
ফাইনালের আগে নিউইয়র্ক যেন প্রায় দখলেই নিয়ে ফেলেছিল আর্জেন্টাইনরা। নিউজার্সি স্টেডিয়ামের গ্যালারিতেও যথারীতি তাঁদের দাপট। কিন্তু এই দাপটে কি আর চ্যাম্পিয়ন হওয়া যায়? আধিপত্য দেখাতে হয় মাঠে। সেটাই স্পেন দেখিয়েছে। ফাইনালে শুরু থেকে নিউজার্সিতে প্রতিষ্ঠা লা রোহাদের রাজত্ব। পাসিং, প্রেসিং, বলের দখল, আক্রম

বিশ্বকাপ শুরুর আগের দিন উপস্থিত সাংবাদিকদের নিউইয়র্ক-নিউজার্সি স্টেডিয়াম ঘুরিয়ে দেখিয়েছিলেন ফিফার কর্মকর্তারা। সেদিন খুব কাছ থেকে নিউজার্সি স্টেডিয়ামের অন্দর দেখার সুযোগ হয়েছিল। ড্রেসিংরুম, ডাগআউট থেকে শুরু করে ঘন ঘাসের বুননে তৈরি সবুজ মাঠের কাছে দাঁড়িয়ে সেদিন ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন ছিল...

লুইস দে লা ফুয়েন্তের চাওয়াটাই তাহলে পূরণ হয়েছে। সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর স্পেন কোচ বলেছিলেন, ফাইনালে তিনি প্রতিপক্ষ হিসেবে চান আর্জেন্টিনাকে। স্পেন কোচের এই চাওয়ার পেছনে রয়েছে ‘গুরু-শিষ্যের লড়াই’ কিংবা বন্ধুর সঙ্গে বন্ধুর লড়াই।

গোল খেয়েই মাথা ঝাড়া দিয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা। আক্রমণের পর আক্রমণ করতে থাকে। ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের কিছু অসাধারণ সেভে ইংলিশদের কোনোভাবে রক্ষা। পরিসংখ্যান–রেকর্ড যদিও লা আলবিসেলেস্তেদের পক্ষে কথা বলছিল বারবার। আগের পাঁচটি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালেই জিতে ফাইনালে উঠেছে তারা। টানা ষষ্ঠ সেমিফাইনাল