
কুয়েতে বেশ কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে সেগুলো কীভাবে বিধ্বস্ত হলো এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট তথ্য তারা দেয়নি।
অবশেষে মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) জানাল, স্পষ্টত একটি ফ্রেন্ডলি ফায়ারের ঘটনায় তিনটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছে। আজ সোমবার কুয়েতি বিমান প্রতিরক্ষা বিভাগ ভুলবশত এফ-১৫ স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে।
কেন্দ্রীয় কমান্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানি বিমান, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন থেকে আক্রমণ চলছিল, এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত মার্কিন বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান ভুলবশত কুয়েতি বিমান প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রতিরোধের শিকার হয়। ছয়জন ক্রু নিরাপদে বেরিয়ে এসেছেন, তাঁদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাঁরা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন। কুয়েত এই ঘটনা স্বীকার করেছে এবং আমরা কুয়েতি প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রচেষ্টা এবং এই চলমান অভিযানে তাদের সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞ।
সেন্টকম জানিয়েছে, ঘটনার কারণ তদন্তাধীন। ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের সমর্থনে বিমানগুলো উড়ছিল।
স্থানীয় সময় সোমবার বিকেলে কুয়েতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, বেশ কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে।
আরও পড়ুন:

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, এই চুক্তিটি নিশ্চিত করার আগে তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘চমৎকার’ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন দুই
৮ ঘণ্টা আগে
উদ্বেগের বিষয় হলো, যেহেতু দুই দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, তাই ইরান তাদের মাইনের বিস্তারিত মানচিত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের জন্য একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হলেও মধ্যস্থতাকারী ও সহায়তাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি। বরং এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান সফর করছেন।
১০ ঘণ্টা আগে