এ টি এম মোজাফফর হোসেন

১১। মূলভাব (মেইন আইডিয়া)
কি-ওয়ার্ডের সঙ্গে সঙ্গে পুরো বাক্যের (সেনটেন্স) অথবা অনুচ্ছেদের (প্যারা) মূল ভাবটা বুঝে নিতে হবে। কারণ যেকোনো কথোপকথন ‘কি-ওয়ার্ড’ এবং ‘মূল ভাবটা’ বারবার ফিরে আসে এবং ওসবের মধ্যে বা আশপাশেই উত্তরগুলো ঘুরপাক খায়। এই ধরুন, কোন বিবৃতিতে কোনো কলেজের বিজনেস শাখার কোন শ্রেণির পরিধি (ক্লাস সাইজ) সম্পর্কে বলছে—প্রশ্ন যদি ‘ক্লাস সাইজ’ বিষয়ে হয় তবে ওই কথাটির কথোপকথন বারবার ঘুরেফিরে আসবে।
১২। ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ (ইটারপ্রেট)
অনেক সময় কি-ওয়ার্ড ও মূলভাব বুঝলেও কথাগুলোর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করার দক্ষতাও প্রয়োজন পড়ে। এই ধরুন, আপনি ‘কি-ওয়ার্ড’ ধরতে পেরেছেন, মূল ভাবটাও বুঝেছেন, কিন্তু সার্বিক পরিস্থিতি তৃতীয় কোনো অর্থ বোঝাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে নিজেকে রেকর্ডিংয়ের কথোপকথনের পরিস্থিতির মধ্যে বসাতে (বা ভাবতে) শিখুন। তবেই এর সঠিক উত্তর দিতে পারবেন।
উদাহরণ
ছেলে: আমি অসুস্থ, আমার ফ্লু হয়েছে।
মেয়ে: তবে তুমি ক্যাম্পাসের ডাক্তার দেখাচ্ছ না কেন?
প্রশ্ন: লোকটি কেন ক্যাম্পাসের ডাক্তারের কাছে গিয়েছিল।
উত্তর: ডাক্তার দেখবে যে ছেলেটির ফ্লু হয়েছে কি না।
১৩। লুকানো অর্থ বোঝা (হিডেন মিনিং)
অনেক কথোপকথন থেকে সরাসরি কোনো উত্তর পাওয়া যায় না, এর ভেতরের লুকানো অর্থ বুঝে নিতে হয়।
উদাহরণ
শিক্ষক: তোমার প্রেজেন্টেশন কি সম্পূর্ণ হয়েছে?
ছাত্র: আমার কেবলমাত্র অর্ধেক হয়েছে, আর তাতে সময় লেগেছে ৫ ঘণ্টা। এখন মাত্র এক ঘণ্টা সময় বাকি। আমার কী হবে জানি না!
প্রশ্ন: ছাত্র কি তার প্রেজেন্টেশন নিয়ে প্রস্তুত?
আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় যে কথোপকথনে প্রশ্নের উত্তর নাই। অর্ধেক প্রেজেন্টেশন করতে যদি ৫ ঘণ্টা লাগে, তবে বাকি এক ঘণ্টায় কি প্রেজেন্টেশন তৈরি করা সম্ভব? যুক্তি দিয়ে বোঝা যায় যে ওটি সম্ভব না। সুতরাং উত্তর হবে—সম্ভব নয়।
১৪। ফাঁদ (ট্র্যাপ)
রেকর্ডিং এবং প্রশ্নপত্রে উভয়েই একাধিক ফাঁদ পাতা থাকে। ওসব আগে থেকেই জেনে-বুঝে সেই মোতাবেক অনুশীলন করলে সঠিক উত্তর দেওয়া সম্ভব।
ক। ডিসট্র্যাক্টরের (মনোযোগ ভিন্নমুখী করা) ব্যবহার
লিসেনিং শোনার দক্ষতা পরীক্ষা করার জন্য অনেক সময় ডিসট্র্যাক্টর ব্যবহার করা হয়। যেমন ধরুন বিচিত্র কণ্ঠস্বরে কথা বলা, একাধিক অ্যাকসেন্ট ব্যবহার করা, শোরগোল বা হইচইয়ের মধ্যে কথোপকথন ইত্যাদি। এখানে ছেলেমেয়ে, যুবক-বৃদ্ধ হরেক রকমের লোকজন কথা বলে। তা ছাড়া আমেরিকা, ব্রিটিশ, অস্ট্রেলিয়া, জাপানি এমনকি ইউরোপিয়ান অ্যাকসেন্টও ব্যবহার করা হয়। সঙ্গে যুক্ত করা হয় শোরগোল (Background Noise)। তারা দেখতে চায়, একটা শোরগোল পরিস্থিতিতে আপনি কেমন শোনেন, কেমন বোঝেন।
টিপস: অনেক সময় বক্তা কোনো কিছু নিচু স্বরে বা ফিসফিস করে বলে থাকে, ওখানে কোনো প্রশ্নের উত্তর না থাকার সম্ভাবনাই বেশি। এরই মধ্যে আবার অন্য কোথাও কিছু অংশ উচ্চ স্বরে পরিষ্কার করে বলে—বুঝে নেবেন এই অংশেই উত্তর রয়েছে। অনুশীলনের মাধ্যমে বিষয়টি রপ্ত করা সম্ভব।
খ। কণ্ঠস্বর/আওয়াজ পরিবর্তন
রেকর্ডিংয়ের কথোপকথনে বাস্তব পরিস্থিতি টেনে আনা হয়। যেমন ধরুন একই স্বরে কথা না বলে একাধিক স্বরে কথা বলে। সাধারণ ভঙ্গিতে কথা না বলে আবেগ, উচ্ছ্বাস, সুখ-দুঃখ প্রকাশ বা বিস্ময় নিয়ে কথা বলে ইত্যাদি। বিষয়গুলো না বুঝলে আপনি রেকর্ডিং বুঝবেন না মোটেই।
উদাহরণ
ছেলে: চল আমরা সবাই মিলে ওয়াল মার্টে যাই।
মেয়ে: কী বল! এখানে ওয়াল মার্ট আছে! (মেয়েটি আশা করেনি যে ওখানে ওয়াল মার্ট শপিং মল থাকবে। তাই সে উচ্ছ্বাসে, আবেগে অধিক উচ্চ স্বরে বলে উঠছে যে...)
টিপস: তবে খুশির কথা হলো যে যেখানে এভাবে কোনো আবেগ বা উচ্ছ্বাস সুখ-দুঃখ প্রকাশ বা বিস্ময় নিয়ে কথা হবে, সেখানে নিশ্চয় কোনো উত্তর থাকবে।
চলবে... (পর্ব-১.৫ আগামী সংখ্যায়)
এ টি এম মোজাফফর হোসেন, সেলটা ও মোস্তাকিম শুভ, সেলটা

১১। মূলভাব (মেইন আইডিয়া)
কি-ওয়ার্ডের সঙ্গে সঙ্গে পুরো বাক্যের (সেনটেন্স) অথবা অনুচ্ছেদের (প্যারা) মূল ভাবটা বুঝে নিতে হবে। কারণ যেকোনো কথোপকথন ‘কি-ওয়ার্ড’ এবং ‘মূল ভাবটা’ বারবার ফিরে আসে এবং ওসবের মধ্যে বা আশপাশেই উত্তরগুলো ঘুরপাক খায়। এই ধরুন, কোন বিবৃতিতে কোনো কলেজের বিজনেস শাখার কোন শ্রেণির পরিধি (ক্লাস সাইজ) সম্পর্কে বলছে—প্রশ্ন যদি ‘ক্লাস সাইজ’ বিষয়ে হয় তবে ওই কথাটির কথোপকথন বারবার ঘুরেফিরে আসবে।
১২। ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ (ইটারপ্রেট)
অনেক সময় কি-ওয়ার্ড ও মূলভাব বুঝলেও কথাগুলোর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করার দক্ষতাও প্রয়োজন পড়ে। এই ধরুন, আপনি ‘কি-ওয়ার্ড’ ধরতে পেরেছেন, মূল ভাবটাও বুঝেছেন, কিন্তু সার্বিক পরিস্থিতি তৃতীয় কোনো অর্থ বোঝাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে নিজেকে রেকর্ডিংয়ের কথোপকথনের পরিস্থিতির মধ্যে বসাতে (বা ভাবতে) শিখুন। তবেই এর সঠিক উত্তর দিতে পারবেন।
উদাহরণ
ছেলে: আমি অসুস্থ, আমার ফ্লু হয়েছে।
মেয়ে: তবে তুমি ক্যাম্পাসের ডাক্তার দেখাচ্ছ না কেন?
প্রশ্ন: লোকটি কেন ক্যাম্পাসের ডাক্তারের কাছে গিয়েছিল।
উত্তর: ডাক্তার দেখবে যে ছেলেটির ফ্লু হয়েছে কি না।
১৩। লুকানো অর্থ বোঝা (হিডেন মিনিং)
অনেক কথোপকথন থেকে সরাসরি কোনো উত্তর পাওয়া যায় না, এর ভেতরের লুকানো অর্থ বুঝে নিতে হয়।
উদাহরণ
শিক্ষক: তোমার প্রেজেন্টেশন কি সম্পূর্ণ হয়েছে?
ছাত্র: আমার কেবলমাত্র অর্ধেক হয়েছে, আর তাতে সময় লেগেছে ৫ ঘণ্টা। এখন মাত্র এক ঘণ্টা সময় বাকি। আমার কী হবে জানি না!
প্রশ্ন: ছাত্র কি তার প্রেজেন্টেশন নিয়ে প্রস্তুত?
আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় যে কথোপকথনে প্রশ্নের উত্তর নাই। অর্ধেক প্রেজেন্টেশন করতে যদি ৫ ঘণ্টা লাগে, তবে বাকি এক ঘণ্টায় কি প্রেজেন্টেশন তৈরি করা সম্ভব? যুক্তি দিয়ে বোঝা যায় যে ওটি সম্ভব না। সুতরাং উত্তর হবে—সম্ভব নয়।
১৪। ফাঁদ (ট্র্যাপ)
রেকর্ডিং এবং প্রশ্নপত্রে উভয়েই একাধিক ফাঁদ পাতা থাকে। ওসব আগে থেকেই জেনে-বুঝে সেই মোতাবেক অনুশীলন করলে সঠিক উত্তর দেওয়া সম্ভব।
ক। ডিসট্র্যাক্টরের (মনোযোগ ভিন্নমুখী করা) ব্যবহার
লিসেনিং শোনার দক্ষতা পরীক্ষা করার জন্য অনেক সময় ডিসট্র্যাক্টর ব্যবহার করা হয়। যেমন ধরুন বিচিত্র কণ্ঠস্বরে কথা বলা, একাধিক অ্যাকসেন্ট ব্যবহার করা, শোরগোল বা হইচইয়ের মধ্যে কথোপকথন ইত্যাদি। এখানে ছেলেমেয়ে, যুবক-বৃদ্ধ হরেক রকমের লোকজন কথা বলে। তা ছাড়া আমেরিকা, ব্রিটিশ, অস্ট্রেলিয়া, জাপানি এমনকি ইউরোপিয়ান অ্যাকসেন্টও ব্যবহার করা হয়। সঙ্গে যুক্ত করা হয় শোরগোল (Background Noise)। তারা দেখতে চায়, একটা শোরগোল পরিস্থিতিতে আপনি কেমন শোনেন, কেমন বোঝেন।
টিপস: অনেক সময় বক্তা কোনো কিছু নিচু স্বরে বা ফিসফিস করে বলে থাকে, ওখানে কোনো প্রশ্নের উত্তর না থাকার সম্ভাবনাই বেশি। এরই মধ্যে আবার অন্য কোথাও কিছু অংশ উচ্চ স্বরে পরিষ্কার করে বলে—বুঝে নেবেন এই অংশেই উত্তর রয়েছে। অনুশীলনের মাধ্যমে বিষয়টি রপ্ত করা সম্ভব।
খ। কণ্ঠস্বর/আওয়াজ পরিবর্তন
রেকর্ডিংয়ের কথোপকথনে বাস্তব পরিস্থিতি টেনে আনা হয়। যেমন ধরুন একই স্বরে কথা না বলে একাধিক স্বরে কথা বলে। সাধারণ ভঙ্গিতে কথা না বলে আবেগ, উচ্ছ্বাস, সুখ-দুঃখ প্রকাশ বা বিস্ময় নিয়ে কথা বলে ইত্যাদি। বিষয়গুলো না বুঝলে আপনি রেকর্ডিং বুঝবেন না মোটেই।
উদাহরণ
ছেলে: চল আমরা সবাই মিলে ওয়াল মার্টে যাই।
মেয়ে: কী বল! এখানে ওয়াল মার্ট আছে! (মেয়েটি আশা করেনি যে ওখানে ওয়াল মার্ট শপিং মল থাকবে। তাই সে উচ্ছ্বাসে, আবেগে অধিক উচ্চ স্বরে বলে উঠছে যে...)
টিপস: তবে খুশির কথা হলো যে যেখানে এভাবে কোনো আবেগ বা উচ্ছ্বাস সুখ-দুঃখ প্রকাশ বা বিস্ময় নিয়ে কথা হবে, সেখানে নিশ্চয় কোনো উত্তর থাকবে।
চলবে... (পর্ব-১.৫ আগামী সংখ্যায়)
এ টি এম মোজাফফর হোসেন, সেলটা ও মোস্তাকিম শুভ, সেলটা

তুরস্ক সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত তুর্কিয়ে বুরসলারি স্কলারশিপের আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই স্কলারশিপের আওতায় বিশ্বের যেকোনো দেশের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। তুরস্ক সরকার স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে বিনা খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের জন্য ঘোষিত বিশেষ বৃত্তির তালিকা চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে জানুয়ারি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির অর্থ পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের লিখিত (এমসিকিউ টাইপ) পরীক্ষার ফল চলতি মাসেই প্রকাশ করা হতে পারে। আজ রোববার আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান।
১২ ঘণ্টা আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ডি-ইউনিটের (সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ) স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সানজিদা ফারহানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে