
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা পৃথিবী থেকে প্রায় ৮০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে একটি বিরল ও অত্যন্ত উজ্জ্বল প্রাকৃতিক ‘মহাকাশ লেজার’ শনাক্ত করেছেন। বিজ্ঞানীদের মতে, এটি এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে দূরের এবং শক্তিশালী লেজার সদৃশ মহাজাগতিক সংকেতগুলোর একটি।
দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত শক্তিশালী মিরাক্যাট রেডিও টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এই অদ্ভুত সংকেত শনাক্ত করা হয়। গবেষকদের মতে, এটি সৃষ্টি হয়েছে দুটি ছায়াপথের সংঘর্ষের ফলে।
এই শক্তিশালী বিকিরণকে বিজ্ঞানীরা ‘গিগামেজার’ নামে চিহ্নিত করেছেন। সাধারণ কসমিক মেজারের তুলনায় এটি বিলিয়ন গুণ বেশি উজ্জ্বল হতে পারে। গবেষণায় শনাক্ত হওয়া মহাজাগতিক বস্তুটির নাম HATLAS J142935.3–002836।
বিজ্ঞানীরা বলেন, যখন দুটি ছায়াপথ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে, তখন বিপুল পরিমাণ গ্যাস চাপা পড়ে সংকুচিত হয়। এতে হাইড্রোক্সিল অণুগুলো উত্তেজিত হয়ে শক্তিশালী মাইক্রোওয়েভ বিকিরণ ছড়ায়। এই বিকিরণই লেজারের মতো আচরণ করে। যদিও ‘মহাকাশ লেজার’ শব্দটি শুনতে অনেকটা বিজ্ঞান কল্পকাহিনির মতো লাগে, বাস্তবে এটি জ্যোতির্বিজ্ঞানে পরিচিত একটি প্রাকৃতিক ঘটনা।
গবেষণাটির প্রধান লেখক থাতো মানামেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষক। তিনি বলেন, ‘এই আবিষ্কারটি অত্যন্ত বিস্ময়কর এবং এটি যেন মহাবিশ্বের মাঝামাঝি দূরত্বে থাকা একটি রেডিও লেজার দেখার মতো।’
এই ঘটনাকে আরও স্পষ্টভাবে দেখা সম্ভব হয়েছে গ্র্যাভিটেশনাল লেন্সিং নামের একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার কারণে। এতে সামনে থাকা একটি ছায়াপথের মহাকর্ষ পেছনের বস্তু থেকে আসা আলোকে বাঁকিয়ে বড় করে দেখায়—জানালার কাচে থাকা পানির ফোঁটা কোনো ছোট জিনিসকে যেমন বড় করে দেখায়।
বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, এই সংকেতের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে প্রায় ৭৮০ কোটি বছর সময় নিয়েছে। এর আগে এই ধরনের ঘটনার সর্বোচ্চ দূরত্বের রেকর্ড ছিল প্রায় ৫০০ কোটি আলোকবর্ষ।
গবেষকদের মতে, এই আবিষ্কার দূরবর্তী ছায়াপথের সংঘর্ষ এবং মহাবিশ্বের বিবর্তন সম্পর্কে নতুন তথ্য জানাতে সাহায্য করবে।

প্লাস্টিকের বোতল ও কৃষিজ বর্জ্য ব্যবহার করে ভবিষ্যতে খাওয়ার উপযোগী, ভ্যানিলা-স্বাদের কুকি তৈরি করা সম্ভব হতে পারে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক। জিনগতভাবে পরিবর্তিত ইস্ট বা খামির ব্যবহার করে এই কুকি তৈরির প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করা হয়েছে।
৫ দিন আগে
প্রায় দুই দশক ধরে আমরা জানি, চাঁদে কোনো না কোনো ফর্মে অর্থাৎ কোনো না কোনো রূপে পানি রয়েছে। কিন্তু এখনো আমরা ঠিক জানি না, চাঁদের যেসব গর্তে সব সময় ছায়া থাকে, সেখানে কতটা ব্যবহারযোগ্য বরফ জমে আছে বা সেই বরফ কতটা গভীরে চাপা পড়ে আছে কিংবা ঠিক কী অবস্থায় রয়েছে।
৮ দিন আগে
যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইতালির পলিটেকনিকো দ্য তুরিনের এক যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি কেজি পেলোড (মালামাল) মহাকাশে পাঠাতে বিশ্বের প্রধান মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলোর মধ্যে ভারতের খরচ সবচেয়ে বেশি।
৮ দিন আগে
একই পুরুষ ইঁদুরের জিনগত উপাদান ব্যবহার করে পূর্ণাঙ্গ পুরুষ ও স্ত্রী ইঁদুরের জন্ম দিয়েছেন জাপানের একদল বিজ্ঞানী। জিন সম্পাদনা বা ‘জিন এডিটিং’ প্রযুক্তির সাহায্যে পুরুষ ভ্রূণ থেকে ওয়াই (Y) ক্রোমোজোম সম্পূর্ণ অপসারণ করে এই রূপান্তর ঘটানো হয়েছে।
১০ দিন আগে