
ময়মনসিংহের নান্দাইলে বরিল্যা কেরামত আলী উচ্চবিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের পাঁচ শিক্ষার্থী এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে তারা কেউ পাস করেনি। শুধু এ বছর নয়, গত বেশ কয়েক বছরেও কোনো নিয়মিত শিক্ষার্থী পাস করেনি। কলেজটিতে তিনজন শিক্ষক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
বরিল্যা কেরামত আলী উচ্চবিদ্যালয়ে ২০১৭ সালে কলেজ চালু হয়। ২০১৯ সালে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির মানবিক ও বিজ্ঞান শাখার পাঠদানের অনুমতি পায়। নান্দাইল সদর থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নে বরিল্যা কেরামত আলী উচ্চবিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজটি। অবকাঠামোর দিক থেকে ভালো থাকলেও শিক্ষার্থী ভর্তির আগ্রহ একেবারে নাজুক।
এদিকে বরিল্যা কেরামত আলী উচ্চবিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজে এ বছর একজন শিক্ষার্থীও ভর্তি হয়নি বলে জানা গেছে। ফলে দুই বছর এইচএসসি পরীক্ষায় কেউ অংশ নিতে পারবে না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিল্যা কেরামত আলী উচ্চবিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক রৌশমত আরা বেগম আজকের পত্রিকাকে মোবাইল ফোনে বলেন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত কলেজে না আসা ও আগ্রহ কম থাকায় ফলাফলের এমন বিপর্যয় হয়েছে। পাঁচজন শিক্ষার্থীই অনিয়মিত ছিল।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে