




ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি দেশটিতে স্থল আক্রমণ চালায় তবে তা মোকাবিলার জন্য তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এমনকি সম্ভাব্য মার্কিন হামলার জন্য তারা ‘অপেক্ষা করছে’ বলেও মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।


‘আমার বাসার পাশেই একটি মিসাইল মারছে। প্রতি মুহূর্তে আতঙ্কে ছিলাম, প্রাণের ভয়ে ছিলাম। এখন নতুন জীবন পাইছি। নতুন এই জীবন দিছে ইউএস-বাংলা।’ কথাগুলো বললেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইপ্রবাসী ওমর ফারুক।


‘একের পর এক বিস্ফোরণ, ধ্বংসযজ্ঞ, এখানে যা ঘটছে তা অবিশ্বাস্য। প্রতিটি দিন যেন মনে হচ্ছে একেকটি মাস। মুহুর্মুহু হামলা করা হচ্ছে।’ ইরানের রাজধানী তেহরানের চিত্র তুলে ধরতে এসব কথা বলছিলেন সালার।


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের নিপীড়নমূলক ইসলামি শাসনব্যবস্থার অবসান ঘটানোই তাঁর দেশটিতে হামলা চালানোর লক্ষ্য। ইরানি জনগণকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন, তাদের ইরানি শাসকগোষ্ঠীর কঠোর শাসন থেকে মুক্ত করা হবে।



রাজনীতির ময়দানটাকে কি হত্যার মাঠে পরিণত করার বাসনা মনে পুষছেন কেউ কেউ? এই তো রংপুরের এক যুবদল নেতা যখন কেব্ল প্রতিষ্ঠানের একজন জিএমকে ফোন করে বউ-বাচ্চাসহ গুলি করে আসার হুমকি দেন, তখন বুঝতে হয় এই রাজনৈতিক ধারা থেকে নৈতিকতাই উধাও হয়ে গেছে। ইউনূস সরকারের শাসনের সময় মবতন্ত্র-আতঙ্ক জাগাত...