
বাম্পার ফলনেও তরমুজ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন আমতলীর চাষিরা। ক্রেতা সংকটে তাঁরা তরমুজ বিক্রি করতে পারছেন না। এতে শতকোটি টাকা লোকসানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার দক্ষিণ তাফালবাড়ী গ্রামের উদ্যমী যুবক মেহেদী হাসান এবার পাঁচ বিঘা জমিতে কলাইয়ের (খেসারি ডাল) চাষ করেছেন। প্রতি বিঘা জমিতে বীজ ও সার বাবদ তাঁর খরচ হয়েছে মাত্র দুই হাজার টাকা।

গত বছরের লোকসান কাটিয়ে উঠতে এবার বেশি জমিতে আলু চাষ করেছিলেন রংপুরের কৃষকেরা। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে জেলার অনেক এলাকার উঠতি আলুর খেত পানিতে তলিয়ে গেছে। খেতেই নষ্ট হচ্ছে একরের পর একর জমির আলু। এতে নতুন করে লোকসানের শঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক।

কৃষি বিভাগ জানায়, ভোলাহাট উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১ হাজার ৪১০ হেক্টর জমিতে মিষ্টিকুমড়া চাষ হয়েছে। এতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৯ হাজার ৯৯৪ টন। যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা।