এবার কী চমক দেখাবে সৌদি আরব? বিশ্বকাপের দল হিসেবে সৌদির প্রসঙ্গ এলে এমন একটা প্রশ্ন জাগেই মনের মধ্যে।
১৯৯৪ বিশ্বকাপে নিজেদের অভিষেকে চমক দেখিয়েছিল সৌদি আরব। এশীয় দল হিসেবে দুর্দান্ত খেলে উঠে গিয়েছিল পরের রাউন্ডে। নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে লিড নিয়ে শেষ পর্যন্ত হারলেও পরের দুই ম্যাচে মরক্কো ও শক্তিশালী বেলজিয়ামকে হারিয়ে চমক দেখায় সৌদিরা। চমক দেখিয়েছিল সর্বশেষ ২০২২ কাতার বিশ্বকাপেও। সূচনা ম্যাচেই হারিয়ে দিয়েছিল লাতিন পরাশক্তি আর্জেন্টিনাকে।
বিশ্বকাপ অভিষেকের পর এ নিয়ে সপ্তমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে সৌদি আরব। অর্থাৎ অভিষেকের পর মাত্র দুই আসর মিস করেছে তারা। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া এই দলকে বিশ্বকাপের নিয়মিত মুখ বললে মোটেও বাড়িয়ে বলা হবে না। ৪৮ দলের বিশ্বকাপ ‘গ্রিন ফ্যালকন’দের লক্ষ্য দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠা।
নিজেদের মেলে ধরার চ্যালেঞ্জ কাতারেরনিজেদের মেলে ধরার চ্যালেঞ্জ কাতারের
তবে চাইলেও কাজটা সহজ হবে না । কারণ বিশ্বকাপের ‘এইচ’ গ্রুপে তাঁদের সঙ্গে রয়েছে দুই সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন ও উরুগুয়ে। গ্রুপের অন্য দলটি বিশ্বকাপে নবাগত কেপ ভার্দে ।
কাজটা সহজ নয়। কিন্তু নিজেদের খেলা উন্নত করতে বড় বড় দলের সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে আসার জন্য সূদরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়েই এগোচ্ছে সৌদি আরব। তাদের সে পরিকল্পনারই ফসল—টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া। অবশ্য বাছাইপর্বটা তাদের জন্য মসৃণ ছিল না। এশীয় অঞ্চলের বাছাইপর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডে রানার্সআপ হওয়ার পর তৃতীয় রাউন্ডে জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের মুখোমুখি হয়েছিল তারা। জাপান ও অস্ট্রেলিয়া এই রাউন্ডে সরাসরি জায়গা করে নিলেও বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করতে চতুর্থ রাউন্ড পর্যন্ত লড়াই করতে হয় সৌদি আরবকে।
চোটে পড়ে আর্জেন্টাইন ফুটবলারের কান্না, বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন তোচোটে পড়ে আর্জেন্টাইন ফুটবলারের কান্না, বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন তো
চতুর্থ রাউন্ডে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে রোমাঞ্চকর খেলায় ৩-২ ব্যবধানে জেতে সৌদিরা। পরের ম্যাচে ইরাকের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে। এই ড্রয়ের পরও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে সৌদি আরব। রানার্সআপ হয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করে ইরাক।
পুরো বাছাইপর্বে দুর্দান্ত খেলেছেন ফেরাস আল ব্রিকান। পাঁচটি গোল করেছেন। যার দুটি আবার ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে। তবে আক্রমণ নয়, সৌদি আরবের শক্তির জায়গা দলের রক্ষণভাগ। বাছাইপর্বের শেষ ৬ ম্যাচে মাত্র ৪টি গোল হজম করেছে তারা। বিশ্বকাপের মঞ্চে দৃঢ়তাপূর্ণ পারফরম্যান্স করতে এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে সৌদি আরবকে।
.gif)
.gif)






























