Ajker Patrika
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
অস্ট্রিয়া
অস্ট্রিয়া

অস্ট্রিয়া

প্রধান কোচ: রাল্ফ রাংনিক

ফিফা র‍্যাঙ্কিং

# ২৪

বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ

নিবন্ধিত খেলোয়াড়

২৬

গ্রুপ

গ্রুপ জে

দল পরিচিতি

অস্ট্রিয়ার নাম নিলেই চোখে ভেসে ওঠে ১৯৫০-এর দশকের সেই ‘ওয়ান্ডার টিমের’ কথা। সময়ের আবর্তে সেই সোনালি আভা ম্লান হয়েছে আগেই। ১৯৯৮ সালের পর টানা ২৮ বছর বিশ্বমঞ্চে দেখা যায়নি আল্পস-কন্যাদের। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এবার ২০২৬ বিশ্বকাপে অন্যতম রোমাঞ্চকর দল হিসেবে ফিরল তারা।

শীতকালীন খেলার দেশ হিসেবে পরিচিত অস্ট্রিয়া এখন ফুটবলের নতুন উন্মাদনায় মেতেছে, যেখানে ভিয়েনার রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে প্রতিটি বসার ঘরে এখন শুধুই বিশ্বকাপের ডামাডোল।

অস্ট্রিয়ার এই আমূল পরিবর্তনের নেপথ্য কারিগরের নাম রালফ রাংনিক। ‘প্রেসিং’ ফুটবলের অগ্রদূত হিসেবে খ্যাত এই জার্মান মাস্টারমাইন্ড ২০২২ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর অস্ট্রিয়া ফুটবলের খোলনলচে বদলে দিয়েছেন। গতানুগতিক রক্ষণাত্মক ফুটবল ঝেড়ে ফেলে তিনি দলটিকে শিখিয়েছেন তাঁর চিরচেনা ‘রেড বুল’ স্টাইলের আক্রমণাত্মক ফুটবল। বায়ার্ন মিউনিখের মতো ক্লাবের কোচ হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে রাংনিক অস্ট্রিয়ার সঙ্গে নিজেকে জড়িয়েছেন, যা তাঁকে দেশটির ফুটবল-সমর্থকদের কাছে এক সম্মানের আসনে বসিয়েছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড বা আরবি লাইপজিগের মতো ক্লাবে যা করতে চেয়েছিলেন, তার পূর্ণ প্রতিফলন এখন দেখা যাচ্ছে অস্ট্রিয়া জাতীয় দলে।


বিশ্বকাপের টিকিট পাওয়ার পথটা অস্ট্রিয়ার জন্য ছিল রোমাঞ্চ আর নাটকে ঠাসা। উয়েফা বাছাইপর্বের ‘এইচ’ গ্রুপে তারা শুরু থেকে ছিল অপ্রতিরোধ্য। প্রথম পাঁচ ম্যাচের সব কটিতে জয় তাদের আত্মবিশ্বাসকে তুঙ্গে নিয়ে যায়; বিশেষ করে সান মারিনোর বিপক্ষে ১০-০ গোলের জয়টি ছিল তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয়। সেই ম্যাচে চার গোল করে কিংবদন্তি টনি পোলস্টারকে টপকে দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম খোদাই করেন মার্কো আর্নাউটোভিচ। তবে শীর্ষ স্থান নিশ্চিত করতে তাদের শেষ ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে।


রোমানিয়ার কাছে হেরে কিছুটা পথ হারানো অস্ট্রিয়া শেষ পর্যন্ত ভিয়েনার কানায় কানায় পূর্ণ স্টেডিয়ামে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে মহানাটকীয়ভাবে জয় পায়। পিছিয়ে পড়েও মাইকেল গ্রেগরিচের ৭৮ মিনিটের সেই ঐতিহাসিক সমতাসূচক গোলটি অস্ট্রিয়াকে সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট এনে দেয়।

অস্ট্রিয়া দলের বর্তমান প্রাণশক্তি হচ্ছে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশেল। রিয়াল মাদ্রিদের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ডেভিড আলাবা যখন রক্ষণ সামলান, তখন মাঝমাঠে ক্রিস্টফ বাউমগার্টনার ও মার্সেল সাবিৎজার প্রতিপক্ষের বক্সে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন; বিশেষ করে বাউমগার্টনারের সৃজনশীলতা ও গোল করার ক্ষমতা দলটির আক্রমণের মূল চাবিকাঠি। তবে বিশ্বকাপে উত্তর আমেরিকার তীব্র গরমে রাংনিকের উচ্চ গতির ‘গেগেনপ্রেসিং’ ফুটবল কতটা সফল হবে, তা নিয়ে কিছুটা সংশয় রয়েছে। কারণ, দলের মূল শক্তি আর্নাউটোভিচ, গ্রেগরিচ এবং সাবিৎজার ত্রিশের কোঠা অনেকটা পার করে ফেলেছেন।

২০২৬ বিশ্বকাপে অস্ট্রিয়া রয়েছে গ্রুপ ‘জে’তে। সেখানে তাদের লড়তে হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, আলজেরিয়া ও জর্ডানের বিপক্ষে। ভিয়েনার গ্যালারিতে ফিরে আসা সেই উদ্দীপনা আর খেলোয়াড়দের হাতে থাকা প্রতীকী ‘গোল্ডেন কি-চেইন’ এখন শুধু একটাই প্রতিধ্বনি তুলছে—‘বিশ্বকাপ, আমরা (অস্ট্রিয়া) আসছি!’

 

দল

গোলকিপার: প্যাট্রিক পেন্ৎস, আলেক্সান্দার শ্লাগার এবং ফ্লোরিয়ান ভিগেলে।

ডিফেন্ডার: ডেভিড আফেনগ্রুবার, ডেভিড আলাবা, কেভিন ডানসো, মার্কো ফ্রিড্‌ল, ফিলিপ লিনহার্ট, ফিলিপ মভেনে, স্টেফান পশ, আলেক্সান্দার প্রাস এবং মিখায়েল সভোবোদা।

মিডফিল্ডার: ক্রিস্টফ বাউমগার্টনার, কার্নি চুকুয়েমেকা, ফ্লোরিয়ান গ্রিলিচ, কনরাড লাইমার, মার্সেল সাবিৎসার, জাভার শ্লাগার, রোমানো শ্মিড, আলেস্সান্দ্রো শ্যপ্‌ফ, নিকোলাস সাইভাল্ড, পাওল ভানার এবং প্যাট্রিক ভিমার।

ফরোয়ার্ড: মার্কো আরনাউতোভিচ, মিখায়েল গ্রেগোরিচ এবং সাশা কালাইদজিচ।

স্কোয়াড তালিকা (২৬)

আলেক্সান্দার শ্লাগার
# গোলকিপার

আলেক্সান্দার শ্লাগার

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
ফ্লোরিয়ান ভিগেলে
# ১২গোলকিপার

ফ্লোরিয়ান ভিগেলে

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
প্যাট্রিক পেন্ৎস
# ১৩গোলকিপার

প্যাট্রিক পেন্ৎস

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
ডেভিড আফেনগ্রুবার
# সেন্টার ব্যাক

ডেভিড আফেনগ্রুবার

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
কেভিন ডানসো
# সেন্টার ব্যাক

কেভিন ডানসো

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
স্টেফান পশ
# সেন্টার ব্যাক

স্টেফান পশ

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
ডেভিড আলাবা
# সেন্টার ব্যাক

ডেভিড আলাবা

ক্লাব:
রিয়াল মাদ্রিদ
জন্ম তারিখ:
২৪ জুন ১৯৯২
ফিলিপ লিনহার্ট
# ১৫সেন্টার ব্যাক

ফিলিপ লিনহার্ট

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
ফিলিপ মভেনে
# ১৬সেন্টার ব্যাক

ফিলিপ মভেনে

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
আলেক্সান্দার প্রাস
# ২২সেন্টার ব্যাক

আলেক্সান্দার প্রাস

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
মার্কো ফ্রিড্‌ল
# ২৩সেন্টার ব্যাক

মার্কো ফ্রিড্‌ল

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
মিখায়েল সভোবোদা
# ২৫সেন্টার ব্যাক

মিখায়েল সভোবোদা

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
জাভার শ্লাগার
# সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

জাভার শ্লাগার

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
নিকোলাস সাইভাল্ড
# সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

নিকোলাস সাইভাল্ড

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
মার্সেল সাবিৎসার
# সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

মার্সেল সাবিৎসার

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
ফ্লোরিয়ান গ্রিলিচ
# ১০সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

ফ্লোরিয়ান গ্রিলিচ

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
কার্নি চুকুয়েমেকা
# ১৭সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

কার্নি চুকুয়েমেকা

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
রোমানো শ্মিড
# ১৮সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

রোমানো শ্মিড

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
ক্রিস্টফ বাউমগার্টনার
# ১৯সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

ক্রিস্টফ বাউমগার্টনার

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
কনরাড লাইমার
# ২০সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

কনরাড লাইমার

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
প্যাট্রিক ভিমার
# ২১সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

প্যাট্রিক ভিমার

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
পাওল ভানার
# ২৪সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

পাওল ভানার

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
আলেস্সান্দ্রো শ্যপ্‌ফ
# ২৬সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

আলেস্সান্দ্রো শ্যপ্‌ফ

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
মার্কো আরনাউতোভিচ
# স্ট্রাইকার

মার্কো আরনাউতোভিচ

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
মিখায়েল গ্রেগোরিচ
# ১১স্ট্রাইকার

মিখায়েল গ্রেগোরিচ

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
সাশা কালাইদজিচ
# ১৪স্ট্রাইকার

সাশা কালাইদজিচ

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:

একই গ্রুপের অন্যান্য দলগুলো