পটিয়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা

যুগ যুগ ধরে সমুদ্রের পানি দিয়ে লবণ উৎপাদন করে আসছেন কৃষকেরা। তবে লবণ উৎপাদন কারখানার পরিত্যক্ত পানি দিয়ে আবার লবণ তৈরির সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিয়েছেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কৃষকেরা।
জানা গেছে, প্রায় এক যুগ ধরে পটিয়ার ইন্দ্রপুল এলাকায় লবণ কারখানার পরিত্যক্ত পানির সঙ্গে মিষ্টি পানি মিশিয়ে প্রায় ১০০ একর খোলা জমিতে লবণ চাষ করা হচ্ছে। পলিথিন ট্রে ব্যবহার করে উৎপাদিত এই লবণ খাবারের কাজে ব্যবহৃত না হলেও দেশের বিভিন্ন শিল্প কারখানা, হ্যাচারি, কৃষিকাজ, মাছ ও চামড়া সংরক্ষণে ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে বছরে উৎপাদন হচ্ছে কোটি টাকার লবণ।
লবণচাষিদের অভিযোগ, এখন পর্যন্ত এই খাতে কোনো সরকারি বা বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা নেই। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) পটিয়ার কর্তৃপক্ষ কার্যকর তদারকি করছে না। তাঁরা যথাযথ সহায়তা ও প্রশিক্ষণ পেলে উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব।
বাঁশখালী উপজেলার ভ্রাম্যমাণ লবণচাষি জসিম উদ্দিন জানান, তিনি প্রায় এক যুগ ধরে লবণ কারখানার পরিত্যক্ত পানি ব্যবহার করে লবণ চাষ করে আসছেন। এবার তিনি ১৬ বিঘা জমিতে এই পদ্ধতিতে লবণ চাষ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, প্রতি একর জমিতে প্রায় ১০০ মণ লবণ উৎপাদন হয় এবং প্রতি সপ্তাহে জমি থেকে লবণ সংগ্রহ করা যায়।
উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জসিম উদ্দিন বলেন, লবণ কারখানার পরিত্যক্ত পানি প্রথমে একটি পুকুরে জমানো হয়। পরে খালের মিষ্টি পানির সঙ্গে মিশিয়ে খোলা জমিতে পলিথিন ট্রেতে জমিয়ে লবণ উৎপাদন করা হয়। এতে একদিকে পরিত্যক্ত পানি কাজে লাগছে, অন্যদিকে জমির মালিকও আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছেন।
পটিয়া সদরের ইন্দ্রপুল এলাকার জে কে সল্ট ক্রাশিং ইন্ডাস্ট্রিজের বিক্রয় ও বিপণন কর্মকর্তা মনসুর আলম জানান, ইন্দ্রপুল এলাকায় প্রায় ১০০ একর জমিতে পরিত্যক্ত পানি ব্যবহার করে বছরে প্রায় ১০ হাজার টন লবণ উৎপাদন হয়। মানভেদে এই লবণের বাজারমূল্য বছরে ১০ কোটি টাকার বেশি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক লবণ মিল মালিক অভিযোগ করেন, পরিত্যক্ত পানি দিয়ে উৎপাদিত এই লবণ খাবার উপযোগী না হলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তা খাবার লবণের সঙ্গে মিশিয়ে বাজারজাত করেন; যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
বিসিক সূত্রে জানা গেছে, পটিয়া ইন্দ্রপুল এলাকায় একসময় ৫০-৬০টি লবণ কারখানা ছিল। তবে বাইপাস সড়ক নির্মাণ ও করোনার প্রভাবে অনেক মিল বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে সেখানে প্রায় ৩০-৪০টি লবণ কারখানা চালু রয়েছে। এসব কারখানা কক্সবাজারের মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও টেকনাফ থেকে কাঁচামাল এনে খাবার উপযোগী লবণ উৎপাদন করা হয়।
পটিয়া লবণ মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক বলেন, পরিত্যক্ত পানি ব্যবহার করে লবণ উৎপাদনের ফলে খালে সরাসরি বর্জ্য পানি পড়ছে না। এতে পানির লবণাক্ততা বাড়ছে না এবং আশপাশের জমিও চাষাবাদের উপযোগী থাকছে। পরিবেশের দিক থেকেও এটি ইতিবাচক উদ্যোগ।
পটিয়া বিসিক শিল্প নগরীর কর্মকর্তা রমেশ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘ইন্দ্রপুল এলাকায় লবণ কারখানার পরিত্যক্ত পানি ব্যবহার করে বছরে প্রায় ১০ হাজার টন লবণ উৎপাদন হচ্ছে। এটি এই অঞ্চলের জন্য একটি বড় সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। তবে এসব চাষি সরকারি প্রশিক্ষণের আওতায় আসেননি।’

যুগ যুগ ধরে সমুদ্রের পানি দিয়ে লবণ উৎপাদন করে আসছেন কৃষকেরা। তবে লবণ উৎপাদন কারখানার পরিত্যক্ত পানি দিয়ে আবার লবণ তৈরির সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিয়েছেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কৃষকেরা।
জানা গেছে, প্রায় এক যুগ ধরে পটিয়ার ইন্দ্রপুল এলাকায় লবণ কারখানার পরিত্যক্ত পানির সঙ্গে মিষ্টি পানি মিশিয়ে প্রায় ১০০ একর খোলা জমিতে লবণ চাষ করা হচ্ছে। পলিথিন ট্রে ব্যবহার করে উৎপাদিত এই লবণ খাবারের কাজে ব্যবহৃত না হলেও দেশের বিভিন্ন শিল্প কারখানা, হ্যাচারি, কৃষিকাজ, মাছ ও চামড়া সংরক্ষণে ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে বছরে উৎপাদন হচ্ছে কোটি টাকার লবণ।
লবণচাষিদের অভিযোগ, এখন পর্যন্ত এই খাতে কোনো সরকারি বা বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা নেই। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) পটিয়ার কর্তৃপক্ষ কার্যকর তদারকি করছে না। তাঁরা যথাযথ সহায়তা ও প্রশিক্ষণ পেলে উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব।
বাঁশখালী উপজেলার ভ্রাম্যমাণ লবণচাষি জসিম উদ্দিন জানান, তিনি প্রায় এক যুগ ধরে লবণ কারখানার পরিত্যক্ত পানি ব্যবহার করে লবণ চাষ করে আসছেন। এবার তিনি ১৬ বিঘা জমিতে এই পদ্ধতিতে লবণ চাষ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, প্রতি একর জমিতে প্রায় ১০০ মণ লবণ উৎপাদন হয় এবং প্রতি সপ্তাহে জমি থেকে লবণ সংগ্রহ করা যায়।
উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জসিম উদ্দিন বলেন, লবণ কারখানার পরিত্যক্ত পানি প্রথমে একটি পুকুরে জমানো হয়। পরে খালের মিষ্টি পানির সঙ্গে মিশিয়ে খোলা জমিতে পলিথিন ট্রেতে জমিয়ে লবণ উৎপাদন করা হয়। এতে একদিকে পরিত্যক্ত পানি কাজে লাগছে, অন্যদিকে জমির মালিকও আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছেন।
পটিয়া সদরের ইন্দ্রপুল এলাকার জে কে সল্ট ক্রাশিং ইন্ডাস্ট্রিজের বিক্রয় ও বিপণন কর্মকর্তা মনসুর আলম জানান, ইন্দ্রপুল এলাকায় প্রায় ১০০ একর জমিতে পরিত্যক্ত পানি ব্যবহার করে বছরে প্রায় ১০ হাজার টন লবণ উৎপাদন হয়। মানভেদে এই লবণের বাজারমূল্য বছরে ১০ কোটি টাকার বেশি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক লবণ মিল মালিক অভিযোগ করেন, পরিত্যক্ত পানি দিয়ে উৎপাদিত এই লবণ খাবার উপযোগী না হলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তা খাবার লবণের সঙ্গে মিশিয়ে বাজারজাত করেন; যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
বিসিক সূত্রে জানা গেছে, পটিয়া ইন্দ্রপুল এলাকায় একসময় ৫০-৬০টি লবণ কারখানা ছিল। তবে বাইপাস সড়ক নির্মাণ ও করোনার প্রভাবে অনেক মিল বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে সেখানে প্রায় ৩০-৪০টি লবণ কারখানা চালু রয়েছে। এসব কারখানা কক্সবাজারের মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও টেকনাফ থেকে কাঁচামাল এনে খাবার উপযোগী লবণ উৎপাদন করা হয়।
পটিয়া লবণ মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক বলেন, পরিত্যক্ত পানি ব্যবহার করে লবণ উৎপাদনের ফলে খালে সরাসরি বর্জ্য পানি পড়ছে না। এতে পানির লবণাক্ততা বাড়ছে না এবং আশপাশের জমিও চাষাবাদের উপযোগী থাকছে। পরিবেশের দিক থেকেও এটি ইতিবাচক উদ্যোগ।
পটিয়া বিসিক শিল্প নগরীর কর্মকর্তা রমেশ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘ইন্দ্রপুল এলাকায় লবণ কারখানার পরিত্যক্ত পানি ব্যবহার করে বছরে প্রায় ১০ হাজার টন লবণ উৎপাদন হচ্ছে। এটি এই অঞ্চলের জন্য একটি বড় সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। তবে এসব চাষি সরকারি প্রশিক্ষণের আওতায় আসেননি।’

বিলম্বের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন রেলপথ প্রকল্প। ইতিমধ্যে চার দফা মেয়াদ বাড়ানো এই প্রকল্প শেষ করতে আরও দুই বছর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। প্রায় এক যুগে প্রকল্পের কাজ হয়েছে ৫৪ শতাংশ।
২ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল এবং হাতিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাইফ উদ্দিন আহমদ দীর্ঘদিন হত্যা-বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার আসামি হয়ে জেলা কারাগারে রয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
খুলনা জেলায় খাদ্যশস্য সংগ্রহ মৌসুমে বস্তা কেনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নতুন বস্তার সঙ্গে পুরোনো বস্তাও সরবরাহ ও ব্যবহার হচ্ছে বলে জানা গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পুরোনো নিম্নমানের বস্তা ক্রয় এবং অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে খাদ্যগুদামের অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। তবে খাদ্য কর্মকর্তাদের দাবি...
৩ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে ৪টি অবৈধ ইটভাটার কিলন গুঁড়িয়ে দিয়েছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই সঙ্গে চার ইটভাটা থেকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম।
৪ ঘণ্টা আগে