
যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত ৪ দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমছে। একদিকে যুদ্ধের অভিঘাতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্ভাব্য আলোচনাকে ঘিরে বাজারে তৈরি হয়েছে সতর্ক আশাবাদ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার নতুন পর্ব এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহন আবার ধীর হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে আজ সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। এই পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যকার অন্তর্বর্তী শান্তি চুক্তির ভঙ্গুরতা নতুন করে সামনে এনেছে।

তেল-গ্যাস উৎপাদক দেশগুলোর জোট ওপেক ইরাকের উৎপাদন কোটা উল্লেখযোগ্যভাবে না বাড়ালে দেশটি নিজেদের জন্য উন্মুক্ত থাকা সব ধরনের বিকল্প বিবেচনা করতে বাধ্য হবে। দেশটির তেল মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমলেও গ্রাহক পর্যায়ে খুচরা বাজারে দাম না কমানোয় মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ‘গ্রাহক ঠকানোর’ (প্রাইস গ্যাজিং) অভিযোগ...