নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি–জুন) মেট্রোরেলে (এমআরটি–৬) ১৯৫ কোটি ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩৩৮ টাকা আয় হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মেট্রোরেলে গড়ে দৈনিক ৩ লাখ যাত্রী ভ্রমণ করেছেন এবং দৈনিক আয় হয়েছে গড়ে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা।
আজ সোমবার ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) এমআরটি–৬–এর অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাকারিয়া আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, গতকাল রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেট্রোরেলের আয় নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মেট্রোরেল কোম্পানি প্রথম ছয় মাসের আয়ের তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলা হয়, মেট্রোরেল সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৮ দিনে ২০ কোটি আয় করেছে। যেখানে আগের ছয় মাসের আয় ১৮ কোটি টাকা।
প্রকৃতপক্ষে ১৮ কোটি টাকা আয় ছিল মেট্রোরেল চালুর প্রথম ছয় মাসে।
জাকারিয়া বলেন, মেট্রোরেল মতিঝিল পর্যন্ত চালু হওয়ার পর থেকেই প্রতিদিন গড় আয় ১ কোটি টাকা ও গড় যাত্রী ৩ লাখ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ৬ মাসের আয় নিয়ে যা ছড়িয়েছে সেটি সঠিক নয়।
ডিএমটিসিএল সূত্র বলছে, গতকাল আয় নিয়ে এমন তথ্য ছড়িয়ে পড়লে ডিএমটিসিএল চলতি বছরের প্রথম ছয় মাস (জানুয়ারি–জুন) পর্যন্ত আয়ের তথ্য হিসাব করেছে। ২০২৩ সালের দ্বিতীয়ার্ধের (জুলাই–ডিসেম্বর) তথ্যও প্রকাশ করা হবে।
২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর মেট্রোরেল চালু হওয়ার পর সীমিত স্টেশন ও দিনে ৪ ঘণ্টা উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলাচল করত। এরপর গত বছরের ৪ নভেম্বর থেকে মেট্রোরেল পুরোদমে উত্তরা থেকে মতিঝিল যাতায়াত শুরু করে। সুতরাং শুরুর দিকের আয়ের সঙ্গে ৪ নভেম্বর পরবর্তী আয়ে বড় পার্থক্য রয়েছে।
এমআরটি–৬–এর উপ প্রকল্প পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. আব্দুল বাতেন ফকির আজকের পত্রিকা’কে বলেন, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসের যে হিসাব দেওয়া হয়েছে তা মূলত ২০২৩–২৪ অর্থ বছরের।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ডিএমটিসিএল এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৪৯ লাখ ৯ হাজার ৪৯ জন যাত্রী মেট্রোরেলে ভ্রমণ করেছেন। এতে আয় হয়েছে ২০ কোটি ৬৭ লাখ ৩ হাজার ৫৯১ টাকা। এর মধ্যে দুটি শুক্রবার বন্ধ ছিল। গত বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আয় হয়েছিল ৫৪ লাখ ৯১ হাজার ১৪০ টাকা। গত ১২ সেপ্টেম্বর সর্বোচ্চ যাত্রী ভ্রমণ করেছে মেট্রোরেলে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১২ সেপ্টেম্বর ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৮৯২ জন যাত্রী মেট্রোরেলে ভ্রমণ করেছেন। এতে সেদিন আয় হয়েছে ১ কোটি ৪৬ লাখ ৫৭ হাজার ৫৬৬ টাকা। এটিই মেট্রোরেলে একদিনে সর্বোচ্চ আয়।
গত ৪ মার্চ তৎকালীন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, মেট্রোরেল চালু হওয়ার প্রথম ছয় মাস যখন উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলাচল করেছে, তখন মোট আয় হয়েছে ১৮ কোটি টাকা।
আরও খবর পড়ুন:

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি–জুন) মেট্রোরেলে (এমআরটি–৬) ১৯৫ কোটি ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩৩৮ টাকা আয় হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মেট্রোরেলে গড়ে দৈনিক ৩ লাখ যাত্রী ভ্রমণ করেছেন এবং দৈনিক আয় হয়েছে গড়ে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা।
আজ সোমবার ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) এমআরটি–৬–এর অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাকারিয়া আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, গতকাল রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেট্রোরেলের আয় নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মেট্রোরেল কোম্পানি প্রথম ছয় মাসের আয়ের তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলা হয়, মেট্রোরেল সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৮ দিনে ২০ কোটি আয় করেছে। যেখানে আগের ছয় মাসের আয় ১৮ কোটি টাকা।
প্রকৃতপক্ষে ১৮ কোটি টাকা আয় ছিল মেট্রোরেল চালুর প্রথম ছয় মাসে।
জাকারিয়া বলেন, মেট্রোরেল মতিঝিল পর্যন্ত চালু হওয়ার পর থেকেই প্রতিদিন গড় আয় ১ কোটি টাকা ও গড় যাত্রী ৩ লাখ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ৬ মাসের আয় নিয়ে যা ছড়িয়েছে সেটি সঠিক নয়।
ডিএমটিসিএল সূত্র বলছে, গতকাল আয় নিয়ে এমন তথ্য ছড়িয়ে পড়লে ডিএমটিসিএল চলতি বছরের প্রথম ছয় মাস (জানুয়ারি–জুন) পর্যন্ত আয়ের তথ্য হিসাব করেছে। ২০২৩ সালের দ্বিতীয়ার্ধের (জুলাই–ডিসেম্বর) তথ্যও প্রকাশ করা হবে।
২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর মেট্রোরেল চালু হওয়ার পর সীমিত স্টেশন ও দিনে ৪ ঘণ্টা উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলাচল করত। এরপর গত বছরের ৪ নভেম্বর থেকে মেট্রোরেল পুরোদমে উত্তরা থেকে মতিঝিল যাতায়াত শুরু করে। সুতরাং শুরুর দিকের আয়ের সঙ্গে ৪ নভেম্বর পরবর্তী আয়ে বড় পার্থক্য রয়েছে।
এমআরটি–৬–এর উপ প্রকল্প পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. আব্দুল বাতেন ফকির আজকের পত্রিকা’কে বলেন, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসের যে হিসাব দেওয়া হয়েছে তা মূলত ২০২৩–২৪ অর্থ বছরের।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ডিএমটিসিএল এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৪৯ লাখ ৯ হাজার ৪৯ জন যাত্রী মেট্রোরেলে ভ্রমণ করেছেন। এতে আয় হয়েছে ২০ কোটি ৬৭ লাখ ৩ হাজার ৫৯১ টাকা। এর মধ্যে দুটি শুক্রবার বন্ধ ছিল। গত বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আয় হয়েছিল ৫৪ লাখ ৯১ হাজার ১৪০ টাকা। গত ১২ সেপ্টেম্বর সর্বোচ্চ যাত্রী ভ্রমণ করেছে মেট্রোরেলে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১২ সেপ্টেম্বর ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৮৯২ জন যাত্রী মেট্রোরেলে ভ্রমণ করেছেন। এতে সেদিন আয় হয়েছে ১ কোটি ৪৬ লাখ ৫৭ হাজার ৫৬৬ টাকা। এটিই মেট্রোরেলে একদিনে সর্বোচ্চ আয়।
গত ৪ মার্চ তৎকালীন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, মেট্রোরেল চালু হওয়ার প্রথম ছয় মাস যখন উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলাচল করেছে, তখন মোট আয় হয়েছে ১৮ কোটি টাকা।
আরও খবর পড়ুন:

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে