
ইংরেজিতে কতটি শব্দ জানেন, সেটি আইইএলটিএস স্পিকিং পরীক্ষার একমাত্র মাপকাঠি নয়। এখানে দেখা হয়, আপনি কীভাবে কথা বলেন, কীভাবে ভাব প্রকাশ করেন, আর একজন মানুষের সঙ্গে কতটা স্বাভাবিকভাবে যোগাযোগ করতে পারেন। পুরো পরীক্ষা যেন একটি আন্তরিক আলাপ।

আপনি কি ইংরেজিভাষী কোনো দেশে উচ্চশিক্ষা, চাকরি বা অভিবাসনের জন্য যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন? সে ক্ষেত্রে প্রথম ধাপ হতে পারে আইইএলটিএস পরীক্ষায় অংশ নেওয়া। বিশ্বের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়, নিয়োগকর্তা ও অভিবাসন কর্তৃপক্ষ ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে এই পরীক্ষার ফল গ্রহণ করে।

কম্পিউটারের পর্দায় একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট খুলে দেখছেন আপনি। কোথাও টিউশন ফি, কোথাও স্কলারশিপ, কোথাও ভর্তির যোগ্যতা—সব হিসাবই যেন মিলে যাচ্ছে। কিন্তু চোখ আটকে যায় একটি জায়গায় ‘আইইএলটিএস প্রয়োজন’। স্বপ্নটা কি তাহলে এখানেই থেমে যাবে? অবশ্যই নয়।

আইইএলটিএস ছাড়া উচ্চশিক্ষার সুযোগ এখন বিশ্বের অনেক দেশেই রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়াও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য এমনই একটি বড় সম্ভাবনার দেশ। ২০২৬ সালে দেশটির বিভিন্ন স্কলারশিপে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। এসব স্কলারশিপের আওতায় স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং পিএইচডি—সকল পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাই আবেদন করতে পারবেন।