গুয়াদালাহারা ‘পশ্চিমের মুক্তা’ নামেও পরিচিত। এখানকার মানুষের আন্তরিকতা এবং সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় খাবারের সংস্কৃতি শহরটিকে আর দশটা শহরের থেকে আলাদা করেছে। একই সঙ্গে এটি একটি আধুনিক ও ক্রমবর্ধমান মহানগর, যেখানে বজায় রয়েছে আধুনিকতা ও ইতিহাসের মধ্যে সুন্দর ভারসাম্য। এই শহরেই বিকশিত হয়েছে বহু খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বের প্রতিভা—যেমন চিত্রশিল্পী হোসে ক্লিমেন্টে ওরোজকো, স্থপতি লুইস বারাগান, চলচ্চিত্র নির্মাতা গিয়ের্মো দেল তোরো এবং বিশ্বখ্যাত ক্রীড়াবিদদের মধ্যে রয়েছেন ফর্মুলা–১ চালক সার্জিও পেরেজ, বক্সার সাউল আলভারেজ এবং ফুটবলার হাভিয়ের হার্নান্দেজ। ‘গুয়ানাতোস’ নামে পরিচিত গুয়াদালাহারার মানুষ খেলাধুলা নিয়ে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। ২০১১ ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ, ২০১১ প্যান আমেরিকান গেমস, গুয়াদালহারা ওপেন ডব্লিউটিএ ১০০০ মাস্টার্সের মতো প্রতিযোগিতার আয়োজক হয়েছে এই শহর।
উঁচু স্থানে নির্মিত এবং গোলাকার কলোসিয়াম-ধাঁচের নকশার কারণে এস্তাদিও গুয়াদালাহারা ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় ভেন্যু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ২০১০ সালে উদ্বোধনের পর থেকে এটি নিয়মিত মৌসুমে সিডি গুয়াদালাহারা ক্লাবের ঘরের মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
গুয়াদালাহারা স্টেডিয়ামে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের যত ম্যাচ
ম্যাচ নং তারিখ মুখোমুখি সময়
২ ১২ জুন দক্ষিণ কোরিয়া-চেক প্রজাতন্ত্র সকাল ৮টা
২৮ ১৯ জুন মেক্সিকো-দক্ষিণ কোরিয়া সকাল ৮টা
৪৮ ২৪ জুন কলম্বিয়া-কঙ্গো সকাল ৮টা
৬৬ ২৭ জুন উরুগুয়ে-স্পেন সকাল ৬টা
.gif)
.gif)
