এ টি এম মোজাফফর হোসেন, সেলটা

[গত সংখ্যার পর]
Listening to Verb & Adjective
লিসেনিংয়ে যখন প্রশ্নের ফোকাস ক্রিয়াপদ বা বিশেষণের ওপর হয়, তখন রেকর্ডিংয়ে মূল অর্থ ঠিক রেখে সেটিকে সরাসরি না বলে অন্য যেকোনোভাবে প্রকাশ করে থাকে। ইচ্ছে করেই এটি করা হয়। এভাবে পরীক্ষার্থীর ইংরেজি ভাষার ওপর দক্ষতা বা শব্দার্থ বোঝার ক্ষমতা পরখ করা হয়। বিষয়টি জানা থাকলে প্রশ্নপত্রের ভাষার সঙ্গে রেকর্ডিংয়ের বলা মিলিয়ে সঠিক উত্তর খুঁজে বের করা খুব সহজ হয়।
প্রারম্ভিক
লিসেনিংয়ে অন্যান্য ফ্যাক্টরের মতো ক্রিয়াপদ ও বিশেষণকে সহসাই প্যারাফ্রেজ অবস্থায় দেখা যায়। মূল অর্থ ঠিক রেখে যখন কোনো শব্দকে সরাসরি না বলে অন্য কোনোভাবে প্রকাশ করে, তখন তাকে প্যারাফ্রেজ বলে। এখানে প্রশ্নের ফোকাস যদি ক্রিয়াপদ, বিশেষণের ওপর অথবা তার আশপাশে হয় সে ক্ষেত্রে প্যারাফ্রেজ অবশ্যই করা হয়।
ইংরেজি বাক্যের প্রতিটি শব্দার্থ না বুঝলেও ক্রিয়াপদটির অর্থ বুঝে পুরো বাক্যের ভাবার্থ বোঝা সম্ভব। উল্টোভাবে যদি বলি, বাক্যের প্রতিটি শব্দার্থ জানি, কিন্তু ক্রিয়াপদের অর্থ জানি না—তবে ওই বাক্যের মর্মার্থ বের করা অসম্ভব। আর বাক্যে বিশেষণের উপস্থিতির কারণে একই প্রশ্নের জবাব সম্পূর্ণভাবে উল্টে যায়।
সামগ্রিকভাবে বিষয়টাকে মডিফায়ার বলে। তা ছাড়া লিসেনিংয়ে ক্রিয়াপদ এবং বিশেষণ সরাসরি না বলে শব্দান্তরিত করে বলে। এই পদ্ধতিকে প্যারাফ্রেজিং বলে। সুতরাং, মডিফায়ার ও প্যারাফ্রেজিং জানা আবশ্যক।
পরীক্ষার্থীরা যে সমস্যায় ভোগে
প্রশ্নপত্রের লেখার সঙ্গে রেকর্ডিংয়ের ভাষার সরাসরি মিল থাকে না কখনো। মূল ভাব (বা অর্থ) ঠিক রেখে তা পরিবর্তন করা হয়। এটি ইচ্ছে করেই করা হয়। এভাবে পরীক্ষার্থীর ইংরেজি ভাষার ওপর দক্ষতা বা শব্দার্থ বোঝার ক্ষমতা পরখ করা হয়।
এখানে যে দক্ষতাগুলো দেখা হয়
বাক্যে ক্রিয়াপদ অথবা বিশেষণ আলাদা করা, অর্থ বোঝা (প্যারাফ্রেজসহ) এবং বাক্যের সার্বিক মর্মার্থ বা মূল ভাব বুঝতে পারা।
শিক্ষণীয় বিষয়াদি
লিসেনিংয়ে ক্রিয়াপদ, বিশেষণের ওপর অথবা তার আশপাশের শব্দ প্যারাফ্রেজ করা হয়। তা ছাড়া প্রশ্নের আগে-পরের শব্দের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তার অর্থ বা উত্তর পরিবর্তন হয়। তাই এখানে প্যারাফ্রেজ ও মডিফায়ার বিষয়টি খুবই প্রাসঙ্গিক। তবে বিষয়গুলো নিয়ে ইতিপূর্বে আলোচনা করা হয়েছে বিধায় এখানে আর আলাদা করে আলোচনা করা হলো না।
নিচে ক্রিয়াপদ বা বিশেষণের ওপর কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো। অনুশীলনে যা যা করণীয়:
১. প্রশ্নপত্রে ক্রিয়াপদ বা বিশেষণ খুঁজে বের করুন এবং দাগান। এগুলোর প্যারাফ্রেজ করুন (যত মাথায় আসে)।
২. এবার ‘টেপ স্ক্রিপ্ট’-এ যান। প্রশ্নের সঙ্গে মিলান। দেখুন আপনার প্যারাফ্রেজগুলোর কতটা ঠিক হয়েছে, কতগুলো কাছাকাছি হয়েছে।
৩. প্রতিটি প্রশ্ন/উত্তর কেন, কীভাবে সঠিক হলো তার একটা ব্যাখ্যা বোঝার সুবিধার্থে নিচে দেওয়া হলো।
৪. এবার ভাবুন—কীভাবে ‘টেপ স্ক্রিপ্ট’-এর কথাগুলো (ক্রিয়াপদ/বিশেষণ) প্যারাফ্রেজ করে প্রশ্নপত্রে দেওয়া থাকে। সঙ্গে উত্তরগুলোও দেখুন।
৫. এমনি করে অনুশীলন করুন। এখন সব প্রশ্নের জবাব ঠিক ঠিক দিতে পারবেন।
[পর্ব-১০.২ আগামী সংখ্যায়]
আরও পড়ুন:

[গত সংখ্যার পর]
Listening to Verb & Adjective
লিসেনিংয়ে যখন প্রশ্নের ফোকাস ক্রিয়াপদ বা বিশেষণের ওপর হয়, তখন রেকর্ডিংয়ে মূল অর্থ ঠিক রেখে সেটিকে সরাসরি না বলে অন্য যেকোনোভাবে প্রকাশ করে থাকে। ইচ্ছে করেই এটি করা হয়। এভাবে পরীক্ষার্থীর ইংরেজি ভাষার ওপর দক্ষতা বা শব্দার্থ বোঝার ক্ষমতা পরখ করা হয়। বিষয়টি জানা থাকলে প্রশ্নপত্রের ভাষার সঙ্গে রেকর্ডিংয়ের বলা মিলিয়ে সঠিক উত্তর খুঁজে বের করা খুব সহজ হয়।
প্রারম্ভিক
লিসেনিংয়ে অন্যান্য ফ্যাক্টরের মতো ক্রিয়াপদ ও বিশেষণকে সহসাই প্যারাফ্রেজ অবস্থায় দেখা যায়। মূল অর্থ ঠিক রেখে যখন কোনো শব্দকে সরাসরি না বলে অন্য কোনোভাবে প্রকাশ করে, তখন তাকে প্যারাফ্রেজ বলে। এখানে প্রশ্নের ফোকাস যদি ক্রিয়াপদ, বিশেষণের ওপর অথবা তার আশপাশে হয় সে ক্ষেত্রে প্যারাফ্রেজ অবশ্যই করা হয়।
ইংরেজি বাক্যের প্রতিটি শব্দার্থ না বুঝলেও ক্রিয়াপদটির অর্থ বুঝে পুরো বাক্যের ভাবার্থ বোঝা সম্ভব। উল্টোভাবে যদি বলি, বাক্যের প্রতিটি শব্দার্থ জানি, কিন্তু ক্রিয়াপদের অর্থ জানি না—তবে ওই বাক্যের মর্মার্থ বের করা অসম্ভব। আর বাক্যে বিশেষণের উপস্থিতির কারণে একই প্রশ্নের জবাব সম্পূর্ণভাবে উল্টে যায়।
সামগ্রিকভাবে বিষয়টাকে মডিফায়ার বলে। তা ছাড়া লিসেনিংয়ে ক্রিয়াপদ এবং বিশেষণ সরাসরি না বলে শব্দান্তরিত করে বলে। এই পদ্ধতিকে প্যারাফ্রেজিং বলে। সুতরাং, মডিফায়ার ও প্যারাফ্রেজিং জানা আবশ্যক।
পরীক্ষার্থীরা যে সমস্যায় ভোগে
প্রশ্নপত্রের লেখার সঙ্গে রেকর্ডিংয়ের ভাষার সরাসরি মিল থাকে না কখনো। মূল ভাব (বা অর্থ) ঠিক রেখে তা পরিবর্তন করা হয়। এটি ইচ্ছে করেই করা হয়। এভাবে পরীক্ষার্থীর ইংরেজি ভাষার ওপর দক্ষতা বা শব্দার্থ বোঝার ক্ষমতা পরখ করা হয়।
এখানে যে দক্ষতাগুলো দেখা হয়
বাক্যে ক্রিয়াপদ অথবা বিশেষণ আলাদা করা, অর্থ বোঝা (প্যারাফ্রেজসহ) এবং বাক্যের সার্বিক মর্মার্থ বা মূল ভাব বুঝতে পারা।
শিক্ষণীয় বিষয়াদি
লিসেনিংয়ে ক্রিয়াপদ, বিশেষণের ওপর অথবা তার আশপাশের শব্দ প্যারাফ্রেজ করা হয়। তা ছাড়া প্রশ্নের আগে-পরের শব্দের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তার অর্থ বা উত্তর পরিবর্তন হয়। তাই এখানে প্যারাফ্রেজ ও মডিফায়ার বিষয়টি খুবই প্রাসঙ্গিক। তবে বিষয়গুলো নিয়ে ইতিপূর্বে আলোচনা করা হয়েছে বিধায় এখানে আর আলাদা করে আলোচনা করা হলো না।
নিচে ক্রিয়াপদ বা বিশেষণের ওপর কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো। অনুশীলনে যা যা করণীয়:
১. প্রশ্নপত্রে ক্রিয়াপদ বা বিশেষণ খুঁজে বের করুন এবং দাগান। এগুলোর প্যারাফ্রেজ করুন (যত মাথায় আসে)।
২. এবার ‘টেপ স্ক্রিপ্ট’-এ যান। প্রশ্নের সঙ্গে মিলান। দেখুন আপনার প্যারাফ্রেজগুলোর কতটা ঠিক হয়েছে, কতগুলো কাছাকাছি হয়েছে।
৩. প্রতিটি প্রশ্ন/উত্তর কেন, কীভাবে সঠিক হলো তার একটা ব্যাখ্যা বোঝার সুবিধার্থে নিচে দেওয়া হলো।
৪. এবার ভাবুন—কীভাবে ‘টেপ স্ক্রিপ্ট’-এর কথাগুলো (ক্রিয়াপদ/বিশেষণ) প্যারাফ্রেজ করে প্রশ্নপত্রে দেওয়া থাকে। সঙ্গে উত্তরগুলোও দেখুন।
৫. এমনি করে অনুশীলন করুন। এখন সব প্রশ্নের জবাব ঠিক ঠিক দিতে পারবেন।
[পর্ব-১০.২ আগামী সংখ্যায়]
আরও পড়ুন:

গণনা মেশিনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে স্থগিত করা হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা। পরে উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে আলোচনায় মেশিনেই ভোট গণনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রতিদ্বন্দ্বী দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ করা হলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিকেলে ভোট শেষে শুরু হয় গণনা। আজ বুধবার ফলাফল জানা যেতে পারে।
১০ ঘণ্টা আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) মেশিনে ত্রুটির কারণে ভোট গণনা স্থগিত করা হয়েছে। এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত (রাত ৯টা ৩০ মিনিট) ভোট গণনা স্থগিত রয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ভোট পড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। এ ছাড়া হল সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৭৭ শতাংশ।
১৪ ঘণ্টা আগে