ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন- এর ভোটগ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি। জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে আলাদা ব্যালটে হবে গণভোট। এই নির্বাচনের মাধ্যমেই সংসদে চালু হবে উচ্চকক্ষ। এবারই প্রথম পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন প্রবাসীরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা বিভাগের ফল পাল্টে দিতে পারেন নারী ভোটাররা। বিভাগের ৩৬টি সংসদীয় আসনে ১ কোটি ৪০ লাখ ৮০ হাজার ৭২২ জন ভোটারের মধ্যে ৭০ লাখ ৪৪ হাজার ১৭৫ জনই নারী। অর্থাৎ পুরুষের তুলনায় নারী ভোটার ৭ হাজার ৭৬২ জন বেশি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর মাত্র চার দিন। ভোট ঘিরে শেষ সময়ে উপকূলীয় জেলা বরগুনার দুটি আসনেই হাট-বাজার, চায়ের দোকানে জমে উঠেছে ভোটের হিসাব-নিকাশ, বিশ্লেষণ। প্রার্থীরাও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে।

জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হঠাৎ খুলনায় মুসলিম লীগ সরব হয়ে উঠেছে। প্রাচীন সংগঠনটি খুলনার তিনটি আসনে প্রার্থী দেওয়ার উদ্যোগ নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা নির্বাচনে যায়নি। সংগঠনের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে সমর্থন দিচ্ছে মুসলিম লীগ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জয়পুরহাট-১ ও ২ আসনের প্রার্থীরা দিচ্ছেন একের পর এক প্রতিশ্রুতি। কেউ আর্থিক নিরাপত্তার কথা বলছেন, কেউ নৈতিক শাসনের, কেউ আবার কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। কিন্তু সাধারণ ভোটারদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে একটাই প্রশ্ন—‘এই প্রতিশ্রুতি কি নির্বাচনের পরও টিকে থাকবে?’