
বাগানে থোকায় থোকায় ঝুলছে রসাল টসটসে রাশিয়ার বৈকানুর জাতের আঙুর। চোখকাড়া এই ফলন দেখতে বাগানে ভিড় করছেন আশপাশের মানুষ। বাগানের মালিক রাজশাহীর দুর্গাপুরের কৃষক মোখলেছুর রহমান। প্রথাগতভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু বা মাটিকে আঙুর চাষের জন্য উপযোগী মনে করা হয় না।

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় গ্রীষ্মকালীন শিম চাষ করে সাফল্যের মুখ দেখেছেন সিট আলোকডিহি গ্রামের কৃষক ময়েজ উদ্দিন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় দিনাজপুর অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খরিপ-২/২০২৬-২৭ মৌসুমে হাইব্রিড আর্লি-৪৫ জাতের শিম চাষ করে লাভের সম্ভাবনা তৈরি করেছেন তিনি।

বর্ষার পানিতে তলিয়ে যায় জমি, থেমে যায় চাষাবাদ। অথচ সেই পানির বুকেই গাওতায় ফলছে হলুদ, ঢ্যাঁড়স, শিম ও দেশি লাউ। মানিকগঞ্জের জয়নগর গ্রামের কৃষাণী আলপনা রানী সরকারের ভাসমান চাষে জলাবদ্ধ নিম্নাঞ্চলে বর্ষাকালেও সবজি ও মসলা উৎপাদনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পানিকে বাধা হিসেবে না দেখে লোকায়ত জ্ঞান কাজে লাগ

এবার মুগবেলাই উত্তরপাড়ায় প্রায় ২০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছেন হাসিবুর। জমি প্রস্তুত, চারা রোপণ, সার, কীটনাশক ও পরিচর্যাসহ তাঁর খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। ফলন ও বাজারদর ভালো থাকলে এবার এক লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি।