Ajker Patrika
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
ইকুয়েডর
ইকুয়েডর

ইকুয়েডর

প্রধান কোচ: সেবাস্তিয়ান বেকাসেস

ফিফা র‍্যাঙ্কিং

# ২৩

বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ

নিবন্ধিত খেলোয়াড়

২৬

গ্রুপ

গ্রুপ ই

দল পরিচিতি

লাতিন আমেরিকার ফুটবল মানেই চিরাচরিত আক্রমণাত্মক নান্দনিকতা। তবে সেই চেনা বৃত্ত ভেঙে এবারের বিশ্বকাপে রক্ষণাত্মক শৃঙ্খলার এক নতুন সংজ্ঞায় হাজির হচ্ছে ইকুয়েডর। একসময় যারা স্রেফ অংশগ্রহণেই সন্তুষ্ট ছিল, সেই লা ত্রিরা এখন ফুটবলের নতুন ডিফেন্সিভ পাওয়ারহাউস।

২০০২ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের টিকিট কাটা দলটি চার বছর পর দেখা পায় সেরা সাফল্যের। সেই দলের খেলোয়াড়েরা তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত ছিলেন এবং তাঁদের ক্লাব ক্যারিয়ারের বেশির ভাগ সময় নিজ নিজ দেশ বা মেক্সিকোতে কাটিয়েছেন। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের ফুটবলারদের মধ্যে ‘স্টার পাওয়ার’ অনেক বেশি এবং তাঁদের কাছে প্রত্যাশা এখন শুধু বাধা ভাঙার নয়, বরং নতুন উচ্চতা ছোঁয়ার।


কনমেবল বাছাইপর্বে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের মতো পরাশক্তিদের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে থেকে মূলপর্ব নিশ্চিত করেছে ইকুয়েডর। ১৮ ম্যাচে মাত্র ৫ গোল হজম করার যে রেকর্ড তারা গড়েছে, তা আধুনিক ফুটবলে বিরল। পিএসজির উইলিয়ান পাচো এবং আর্সেনালের পিয়েরো হিনকাপিয়েকে নিয়ে গড়া রক্ষণভাগই দলটির মূল শক্তির জায়গা। বাছাইপর্বে ইকুয়েডর ১৩টি ম্যাচে কোনো গোল হজম করেনি (ক্লিন শিট)। বেকাসেস গোল থেকে বাঁচার জন্য দুটি রক্ষণাত্মক দেয়াল তৈরি করেছেন। ফরোয়ার্ডদের নিচে নেমে আসা এবং মিডফিল্ডারদের জমাটবদ্ধ অবস্থান ইকুয়েডরের ‘লো ব্লক’ রক্ষণকে নিশ্ছিদ্র করে তুলেছে।


তবে এই পুরো কাঠামোর প্রাণভোমরা হলেন মোইসেস কাইসেদো। চেলসি মিডফিল্ডার বর্তমানে এই পজিশনে নিজেকে বিশ্বের অন্যতম সেরা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। তাঁর বল কেড়ে নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতার কারণে যেকোনো দলের জন্যই ইকুয়েডরের মাঝমাঠ ভেদ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। বেকাসেসের পাল্টা আক্রমণভিত্তিক কৌশলে কাইসেদো রক্ষণ ও আক্রমণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেন।

এত সব ইতিবাচক দিকের মাঝেও ইকুয়েডরের প্রধান চিন্তার কারণ হলো আক্রমণভাগে ধারালো ফিনিশারের অভাব। সর্বোচ্চ গোলদাতা এনার ভ্যালেন্সিয়া স্কোয়াডে থাকলেও ৩৬ বছর বয়সে তিনি ক্যারিয়ারের শেষ লগ্নে দাঁড়িয়ে। বেকাসেসের কৌশলে খুব বেশি গোল করার সুযোগ তৈরি হয় না; বরং ইকুয়েডর সাধারণত অল্প গোলের ব্যবধানে জয় তুলে নিতে পছন্দ করে। আক্রমণের সৃজনশীলতার দায়িত্ব বর্তাতে পারে ১৮ বছর বয়সী কেন্দ্রি পয়েসের ওপর। পয়েসকে এরই মধ্যে ইকুয়েডরের ফুটবল ইতিহাসের সেরা প্রতিভা বিবেচনা করা হয়।

ইকুয়েডরের সামনে এখন নতুন ইতিহাস গড়ার সব ভিত্তি তৈরি। তাদের বাস্তববাদী খেলার ধরন টুর্নামেন্ট ফুটবলের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এর আগে নকআউট পর্বে কোনো ম্যাচ না জেতা ইকুয়েডর যদি এবার তা করতে পারে, তাহলে এই প্রজন্ম ফুটবলের পাতায় আলাদা জায়গা করে নেবে।

২০০৬ বিশ্বকাপে শেষ ষোলোয় খেলাটা সেরা সাফল্য হলেও এবার নতুন কোনো ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যেই মাঠে নামবে ইকুয়েডর। ‘ই’ গ্রুপে আইভরি কোস্ট, কুরাসাও, জার্মানির মতো দলের বিপক্ষে মঞ্চগুলো তাদের সামর্থ্য প্রমাণের অপেক্ষায়। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই প্রতিভাগুলোই একসময়ের আন্ডারডগ থেকে সমীহজাগানিয়া শক্তিতে পরিণত হওয়া ইকুয়েডর ফুটবলের নতুন বিজ্ঞাপন।

 

স্কোয়াড তালিকা (২৬)

এরনান গালিন্দেস
# গোলকিপার

এরনান গালিন্দেস

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
মোইসেস রামিরেস
# ১২গোলকিপার

মোইসেস রামিরেস

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
গনসালো ভায়ে
# ২২গোলকিপার

গনসালো ভায়ে

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
ফেলিক্স তোরেস
# সেন্টার ব্যাক

ফেলিক্স তোরেস

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
পিয়েরো ইনকাপিয়ে
# সেন্টার ব্যাক

পিয়েরো ইনকাপিয়ে

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
হোয়েল ওরদোনিয়েস
# সেন্টার ব্যাক

হোয়েল ওরদোনিয়েস

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
উইলিয়ান পাচো
# সেন্টার ব্যাক

উইলিয়ান পাচো

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
পারভিস এস্তুপিনিয়ান
# সেন্টার ব্যাক

পারভিস এস্তুপিনিয়ান

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
আনহেলো প্রেসিয়াদো
# ১৭সেন্টার ব্যাক

আনহেলো প্রেসিয়াদো

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
জ্যাকসন পোরোসো
# ২৫সেন্টার ব্যাক

জ্যাকসন পোরোসো

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
ইয়াইমার মেদিনা
# ২৬সেন্টার ব্যাক

ইয়াইমার মেদিনা

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
হোর্দি আলসিবার
# সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

হোর্দি আলসিবার

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
জন ইয়েবোয়াহ
# সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

জন ইয়েবোয়াহ

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
কেনদ্রি পায়েস
# ১০সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

কেনদ্রি পায়েস

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
আলান মিন্দা
# ১৪সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

আলান মিন্দা

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
পেদ্রো ভিতে
# ১৫সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

পেদ্রো ভিতে

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
ডেনিল কাস্তিয়ো
# ১৮সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

ডেনিল কাস্তিয়ো

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
গনসালো প্লাতা
# ১৯সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

গনসালো প্লাতা

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
নিলসন আনগুলো
# ২০সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

নিলসন আনগুলো

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
আলান ফ্রাঙ্কো
# ২১সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

আলান ফ্রাঙ্কো

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
মোইসেস কাইসেদো
# ২৩সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

মোইসেস কাইসেদো

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
আন্তোনি ভালেন্সিয়া
# স্ট্রাইকার

আন্তোনি ভালেন্সিয়া

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
কেভিন রদ্রিগেস
# ১১স্ট্রাইকার

কেভিন রদ্রিগেস

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
এনের ভালেন্সিয়া
# ১৩স্ট্রাইকার

এনের ভালেন্সিয়া

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
হোর্দি কাইসেদো
# ১৬স্ট্রাইকার

হোর্দি কাইসেদো

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
জেরেমি আরেবালো
# ২৪স্ট্রাইকার

জেরেমি আরেবালো

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:

একই গ্রুপের অন্যান্য দলগুলো