কাঁচ আর স্টিলের সুউচ্চ ভবনে ভরা এক আধুনিক নগরী আটলান্টা। তবু শহরটির আরেক নাম ‘দ্য সিটি ইন দ্য ফরেস্ট’। কারণ, ব্যস্ত নগরজীবনের মাঝেও সবুজ গাছপালার ছায়া যেন আটলান্টার প্রাণ। দক্ষিণী আতিথেয়তা, সৃজনশীলতা আর আধুনিক পরিশীলনের এক অনন্য মিশেলে গড়ে ওঠা এই শহর সহজেই যে কাউকে মুগ্ধ করতে পারে।
শহরের প্রাণকেন্দ্র ডাউনটাউন আটলান্টা। এখানেই রয়েছে হাঁটার উপযোগী কনভেনশন ও বিনোদন এলাকা এবং বিখ্যাত সেন্টেননিয়াল অলিম্পিক পার্ক। ১৯৯৬ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের স্মৃতি বহন করা ২২ একরের এই সবুজ পার্ক আজও শহরের গর্ব। পার্কের চারপাশে সাজানো রয়েছে বিশ্বমানের আকর্ষণ— জর্জিয়া অ্যাকুয়ারিয়াম, ওয়ার্ল্ড অব কোকা-কোলা এবং ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিভিল অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস-এর মতো দর্শনীয় স্থান।
আটলান্টার ইতিহাস জীবন্ত হয়ে ওঠে সুইট অবার্ন হিস্টোরিক ডিস্ট্রিক্ট এলাকায়। এটি ছিল আমেরিকার নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এখানেই অবস্থিত মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র ন্যাশনাল হিস্টোরিক্যাল পার্ক এবং ঐতিহাসিক এবেনেজার ব্যাপটিস্ট চার্চ। শহরের অতীত, সংগ্রাম আর পরিবর্তনের গল্প যেন প্রতিটি রাস্তায় ছড়িয়ে আছে।
শহরের কেন্দ্র ছাড়িয়ে আটলান্টার ভেতরের এলাকাগুলোও বৈচিত্র্যে ভরপুর। মিডটাউন এলাকাটি গাছের ছায়ায় ঘেরা, যেখানে আধুনিকতা আর সংস্কৃতির চমৎকার মেলবন্ধন দেখা যায়। ওয়েস্টসাইড এখন খাবারপ্রেমী, ডিজাইন অনুরাগী ও শপিংপ্রেমীদের অন্যতম প্রিয় গন্তব্য। অন্যদিকে বাকহেড বিলাসবহুল বুটিক, গ্যালারি আর দারুণ সব রেস্টুরেন্টের জন্য পরিচিত। আর লিটল ফাইভ পয়েন্টস যেন শহরের বোহেমিয়ান আত্মা— অদ্ভুত সুন্দর দোকান, সংস্কৃতি আর সঙ্গীতের প্রাণচঞ্চল এক জগৎ।
আটলান্টা শুধু একটি শহর নয়, এটি এক অভিজ্ঞতা— যেখানে ইতিহাস, সংস্কৃতি, আধুনিকতা আর প্রকৃতি একসঙ্গে মিলেমিশে তৈরি করেছে অফুরন্ত সম্ভাবনার এক নগরী।
আটলান্টায় ২০২৬ বিশ্বকাপের যত ম্যাচ
ম্যাচ নং তারিখ মুখোমুখি সময়
১৪ ১৫ জুন স্পেন-কেপ ভার্দে রাত ১০টা
২৫ ১৮ জুন চেক প্রজাতন্ত্র-দ. আফ্রিকা রাত ১০টা
৩৮ ২১ জুন স্পেন-সৌদি আরব রাত ১০টা
৫০ ২৫ জুন মরক্কো-হাইতি ভোর ৪টা
৭২ ২৮ জুন কঙ্গো-উজবেকিস্তান ভোর ৫-৩০মি.
৮০ ১ জুলাই এল১–ই/এইচ/আই/জে/কে–৩ রাত ১০টা
৯৫ ৭ জুলাই ৮৬-৮৮ ম্যাচ বিজয়ী রাত ১০টা
১০২ ১৫ জুলাই ৯৯-১০০ ম্যাচ বিজয়ী রাত ১টা
.gif)
.gif)
