Ajker Patrika
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
তিউনিসিয়া
তিউনিসিয়া

তিউনিসিয়া

প্রধান কোচ: সাবরি লামুশি

ফিফা র‍্যাঙ্কিং

# ৪৪

বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ

নিবন্ধিত খেলোয়াড়

২৬

গ্রুপ

গ্রুপ এফ

দল পরিচিতি

উত্তর আফ্রিকার ফুটবল ইতিহাসে তিউনিসিয়া নামটির সঙ্গে একধরনের ধারাবাহিকতা মিশে আছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করার মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীতে সাত বিশ্বকাপের পাঁচটিতেই খেলতে যাচ্ছে। এই অর্জনের আনন্দ ছাপিয়ে এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—তিউনিসিয়া কি কেবল অংশগ্রহণেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি গ্রুপ পর্বের গেরো খুলতে পারবে?

বিশ্বকাপ বাছাইয়ে তিউনিসিয়ার পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো। ১০ ম্যাচে একটি গোলও হজম না করার অবিশ্বাস্য রেকর্ডটিই বলে দেয় তাদের মূল শক্তি কোথায়। ১০ ম্যাচের ৯টিতেই জয় এবং একটি ড্র—সম্ভাব্য ৩০ পয়েন্টের মধ্যে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে তারা আধিপত্য বিস্তার করে। ফাউজি বেনজারতির হাত ধরে শুরু হলেও পরে সামি ট্রাবেলসির অধীনে দলটি যে রক্ষণাত্মক নিশ্ছিদ্রতা দেখিয়েছিল, তা যেকোনো প্রতিপক্ষের জন্য আতঙ্কের কারণ। বিশেষ করে গত সেপ্টেম্বরে ইকুয়েটরিয়াল গিনির বিপক্ষে মোহাম্মদ আলী বিন রোমদানের সেই নাটকীয় জয় তাঁদের আত্মবিশ্বাসকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এনে দিয়েছে বিশ্বকাপের টিকিট।


সবকিছু ঠিকঠাক চললেও কাসাব্লাঙ্কায় ২০২৫ আফ্রিকান কাপ অব নেশনসের শেষ ১৬ থেকে বিদায় বেশ বড় ধাক্কা দেয় তিউনিসিয়াকে। টুর্নামেন্টে আশানুরূপ ফল না আসায় কোচিংয়েও আসে পরিবর্তন। সামি ট্রাবেলসিকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাবরি লামুশিকে। ৫৪ বছর বয়সী এই ফরাসি কোচের জন্য চ্যালেঞ্জটা ভিন্ন। ২০১৪ বিশ্বকাপে আইভরি কোস্টকে সামলানোর অভিজ্ঞতা থাকলেও, বর্তমান তিউনিসিয়া দলে বিশ্বমানের খেলোয়াড়ের অভাব রয়েছে। লামুশির অধীনে দল হাইতি বা কানাডার বিপক্ষে হারেনি ঠিকই, কিন্তু বিশ্বকাপের ‘এফ’ গ্রুপে নেদারল্যান্ডস কিংবা জাপানের মতো দলগুলোর বিপক্ষে কেবল ড্র দিয়ে পার পাওয়া কঠিন। দেখা যাক কোচ বদলে ভাগ্য বদলায় কি না।


তিউনিসিয়ার বিশ্বকাপ ইতিহাস গৌরব এবং আক্ষেপের এক মিশ্রণ। ১৯৭৮ সালে মেক্সিকোকে হারিয়ে প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে জয়ের ইতিহাস গড়েছিল তিউনিসিয়া। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে তৎকালীন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে স্তব্ধ করে দিয়ে ১-০ ব্যবধানে জয়টি ছিল সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় চমক।

তবে পরিসংখ্যান বলছে, আগের ছয়টি আসরে একবারও নক-আউট পর্বে যেতে পারেনি তিউনিসিয়া। তাদের খেলা ১৮ ম্যাচের মধ্যে জয় মাত্র তিনটি। এই বৃত্ত ভাঙতে হলে লামুশিকে কেবল রক্ষণে মনোযোগ দিলে চলবে না, বরং প্রতি আক্রমণে গোল বের করে আনার দক্ষতায় শান দিতে হবে।

জুনে মেক্সিকোর এস্তাদিও মন্তেরে স্টেডিয়ামে সুইডেন ও জাপানের বিপক্ষে এবং কানসাসে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে মাঠে নামবে তিউনিসিয়া। গ্রুপটি মৃত্যুকূপ না হলেও তিউনিসিয়ার জন্য মোটেও সহজ নয়। বিশেষ করে জাপানের গতি এবং নেদারল্যান্ডসের ট্যাকটিক্যাল ফুটবলের সামনে তিউনিসিয়ার জমাট রক্ষণই হবে শেষ অস্ত্র। হাতেম ট্রাবেলসি বা ওয়াহবি খাজরিদের মতো বড় তারকার অভাব থাকলেও, বর্তমান স্কোয়াডটি অভিজ্ঞতায় টইটম্বুর।

একদিকে বাছাইপর্বের সেই অপরাজেয় তকমা, অন্যদিকে বড় টুর্নামেন্টে নক-আউট পর্বে না পৌঁছানোর আক্ষেপ। কাসাব্লাঙ্কার সেই বিপর্যয় ভুলে কার্থেজের ইগলরা সপ্তমবারে বিশ্বকাপে এসে সপ্তম স্বর্গে ভাসতে পারবে তো।

দল:

গোলকিপার:
সাবরি বেন হাসান, আবদেলমুহিব শামাখ, আয়মান দাহমেনে

ডিফেন্ডার:
আলি আবদি, মোহামেদ আমিন বেন হামিদা, আদেম আরাউস, ডিলান ব্রোঁ, রায়েদ চিকহাউই, মুতাজ নেফাতি, ওমর রেকিক, মনতাসার তালবি, ইয়ান ভ্যালেরি

মিডফিল্ডার:
মর্তাদা বেন ওয়ানেস, আনিস বেন স্লিমানে, ইসমাইল ঘারবি, রানি খেদিরা, হাদজ মাহমুদ, হানিবাল মেজব্রি, এলিয়েস স্কিরি

ফরোয়ার্ড:
ইলিয়াস আচৌরি, খলিল আয়ারি, ফিরাস শাওয়াত, রায়ান এলউমি, হাযেম মাস্তুরি, এলিয়াস সাদ, সেবাস্তিয়ান তুনেকতি

 
 

 

স্কোয়াড তালিকা (২৬)

আবদেলমুহিব শামাখ
# গোলকিপার

আবদেলমুহিব শামাখ

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
আয়মান দাহমেনে
# ১৬গোলকিপার

আয়মান দাহমেনে

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
সাবরি বেন হাসান
# ২২গোলকিপার

সাবরি বেন হাসান

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
আলী আবদি
# সেন্টার ব্যাক

আলী আবদি

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
মনতাসার তালবি
# সেন্টার ব্যাক

মনতাসার তালবি

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
ওমর রেকিক
# সেন্টার ব্যাক

ওমর রেকিক

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
আদেম আরাউস
# সেন্টার ব্যাক

আদেম আরাউস

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
ডিলান ব্রোঁ
# সেন্টার ব্যাক

ডিলান ব্রোঁ

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
ইয়ান ভ্যালেরি
# ২০সেন্টার ব্যাক

ইয়ান ভ্যালেরি

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
মোহামেদ আমিন বেন হামিদা
# ২১সেন্টার ব্যাক

মোহামেদ আমিন বেন হামিদা

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
মুতাজ নেফাতি
# ২৩সেন্টার ব্যাক

মুতাজ নেফাতি

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
রায়েদ চিকহাউই
# ২৪সেন্টার ব্যাক

রায়েদ চিকহাউই

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
হানিবাল মেজব্রি
# ১০সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

হানিবাল মেজব্রি

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
ইসমাইল ঘারবি
# ১১সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

ইসমাইল ঘারবি

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
মর্তাদা বেন ওয়ানেস
# ১২সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

মর্তাদা বেন ওয়ানেস

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
রানি খেদিরা
# ১৩সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

রানি খেদিরা

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
হাদজ মাহমুদ
# ১৫সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

হাদজ মাহমুদ

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
এলিয়েস স্কিরি
# ১৭সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

এলিয়েস স্কিরি

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
আনিস বেন স্লিমানে
# ২৫সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার

আনিস বেন স্লিমানে

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
এলিয়াস সাদ
# স্ট্রাইকার

এলিয়াস সাদ

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
হাযেম মাস্তুরি
# স্ট্রাইকার

হাযেম মাস্তুরি

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
খলিল আয়ারি
# ১৪স্ট্রাইকার

খলিল আয়ারি

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
ইলিয়াস আচৌরি
# ১৭স্ট্রাইকার

ইলিয়াস আচৌরি

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
রায়ান এলউমি
# ১৮স্ট্রাইকার

রায়ান এলউমি

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
ফিরাস শাওয়াত
# ১৯স্ট্রাইকার

ফিরাস শাওয়াত

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:
সেবাস্তিয়ান তুনেকতি
# ২৬স্ট্রাইকার

সেবাস্তিয়ান তুনেকতি

ক্লাব:
জন্ম তারিখ:

একই গ্রুপের অন্যান্য দলগুলো