক ফেডারেশন তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গেছে। এমনকি নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশন (এনএফএফ) তো তাঁর পদত্যাগ দাবি করে বসল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে ইনফান্তিনোকে সরিয়

প্রচণ্ড চাপের মুখে এখন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। এমনিতেই ফুটবল বিশ্বের অনেকেই তাঁর বিপক্ষে চলে গিয়েছেন। এরই মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে ছড়িয়েছে পরকীয়ার অভিযোগ। এই ঘটনায় খেপেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সংস্থাটির মতে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ রটিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সান’ যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ইনফরমেসিওন.ইএস-এর বরাত দিয়ে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে। নথি অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা ও জর্ডানের ম্যাচের আগে ডালাস বিমানবন্দরে ফোন করে এক ব্যক্তি হুমকি দেন, তিনি আরও দুজনকে নিয়ে স্টেডিয়ামে ঢুকবেন। তাদের কাছে থাকবে হ্যান্ড গ্রেনেড ও একটি এআর-১৫ রাইফেল। প

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হওয়ার পর পেরিয়ে গেছে দুই সপ্তাহেরও বেশি সময়। কিন্তু টানা দুইবার আর্জেন্টিনার শিরোপা জিততে না পারার দুঃখ এখনো তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে আর্জেন্টাইন ভক্ত-সমর্থকদের। এবার সেটা নিয়ে চাঞ্চল্যকর এক খবর শোনালেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার ফাকুন্দো মেদিনা। এক টায়ার সারানোর দোকানদার দলের ওপর

বিশ্বকাপের আংশিক মালিকানা বিক্রির প্রস্তাব দিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তাতে করে তাঁর চেয়ার নড়েচড়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। এমনকি উয়েফার ৫৫ সদস্য দেশ ফিফার বিভিন্ন টুর্নামেন্ট বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এখনো সেই সিদ্ধান্তে অনড় ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।


নিউজার্সির মিঠে বিকেলে মাঠের দুই প্রান্তে একই সঙ্গে দুটি দৃশ্য দেখা গেল। এক প্রান্তে লিওনেল মেসি বসে আছেন, চোখে তাঁর অশ্রুর ধারা। প্রিয় সতীর্থ ‘দিবু’ মার্তিনেস একবার ওঠানোর চেষ্টা করলেন, মেসির যেন ওঠার শক্তিও নেই। মানসিকভাবে বিধ্বস্ত মেসি বসেই রইলেন। আরেক প্রান্তে লামিনে ইয়ামাল, মাঠেই শুয়ে পড়েছেন। খ

ফাইনালের আগে নিউইয়র্ক যেন প্রায় দখলেই নিয়ে ফেলেছিল আর্জেন্টাইনরা। নিউজার্সি স্টেডিয়ামের গ্যালারিতেও যথারীতি তাঁদের দাপট। কিন্তু এই দাপটে কি আর চ্যাম্পিয়ন হওয়া যায়? আধিপত্য দেখাতে হয় মাঠে। সেটাই স্পেন দেখিয়েছে। ফাইনালে শুরু থেকে নিউজার্সিতে প্রতিষ্ঠা লা রোহাদের রাজত্ব। পাসিং, প্রেসিং, বলের দখল, আক্রম

বিশ্বকাপ শুরুর আগের দিন উপস্থিত সাংবাদিকদের নিউইয়র্ক-নিউজার্সি স্টেডিয়াম ঘুরিয়ে দেখিয়েছিলেন ফিফার কর্মকর্তারা। সেদিন খুব কাছ থেকে নিউজার্সি স্টেডিয়ামের অন্দর দেখার সুযোগ হয়েছিল। ড্রেসিংরুম, ডাগআউট থেকে শুরু করে ঘন ঘাসের বুননে তৈরি সবুজ মাঠের কাছে দাঁড়িয়ে সেদিন ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন ছিল...
বিশ্বকাপের কোন দল কেমন
























১৯৩০ থেকে ২০২২·এক নজরে ইতিহাসের সংখ্যা
আসর সম্পন্ন
ফিফা বিশ্বকাপ
মোট গোল
গড় ২.৮২ গোল/ম্যাচ
মোট ম্যাচ
১৯৩০–২০২২
হোস্ট জয়
নিজ মাঠে শিরোপা
লিওনেল মেসি
১৮কিলিয়ান এমবাপ্পে
১৬মিরোস্লাভ ক্লোসা
১৬রোনালদো
১৫গের্ড মুলার
১৪জাস্ত ফন্টেইন
১৩সর্বোচ্চ গোলের আসর:
২০২২ (কাতার) | ১৭২ গোল
৬৪ ম্যাচ | চ্যাম্পিয়ন: আর্জেন্টিনা

এক আসরে সর্বোচ্চ গোল:
জাস্ত ফন্টেইন (ফ্রান্স, ১৯৫৮) | ১৩ গোল

গোল্ডেন বল জয়ী
২০১৪: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)
২০১৮: লুকা মদ্রিচ (ক্রোয়েশিয়া)
২০২২: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)

ছবিতে ছবিতে আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালের কিছু ঘটনা, ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন স্পেন

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ফ্রান্সকে হারিয়ে ১৬ বছর পর ফাইনালে স্পেন

সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো সেমিতে আর্জেন্টিনা, নরওয়েকে থামিয়ে দিল ইংল্যান্ড

বেলজিয়ামকে কাঁদিয়ে সেমিতে স্পেন

মরক্কোকে কাঁদিয়ে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

অবিশ্বাস্য জয়ে কোয়ার্টারে আর্জেন্টিনা, শেষ আটে সুইজারল্যান্ডও

রোনালদোর কান্নাভেজা বিদায়, যুক্তরাষ্ট্রকে উড়িয়ে দিল বেলজিয়াম

বিশ্বকাপ জয়ের পর মাঠেই হাঁটু গেড়ে মোনাজাত, ইয়ামালের আবেগঘন দৃশ্য ভাইরাল









ট্রাই মানে ‘তিন’, আর স্প্যানিশ ভাষায় ওন্ডা শব্দের অর্থ ‘ঢেউ’। তিন আয়োজক দেশের ফুটবলের ঢেউয়ে মেতে উঠবে পুরো বিশ্ব। আয়োজক তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার প্রতি সম্মান রেখে বলের নকশায় লাল, সবুজ ও নীল রং ব্যবহৃত হয়েছে। চার প্যানেলের নকশা বলে ঢেউয়ের মতো জ্যামিতি তৈরি করেছে; যা নামের সঙ্গে সামঞ্জস্য দেখায়। প্যানেলগুলো মিলে বলের মাঝে একটি ত্রিভুজ তৈরি করেছে। এ ছাড়া বলে তিন দেশের প্রতীক খোদাই করে তুলে ধরা হয়—কানাডার ম্যাপল পাতা, মেক্সিকোর ঈগল ও যুক্তরাষ্ট্রের তারকা। বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতি সম্মান জানিয়ে বলে রাখা হয়েছে সোনালি রংয়ের আভাও।
অ্যাডিডাসের তৈরি এই বলে ব্যবহৃত হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারও।চার প্যানেলের নকশায় থাকা গভীর সেলাই, বলের গতিপথে সমানভাবে টান সৃষ্টি করে। ফলে বাতাসে থাকার সময় বলের স্থিতিশীলতা বেড়ে যায়। খোদাই করা প্রতীকগুলো ভেজা ও আর্দ্র পরিবেশে বলের গ্রিপ আরও শক্ত করে তুলবে।
গত বিশ্বকাপের মতো এবারও বলের ভেতর থাকছে ৫০০ হার্জ সেন্সরের চিপ; যা রেফারির সিদ্ধান্তকে নির্ভুল হতে সহায়তা করে। বিশেষ করে অফসাইড ও হ্যান্ডবলের ক্ষেত্রে বলের নড়াচড়ার প্রতিটি মুহূর্ত রিয়েল টাইমে ভিএআরের কাছে পাঠায়। চিপটি প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার সিগনাল পাঠায়, যা একটি প্যানেলের নিচে বসানো। বলের অন্য তিনটি প্যানেল চিপযুক্ত প্যানেলের ভারসাম্য রক্ষা করে।

পূর্বাপর জানা না থাকলেও একনজর দেখেই যে কেউ বলে দিতে পারবে এটি ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ। ২০২৬ সালের ‘২৬’ সংখ্যাটাকে পটভূমি হিসেবে ব্যবহার করে তার ওপর বিশ্বকাপের ট্রফি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে অফিশিয়াল লোগোয় আয়োজনের সাল ও ট্রফির ব্যবহার এই প্রথম। বাইরের এজেন্সির সহায়তা নিয়ে এই লোগোর ডিজাইন করেছে ফিফার ব্র্যান্ড টিম। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো—এই তিন দেশের মোট ১৬টি ভেন্যুতে হচ্ছে বিশ্বকাপ। প্রতিটি আয়োজক শহর নিজেদের স্বকীয়তা তুলে ধরতে ‘২৬’ লেখাটায় নিজেদের মতো করে রং ও আইকোনোগ্রাফির ব্যবহার করতে পারবে।

ম্যাপল, জায়ু ও ক্লাচ—এই তিন মিলিয়েই এবারের মাসকট। টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক তিন দেশের প্রতিনিধিও তারা। ম্যাপল দ্য মুজ কানাডার, জায়ু দ্য জাগুয়ার মেক্সিকোর আর ক্লাচ দ্য বাল্ড ইগল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি।
কানাডার সব প্রদেশ ও অঞ্চল ঘুরে বেড়িয়ে মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করাই ম্যাপলের কাজ। শহুরে সাজ ও সংগীতপ্রেমী ম্যাপল একজন নিবেদিত গোলরক্ষকও। সৃজনশীলতা, দৃঢ়তা আর স্বকীয়তা ধরে রাখার মধ্য দিয়ে জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে পেয়েছে সে। মাঠে যেমন গোল বাঁচানোর অসাধারণ ক্ষমতা আছে, তেমনি তার হৃদয় শক্তি ও নেতৃত্বগুণে ভরপুর। অসংখ্য গল্প ও অনুপ্রেরণায় মিলিত ম্যাপল কানাডার সংস্কৃতি ও চেতনার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
দক্ষিণাঞ্চলের জঙ্গল থেকে উঠে এসে জায়ু মেক্সিকোর সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও প্রাণবন্ত সংস্কৃতিকে ধারণ করে। তার নামের মধ্যেই শোভা পায় একতা, শক্তি ও আনন্দের বার্তা। মাঠে সে ধুরন্ধর ও ক্ষিপ্রগতির স্ট্রাইকার। মাঠের বাইরে সে নাচ, খাদ্য ও ঐতিহ্যের মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করে। সীমান্তের বাধা পেরিয়ে জায়ু তাই সাংস্কৃতিক উৎসব, ঐক্য ও সংযোগের প্রতীক।
সীমাহীন কৌতূহল, উৎসাহ ও আশাবাদের সঙ্গে উড়ে বেড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি সংস্কৃতি, খেলার মুহূর্ত ধারণ করে ক্লাচ। মাঠে সে একজন নির্ভীক মিডফিল্ডারের মতো উজ্জীবিত করে পুরো দলকে। লক্ষ্য এবং খেলার আবেগের সঙ্গে জীবনকে উজ্জীবিত করার বার্তা নিয়ে উড়ে বেড়ায় সে।

আটলান্টা মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়াম

ডালাস

সিয়াটল স্টেডিয়াম

কানসাস সিটি

নিউজার্সি স্টেডিয়াম

বোস্টন

ফিলাডেলফিয়া

মায়ামি স্টেডিয়াম

লস অ্যাঞ্জেলেস

সান ফ্রান্সিসকো

হিউস্টন স্টেডিয়াম
এক্সপার্ট প্যানেল ও পাঠক ভোট প্রতি ম্যাচ এর পূর্বে যুক্ত হবে।