
কর্মক্ষেত্র মানেই সহযোগিতা, দায়িত্ব ভাগাভাগি ও লক্ষ্য অর্জনের যৌথ প্রয়াস। তবে একই সঙ্গে সেখানে মতভেদ ও দ্বন্দ্বের আশঙ্কাও অনিবার্য। কখনো সহকর্মীর সঙ্গে ভুল-বোঝাবুঝি, কখনো ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্ত নিয়ে অনিশ্চয়তা; এ ধরনের পরিস্থিতি মনোবল নষ্ট করতে পারে, কাজের গতি কমিয়ে দিতে পারে, এমনকি চাকরি...

অনেকের ধারণা, সারা দিন কাজের চাপে ডুবে থাকা বা অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকাই হলো ‘প্রোডাকটিভিটি’ বা কর্মদক্ষতা। কিন্তু প্রকৃত অর্থে বিষয়টি তা নয়। সত্যিকারের প্রোডাকটিভিটি হলো মানসিক প্রশান্তি বজায় রেখে সুশৃঙ্খলভাবে কাজ সম্পন্ন করা।

চোখ বন্ধ করে একবার ভাবুন তো, আগামী এক বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান? হয়তো সমুদ্রের পারে নিজের একটি ভিলা, কিংবা করপোরেট অফিসের কাঙ্ক্ষিত সেই চেয়ারটিতে। আমরা সবাই স্বপ্ন দেখি। কিন্তু স্বপ্ন আর বাস্তবের মাঝখানের বিশাল শূন্যতা পেরোতে গিয়ে অনেকে পথ হারিয়ে ফেলি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে বেশির ভাগ তরুণ করপোরেট জগতে পা রাখেন। এ পর্যায়ে অনেকে মনে করেন, ভালো ফল বা ডিগ্রিই ভালো চাকরি পাওয়ার প্রধান চাবিকাঠি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বর্তমান করপোরেট খাত শুধু সনদে থেমে নেই।