
ঈদুল আজহার পরপরই রাজশাহীর লাউয়ের বাজারে ধস নেমেছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকের মাঠ ও সড়কের পাশের অস্থায়ী বাজারে প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫ টাকা দরে। অথচ সেই একই লাউ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে পৌঁছে বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭৫ টাকায়।

অতিবৃষ্টি আর ঢলের পানিতে সৃষ্ট অকালবন্যায় হাওরাঞ্চলে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ঈদুল আজহার আগমনে কৃষকের ঘরে ছিল না উৎসবের আমেজ। অনেক কৃষক এবার কোরবানি দিতে পারেননি। পরিবারের সদস্যদের জন্য কিনতে পারেননি নতুন কাপড়ও।

বাগেরহাটে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে চুইঝালের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। মাংস রান্নায় অপরিহার্য এই মশলার দাম কেজি প্রতি ১০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। চাহিদা বাড়ায় পাইকারি ও খুচরা বাজারে বিক্রি বেড়েছে কয়েকগুণ, পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে চুই চাষও সম্প্রসারিত হচ্ছে।

নওগাঁর ধামইরহাটের কয়েক দিনের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে কয়েক হাজার একর পাকা বোরো ধানের খেত। এমন বিপর্যয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা।