[গত সংখ্যার পর]
Listening to Verb & Adjective
লিসেনিংয়ে যখন প্রশ্নের ফোকাস ক্রিয়াপদ বা বিশেষণের ওপর হয়, তখন রেকর্ডিংয়ে মূল অর্থ ঠিক রেখে সেটিকে সরাসরি না বলে অন্য যেকোনোভাবে প্রকাশ করে থাকে। ইচ্ছে করেই এটি করা হয়। এভাবে পরীক্ষার্থীর ইংরেজি ভাষার ওপর দক্ষতা বা শব্দার্থ বোঝার ক্ষমতা পরখ করা হয়। বিষয়টি জানা থাকলে প্রশ্নপত্রের ভাষার সঙ্গে রেকর্ডিংয়ের বলা মিলিয়ে সঠিক উত্তর খুঁজে বের করা খুব সহজ হয়।
প্রারম্ভিক
লিসেনিংয়ে অন্যান্য ফ্যাক্টরের মতো ক্রিয়াপদ ও বিশেষণকে সহসাই প্যারাফ্রেজ অবস্থায় দেখা যায়। মূল অর্থ ঠিক রেখে যখন কোনো শব্দকে সরাসরি না বলে অন্য কোনোভাবে প্রকাশ করে, তখন তাকে প্যারাফ্রেজ বলে। এখানে প্রশ্নের ফোকাস যদি ক্রিয়াপদ, বিশেষণের ওপর অথবা তার আশপাশে হয় সে ক্ষেত্রে প্যারাফ্রেজ অবশ্যই করা হয়।
ইংরেজি বাক্যের প্রতিটি শব্দার্থ না বুঝলেও ক্রিয়াপদটির অর্থ বুঝে পুরো বাক্যের ভাবার্থ বোঝা সম্ভব। উল্টোভাবে যদি বলি, বাক্যের প্রতিটি শব্দার্থ জানি, কিন্তু ক্রিয়াপদের অর্থ জানি না—তবে ওই বাক্যের মর্মার্থ বের করা অসম্ভব। আর বাক্যে বিশেষণের উপস্থিতির কারণে একই প্রশ্নের জবাব সম্পূর্ণভাবে উল্টে যায়।
সামগ্রিকভাবে বিষয়টাকে মডিফায়ার বলে। তা ছাড়া লিসেনিংয়ে ক্রিয়াপদ এবং বিশেষণ সরাসরি না বলে শব্দান্তরিত করে বলে। এই পদ্ধতিকে প্যারাফ্রেজিং বলে। সুতরাং, মডিফায়ার ও প্যারাফ্রেজিং জানা আবশ্যক।
পরীক্ষার্থীরা যে সমস্যায় ভোগে
প্রশ্নপত্রের লেখার সঙ্গে রেকর্ডিংয়ের ভাষার সরাসরি মিল থাকে না কখনো। মূল ভাব (বা অর্থ) ঠিক রেখে তা পরিবর্তন করা হয়। এটি ইচ্ছে করেই করা হয়। এভাবে পরীক্ষার্থীর ইংরেজি ভাষার ওপর দক্ষতা বা শব্দার্থ বোঝার ক্ষমতা পরখ করা হয়।
এখানে যে দক্ষতাগুলো দেখা হয়
বাক্যে ক্রিয়াপদ অথবা বিশেষণ আলাদা করা, অর্থ বোঝা (প্যারাফ্রেজসহ) এবং বাক্যের সার্বিক মর্মার্থ বা মূল ভাব বুঝতে পারা।
শিক্ষণীয় বিষয়াদি
লিসেনিংয়ে ক্রিয়াপদ, বিশেষণের ওপর অথবা তার আশপাশের শব্দ প্যারাফ্রেজ করা হয়। তা ছাড়া প্রশ্নের আগে-পরের শব্দের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তার অর্থ বা উত্তর পরিবর্তন হয়। তাই এখানে প্যারাফ্রেজ ও মডিফায়ার বিষয়টি খুবই প্রাসঙ্গিক। তবে বিষয়গুলো নিয়ে ইতিপূর্বে আলোচনা করা হয়েছে বিধায় এখানে আর আলাদা করে আলোচনা করা হলো না।
নিচে ক্রিয়াপদ বা বিশেষণের ওপর কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো। অনুশীলনে যা যা করণীয়:
১. প্রশ্নপত্রে ক্রিয়াপদ বা বিশেষণ খুঁজে বের করুন এবং দাগান। এগুলোর প্যারাফ্রেজ করুন (যত মাথায় আসে)।
২. এবার ‘টেপ স্ক্রিপ্ট’-এ যান। প্রশ্নের সঙ্গে মিলান। দেখুন আপনার প্যারাফ্রেজগুলোর কতটা ঠিক হয়েছে, কতগুলো কাছাকাছি হয়েছে।
৩. প্রতিটি প্রশ্ন/উত্তর কেন, কীভাবে সঠিক হলো তার একটা ব্যাখ্যা বোঝার সুবিধার্থে নিচে দেওয়া হলো।
৪. এবার ভাবুন—কীভাবে ‘টেপ স্ক্রিপ্ট’-এর কথাগুলো (ক্রিয়াপদ/বিশেষণ) প্যারাফ্রেজ করে প্রশ্নপত্রে দেওয়া থাকে। সঙ্গে উত্তরগুলোও দেখুন।
৫. এমনি করে অনুশীলন করুন। এখন সব প্রশ্নের জবাব ঠিক ঠিক দিতে পারবেন।
[পর্ব-১০.২ আগামী সংখ্যায়]
আরও পড়ুন:

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ পাস করতে পারেনি। এবারের পরীক্ষায় ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন।
৩১ মিনিট আগে
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি ও সমমান) পরীক্ষায় মাত্র ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অথচ গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৯৮৪ টি। সেই হিসাবে এবার শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কমেছে ৩১৫ টি।
১ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ১৩৪। এ দিকে শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও কমেছে।
১ ঘণ্টা আগে
এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণ করেছিলেন ১৮ লাখ ৫৭ হাজার পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায়, ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন দাখিল পরীক্ষায় এবং ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষার্থী।
১ ঘণ্টা আগে