ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার ৫ নম্বর বড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদে অসহায় ও দুস্থদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ভিজিডি (দুস্থ মহিলা উন্নয়ন) কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ এনে মানববন্ধন করেছেন এলাকার হতদরিদ্ররা।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন হয়। এতে শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, প্রকৃত অসহায় ও দরিদ্ররা দীর্ঘদিন ধরে ভিজিডি কার্ড থেকে বঞ্চিত হলেও অর্থ ও প্রভাব খাঁটিয়ে জনপ্রতিনিধিদের পছন্দের লোকজন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
বক্তারা বলেন, ‘আমরা দিন এনে দিন খাই, অথচ সরকারি চাল ও ভিজিডি কার্ড থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা টাকা নিয়ে পছন্দের লোকজনকে কার্ড দিয়েছেন।’ তবে তাঁরা কারও নাম বলেননি।

ভুক্তভোগী লতিফা বেগম, রেকসনা বেগম, মাকসুদা বেগম, নাছিমা বেগম, হামিদা বেগম, জাহানারা, খালেক হাওলাদার, চান মিয়া ও জাকির হোসেনসহ অনেকে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন।
তাঁরা দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে বড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাকসুদা বেগম বলেন, ‘ভিজিডি কার্ডের জন্য হাজারের অধিক আবেদন পাওয়া গেছে। মহিলা সংস্থা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যাচাই-বাছাই শেষে ৪০২ জনকে কার্ড প্রদান করেছেন। যাঁরা কার্ড পাননি, তাঁরা আন্দোলন কিংবা মানববন্ধন করবেন—এটাই স্বাভাবিক।’
অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘মানববন্ধন হয়েছে শুনেছি। যাঁরা মানববন্ধন করেছেন, তাঁদের কাল উপজেলায় আসতে বলা হয়েছে। আলোচনার পর বোঝা যাবে আসলে কার্ড বণ্টনে কোনো সমস্যা হয়েছিল কি না। কারণ, যে সময়ে তা দেওয়া হয়েছে, তখন আমি রাজাপুরের দায়িত্বে ছিলাম না।’

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার ৫ নম্বর বড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদে অসহায় ও দুস্থদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ভিজিডি (দুস্থ মহিলা উন্নয়ন) কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ এনে মানববন্ধন করেছেন এলাকার হতদরিদ্ররা।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন হয়। এতে শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, প্রকৃত অসহায় ও দরিদ্ররা দীর্ঘদিন ধরে ভিজিডি কার্ড থেকে বঞ্চিত হলেও অর্থ ও প্রভাব খাঁটিয়ে জনপ্রতিনিধিদের পছন্দের লোকজন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
বক্তারা বলেন, ‘আমরা দিন এনে দিন খাই, অথচ সরকারি চাল ও ভিজিডি কার্ড থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা টাকা নিয়ে পছন্দের লোকজনকে কার্ড দিয়েছেন।’ তবে তাঁরা কারও নাম বলেননি।

ভুক্তভোগী লতিফা বেগম, রেকসনা বেগম, মাকসুদা বেগম, নাছিমা বেগম, হামিদা বেগম, জাহানারা, খালেক হাওলাদার, চান মিয়া ও জাকির হোসেনসহ অনেকে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন।
তাঁরা দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে বড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাকসুদা বেগম বলেন, ‘ভিজিডি কার্ডের জন্য হাজারের অধিক আবেদন পাওয়া গেছে। মহিলা সংস্থা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যাচাই-বাছাই শেষে ৪০২ জনকে কার্ড প্রদান করেছেন। যাঁরা কার্ড পাননি, তাঁরা আন্দোলন কিংবা মানববন্ধন করবেন—এটাই স্বাভাবিক।’
অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘মানববন্ধন হয়েছে শুনেছি। যাঁরা মানববন্ধন করেছেন, তাঁদের কাল উপজেলায় আসতে বলা হয়েছে। আলোচনার পর বোঝা যাবে আসলে কার্ড বণ্টনে কোনো সমস্যা হয়েছিল কি না। কারণ, যে সময়ে তা দেওয়া হয়েছে, তখন আমি রাজাপুরের দায়িত্বে ছিলাম না।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
১ ঘণ্টা আগে