
ঘরদোর পরিষ্কার করে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলা ঈদের অবিচ্ছেদ্য অংশ। দামি আসবাব বা আলোকসজ্জার ভিড়ে একচিমটি সতেজতা যোগ করতে পারে জীবন্ত ইনডোর প্ল্যান্ট। এগুলো কেবল ঘরের সৌন্দর্যই বাড়ায় না; বরং দীর্ঘ উপবাসের পর আপনার ঘরের বাতাস বিশুদ্ধ রাখতে এবং মন শান্ত রাখতে সাহায্য করে। গাছ কেবল ঘর সাজানোর একটি উপকরণ নয়। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি মানসিক চাপ বা স্ট্রেস কমাতে এবং মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। ঈদের ব্যস্ততার মধ্যে গাছের যত্ন নেওয়া আপনার জন্য একধরনের মেডিটেশন হিসেবে কাজ করতে পারে। নাসার গবেষণা অনুযায়ী, কিছু নির্দিষ্ট গাছ ঘর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন দূর করতে সক্ষম। এবারের ঈদে আপনার অন্দরমহল সাজাতে কিছু গাছ বেছে নিতে পারেন।
গোল্ডেন পোথোস বা মানিপ্ল্যান্ট
যাঁরা লতানো গাছ পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য এটি সেরা। এর হৃদয় আকৃতির পাতাগুলো জানালার পাশে বা শেলফে ঝুলিয়ে রাখলে দারুণ দেখায়।
সুবিধা: এটি বাতাস থেকে ওজোন এবং ক্ষতিকারক গ্যাস শুষে নিতে পারে।
সতর্কতা: আপনার যদি বিড়াল বা কুকুর থাকে, তবে এটি তাদের নাগালের বাইরে রাখুন। কারণ এর পাতা পোষা প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
স্নেক প্ল্যান্ট
এই গাছটি দেখতে যেমন অভিজাত, এর যত্ন নেওয়াও তেমন সহজ। তলোয়ারের মতো লম্বাটে পাতাগুলো আপনার ড্রয়িংরুমের কোনায় আধুনিক লুক দেবে।
সুবিধা: এটি রাতেও অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বাতাস থেকে টক্সিন দূর করে।
যত্ন: খুব সামান্য আলোতেও এটি বেঁচে থাকে এবং মাটি শুকিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত পানি দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।
স্পাইডার প্ল্যান্ট
মাকড়সার পায়ের মতো সরু ও লম্বা পাতার এ গাছটি হ্যাঙ্গিং বাস্কেটের জন্য আদর্শ।
সুবিধা: এটি ক্ষতিকারক গ্যাস শোষণে অত্যন্ত কার্যকর।
যত্ন: উজ্জ্বল কিন্তু পরোক্ষ আলোতে এটি ভালো থাকে। তবে ভুলে পানি না দিলেও এই গাছটি সহজে মারা যায় না।
রাবার প্ল্যান্ট
বড় ও চকচকে পাতার এ গাছটি আপনার ঘরের একঘেয়েমি কাটাতে সাহায্য করবে।
সুবিধা: নতুন তৈরি হওয়া বিল্ডিং বা নতুন রঙের গন্ধ থেকে তৈরি হওয়া দূষণ দূর করতে এটি বেশ কার্যকর।
যত্ন: এটি খরা সহনশীল, তাই নিয়মিত পানি দেওয়ার ঝামেলা নেই। রোদ বা ছায়া—উভয় জায়গাতেই এটি মানিয়ে নেয়।
সাজানোর সহজ উপায়

আসবাবপত্রের সঠিক ব্যবহার
আপনার ঘরের বুকশেলফ, টেবিল বা সাইড স্ট্যান্ডগুলো গাছ রাখার জন্য দারুণ জায়গা। সব গাছ একই উচ্চতায় না রেখে বিভিন্ন উচ্চতার আসবাব ব্যবহার করুন। বুকশেলফের ওপর থেকে লতানো গাছ (যেমন পোথোস) ঝুলিয়ে দিলে দেখতে ভালো লাগে।
বাথরুমে সাধারণত আর্দ্রতা বেশি থাকে। তাই ফার্ন, ক্যালোথিয়া বা অর্কিডের মতো গাছগুলো বাথরুমের জানালায় বা আয়নার পাশে সাজিয়ে রাখতে পারেন। এটি বাথরুমে লাক্সারি স্পার মতো সতেজ অনুভূতি দেবে।
অব্যবহৃত কোনাকে প্রাণবন্ত করুন। ঘরের যে কোনাটি খালি পড়ে রয়েছে, সেখানে বিভিন্ন আকৃতির মাটির বা সিরামিকের টব দিয়ে একটি সবুজ কর্নার তৈরি করুন। ঘরের দেয়ালের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে টব নির্বাচন করলে পরিবেশটি আরও গোছানো দেখাবে।
ঈদের স্পেশাল ডিনারে ডাইনিং টেবিলের মাঝখানে ছোট ছোট ইনডোর প্ল্যান্ট রাখতে পারেন। খেয়াল রাখবেন গাছের উচ্চতা যেন খুব বেশি না হয়, যাতে অতিথিরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলার সময় বাধা না পায়।
পড়ার ঘরের দেয়ালে বা সিলিংয়ে হ্যাঙ্গার ব্যবহার করে গাছ ঝোলাতে পারেন। ফিলোডেনড্রন বা ক্রিপিং ফিগ পড়ার জায়গায় শান্ত ও নিবিড় পরিবেশ সৃষ্টি করে, যা মনোযোগ বাড়াতেও সহায়ক।
সাজানোর সময় যা মনে রাখবেন
সূত্র: এভরিডে হেলথ, স্টার্স ইনসাইডার

পার্লামেন্টে ছাতা মাথায় দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন কঙ্গনা রনৌত। এক হাতে হাতে রোলেক্সের ঘড়ি ও বার্কিন ব্যাগ, অন্য হাতে ভারত মহাসাগরের সংস্কৃত নাম ‘রত্নাকর’ থেকে অনুপ্রাণিত নকশায় ‘গুড আর্থ’-এর একটি প্রিন্টের ছাতা। পরনে হালকা মনিপুরভিত্তিক ব্র্যান্ড এনইউপিআইয়ের তৈরি বেবি-ব্লু অ্যারি সিল্ক শাড়ি। না, কোনো সিনেমা
২ ঘণ্টা আগে
দৈনিক রুটিন আগের মতোই রয়েছে। কিন্তু সন্ধ্য়েবেলায় বাড়ি ফেরার পর খুব বেশি ক্লান্ত অনুভব করছেন। কারণটা নিজেও বুঝতে পারছেন না। ঝট করে আগে যেভাবে সব কাজ শেষ করে ফেলতে পারতেন, আজকাল সেখানে অলসতা কাজ করছে। শারীরিকভাবে ফিট থেকেও সারা দিন ক্লান্তি ও অলসতার মুখোমুখি হলে দৈনন্দিন রুটিনে কিছু সাধারণ পরিবর্তন আন
৪ ঘণ্টা আগে
বাড়িতে শিশু থাকলে প্রায়ই কলা কেনা হয়। কিন্তু বেশি কিনলে অনেক সময় গরমে দ্রুত পেকে যায়। বেশি পেকে যাওয়া কলা শিশু খেতে না চাইলে তৈরি করে ফেলুন মজাদার সব নাশতা। এসব খাবার খেতে দারুণ তো হয়ই, পাশাপাশি পুষ্টিকরও।
৫ ঘণ্টা আগে
দুই দশক ধরে একাই পৃথিবীর নানা প্রান্তে ঘুরেছেন ব্রিটিশ ভ্রমণবিষয়ক লেখক লিডিয়া সোয়িনস্কো। জর্জিয়া, ভারত, কলম্বিয়াসহ বহু দেশ ঘুরলেও তাঁর ভ্রমণতালিকায় শ্রীলঙ্কা ছিল না। শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কায় একটি ১২ দিনের গ্রুপ ট্যুরে যোগ দিয়েই জীবনের সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন তিনি—প্রেমে পড়ে গেছেন
১৯ ঘণ্টা আগে