Ajker Patrika

ইজতেমার ময়দান হস্তান্তর, উত্তেজনা

টঙ্গী (গাজীপুর) গাজীপুর
আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২৩, ২৩: ৫৯
ইজতেমার ময়দান হস্তান্তর, উত্তেজনা

আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শেষ হয়েছে ২২ জানুয়ারি। এর আগে ১৩ থেকে ১৫ জানুয়ারি জুবায়েরপন্থীরা অংশ নেন বিশ্ব ইজতেমার তিন দিনের প্রথম পর্বে। পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইজতেমা শেষে আজ বুধবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে টঙ্গীর ইজতেমা মাঠ হস্তান্তরের কথা সাদপন্থীদের।

মাওলানা জুবায়েরপন্থীরা ময়দানে প্রবেশ করে সাদপন্থীদের ওপর আক্রমণ ও ময়দান দখলের চেষ্টার আশঙ্কায় আজ বুধবার সকাল থেকেই ময়দানের প্রতিটি প্রবেশমুখে পাহারা বসানো হয়। তখন হাতে লাঠি নিয়ে ময়দানে অবস্থান নিতে দেখা যায় সাদপন্থীদের। 

এর আগে ১৭ জানুয়ারি দুপুরে জুবায়েরপন্থীদের কাছ থেকে ময়দান বুঝে নেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান। পরে দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা পালনে সাদপন্থীদের কাছে ময়দান হস্তান্তর করেন।

২০১৮ সালে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের বিরোধের কারণে এবারও ইজতেমা দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাদ অনুসারীদের ইজতেমায় গণমাধ্যম সমন্বয়কারী দায়িত্বে থাকা মো. সায়েম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দ্বিতীয় পর্ব শেষে জেলা প্রশাসককে মাঠ বুঝিয়ে দেওয়ার আগপর্যন্ত মাঠ আমাদের দায়িত্বে ছিল। ময়দানের বিদেশি মুসল্লি এখনো রয়েছেন। আজ বুধবার সকালে জুবায়ের অনুসারীদের কয়েক শ লোক মাঠে ঢুকে মাঠ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে বিশৃঙ্খলায় এড়াতে ময়দানের প্রবেশপথে পাহারা বসানো হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপ তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়।’ 

তিনি আরও বলেন, তিন বছর ধরে প্রথম পর্বের ইজতেমায় অংশ নিচ্ছেন জুবায়েরপন্থীরা। পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী বছর আমরা (সাদপন্থীরা) প্রথম পর্বে ইজতেমা পালন করব। তাই ময়দানের মালপত্র আমাদের দায়িত্বে (জিম্মায়) থাকবে। নিয়মানুযায়ী ময়দানের মালামাল আমাদের হেফাজতে থাকবে। আমরা ময়দানে থাকা বাঁশ, কাঠ, শামিয়ানা, রড, মাইক, চট খুলে গোডাউনে নিজেদের হেফাজতে রাখব। 

জুবায়েরপন্থী গণমাধ্যম সমন্বয়কারীর দায়িত্বে থাকা মুফতি জহির ইবনে মুসলিম বলেন, প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী আজ বুধবার ময়দান হস্তান্তর করার কথা। সকাল থেকেই সাদপন্থীরা ময়দানের প্রতিটি গেটে লাঠি নিয়ে অবস্থান করতে দেখা যায়। কাউকেই ময়দানে প্রবেশ করতে দেননি তাঁরা। আমাদের কোনো লোকজন ময়দানে যাননি। 

বুধবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কেন্দ্রে সাদপন্থীদের শীর্ষ মুরব্বি ময়দানের দায়িত্বে থাকা ইঞ্জিনিয়ার মহিবুল্লাহ গাজীপুর জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমানের কাছে ময়দান বুঝিয়ে দেন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মামুনুল করিম, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সচিব আব্দুল হান্নান প্রমুখ।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার মাহবুব উজ জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বুধবার সকাল থেকেই ময়দানে অতিরিক্ত পুলিশ ছিল। শান্তিপূর্ণভাবে ময়দান হস্তান্তর করেছেন সাদপন্থীরা।’ 

আজ বুধবার সন্ধ্যায় ইজতেমা ময়দানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় সাদপন্থীদের কাছ থেকে ইজতেমা ময়দান বুঝে নেওয়া হয়েছে। মাঠ এখন প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে। সরকারের পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

মাত্র দেড় বছর আগে র‍্যাবে যোগদান করেছিলেন বিজিবি সদস্য মোতালেব

সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা: বিএনপিতে বিদ্রোহী অর্ধশতাধিক

রাস্তায় সাইকেল থামিয়ে মুদিদোকানিকে কুপিয়ে হত্যার পর ‘হামলাকারী’ নিহত গণপিটুনিতে

কূটনীতিকদের কাছে আগামীর পরিকল্পনা তুলে ধরল বিএনপি

ইডেন–বদরুন্নেসা–হোম ইকোনমিকস নিয়ে ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয়’ গড়তে চায় জামায়াত

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

বরিশাল-৫: ভোটের লড়াইয়ে হাতপাখার প্রতিদ্বন্দ্বী এখন ধানের শীষ

খান রফিক, বরিশাল 
মজিবর রহমান সরওয়ার ও সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম। ছবি: সংগৃহীত
মজিবর রহমান সরওয়ার ও সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম। ছবি: সংগৃহীত

বরিশাল-৫ (নগর ও সদর) আসনে প্রার্থীর সংখ্যা কমে এসেছে। এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলালের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

অ্যাডভোকেট হেলাল জানান, দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ও হাতপাখা প্রতীকের সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিমের সমর্থনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। তিনি বলেন, ‘চরমোনাইয়ের প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে আমি বরিশাল-৫ আসন থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছি। সবাই যেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করিমকে সমর্থন দিয়ে বিজয়ী করেন, সে আহ্বান জানাই।’

এর ফলে আসন্ন নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরওয়ারের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে থাকছেন হাতপাখার প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম।

এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও বিএনপির নেতারা বলছেন, এতে ধানের শীষের ভোটে কোনো প্রভাব পড়বে না।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই জামায়াতের আমিরের আসনে প্রার্থী দিইনি। অ্যাডভোকেট হেলাল আমাদের আমিরের প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন—এটাই রাজনীতির সৌন্দর্য।’ ভবিষ্যতে জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক জোটের সম্ভাবনা আছে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সেই সুযোগ আর নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কে, তা বড় বিষয় নয়। জনগণের ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে মানুষ পরিবর্তন চায়, বরিশালের মানুষও তার ব্যতিক্রম নয়।’

এ বিষয়ে জানতে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠজন ও নগর বিএনপির সাবেক সহসম্পাদক আনোয়ারুল হক তারিন বলেন, ‘নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবেই। আমাদের প্রার্থী যে কাউকে মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। জামায়াতের প্রার্থিতা প্রত্যাহারে বিএনপি মোটেও চিন্তিত নয়। কারণ, এই আসনের মানুষ বারবার বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহানগর সহকারী সেক্রেটারি ও মিডিয়া কমিটির আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন নাইস বলেন, ‘জামায়াতের এই সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই। এতে হাতপাখার বিজয় আরও সহজ হবে।’ তিনি বলেন, ‘ভোট জনগণের। তারা নতুন চাঁদাবাজদের চায় না, পরিবর্তন চায়।’

নগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, ‘মনোনয়ন প্রত্যাহার জামায়াতের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। জনগণ তা বিবেচনায় নেবে। তবে আমরা বিশ্বাস করি, এই আসনে ধানের শীষ বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবে। ফয়জুল করিম প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও আমরা উদ্বিগ্ন নই।’

উল্লেখ্য, বরিশাল-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম একাধিকবার এই আসন থেকে নির্বাচন করেছেন। সর্বশেষ সিটি নির্বাচনে তিনি হামলার শিকার হলে তা দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়। তিনি ইসলামী আন্দোলনের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা ও চরমোনাই পীরের আপন ভাই। সে কারণে বরিশাল-৫ আসনকে ইসলামী আন্দোলন বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

মাত্র দেড় বছর আগে র‍্যাবে যোগদান করেছিলেন বিজিবি সদস্য মোতালেব

সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা: বিএনপিতে বিদ্রোহী অর্ধশতাধিক

রাস্তায় সাইকেল থামিয়ে মুদিদোকানিকে কুপিয়ে হত্যার পর ‘হামলাকারী’ নিহত গণপিটুনিতে

কূটনীতিকদের কাছে আগামীর পরিকল্পনা তুলে ধরল বিএনপি

ইডেন–বদরুন্নেসা–হোম ইকোনমিকস নিয়ে ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয়’ গড়তে চায় জামায়াত

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

লক্ষ্মীপুরে মাদকসেবীদের হামলায় আহত কলেজছাত্রের মৃত্যু

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮: ৪১
নিহত আশরাফুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
নিহত আশরাফুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সন্দেহের জেরে ‘মাদকাসক্ত’ একদল যুবকের হামলায় আহত কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল ‎মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও হাজিমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মমিনুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ‎আশরাফুল রায়পুর উপজেলার উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরবংশী গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে ও রায়পুর রুস্তম আলী কলেজের ডিগ্রি শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

‎পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৪ জানুয়ারি রাতে উত্তর চরবংশী গ্রামের ডালি কান্দি এলাকায় সিকদার বাড়ির পূর্ব ডালি কান্দি বিলে নাহিদ ব্যাপারী, শাহিন ব্যাপারীসহ মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আশরাফুলের ওপর হামলা করেন। এ সময় তাঁরা তাঁকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে আহত ও শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তাঁরা তাঁকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যান।

খবর পেয়ে সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনায় ১৬ জানুয়ারি দুপুরে আশরাফুলের বাবা আজিজুল বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ১৬ জনের বিরুদ্ধে রায়পুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযান চালিয়ে শাহিন ব্যাপারীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

‎অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন নাহিদ ব্যাপারী, হাবিব ব্যাপারী, সুফিয়ান ব্যাপারী, নজু ব্যাপারী, শাকিল ব্যাপারী, সোহাগ ব্যাপারী, মোক্তার পাটওয়ারী, শাকিল পাইক, রাকিব পাইক, শামিম। তাঁরা উত্তর চরবংশীসহ আশপাশ এলাকার বাসিন্দা।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার কিছুদিন আগে শাহিনসহ তিনজনকে মাদকসহ গোয়েন্দা পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। শাহিন সন্দেহ করেন আশরাফুল তথ্য দিয়ে তাঁকে ধরিয়ে দেন। এতে ১৪ জানুয়ারি শাহিন জামিনে মুক্ত হয়ে এসেই সঙ্গীদের নিয়ে আশরাফুলের ওপর হামলা চালান। গ্রেপ্তার শাহিন উত্তর চরবংশী গ্রামের ব্যাপারী বাড়ির মোস্তফা ব্যাপারীর ছেলে।

‎আশরাফুলের চাচাতো ভাই ফারহান খান নাদিম বলেন, মাদক কারবার ও সেবনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা দলবল নিয়ে আশরাফুলের ওপর হামলা চালান। তাঁরা আশরাফুলের মৃত্যু নিশ্চিত করতে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে হাতুড়িসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে জখম করেন। হামলায় আশরাফুলের মস্তিষ্কে প্রচণ্ড জখম হয়। তিনি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। সেখানেই তিনি মারা যান।

‎হাজিমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মমিনুল হক বলেন, গ্রেপ্তার শাহিনসহ অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মাদক কারবার ও সেবনের সঙ্গে জড়িত। ঘটনার কিছুদিন আগে ডিবি পুলিশ শাহিনকে গ্রেপ্তার করে। শাহিন ধারণা করেন যে আশরাফুল তাঁকে ধরিয়ে দিয়েছেন। এতে তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নিয়ে আশরাফুলের ওপর হামলা চালান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আশরাফুল মারা গেছেন। মামলায় অভিযুক্ত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

মাত্র দেড় বছর আগে র‍্যাবে যোগদান করেছিলেন বিজিবি সদস্য মোতালেব

সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা: বিএনপিতে বিদ্রোহী অর্ধশতাধিক

রাস্তায় সাইকেল থামিয়ে মুদিদোকানিকে কুপিয়ে হত্যার পর ‘হামলাকারী’ নিহত গণপিটুনিতে

কূটনীতিকদের কাছে আগামীর পরিকল্পনা তুলে ধরল বিএনপি

ইডেন–বদরুন্নেসা–হোম ইকোনমিকস নিয়ে ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয়’ গড়তে চায় জামায়াত

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার, চারজন গ্রেপ্তার

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ০০: ২৪
ভাটারা থানার ভেতর থেকে মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার চারজন। ছবি: ডিএমপি
ভাটারা থানার ভেতর থেকে মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার চারজন। ছবি: ডিএমপি

রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)। অপর দুজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

ভাটারা থানা সূত্রে জানা যায়, ১০ জানুয়ারি ভাটারা থানার সীমানার মধ্যে অবস্থিত গ্যারেজ থেকে একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় একটি চুরির মামলা করা হয়। মামলাটি তদন্তকালে থানা-পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চুরির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্ত করে। আজ দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দি ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের সময় চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা একটি আন্তজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা মোটরসাইকেল চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ভাটারা থানা-পুলিশ।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

মাত্র দেড় বছর আগে র‍্যাবে যোগদান করেছিলেন বিজিবি সদস্য মোতালেব

সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা: বিএনপিতে বিদ্রোহী অর্ধশতাধিক

রাস্তায় সাইকেল থামিয়ে মুদিদোকানিকে কুপিয়ে হত্যার পর ‘হামলাকারী’ নিহত গণপিটুনিতে

কূটনীতিকদের কাছে আগামীর পরিকল্পনা তুলে ধরল বিএনপি

ইডেন–বদরুন্নেসা–হোম ইকোনমিকস নিয়ে ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয়’ গড়তে চায় জামায়াত

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে ভয়ংকর

সবুর শুভ, চট্টগ্রাম ও সবুজ শর্মা শাকিল, সীতাকুণ্ড
নিহত র‍্যাব সদস্য আব্দুল মোতালেবের পরিবারের আহাজারি। গতকাল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা স্টিল মিল এলাকায় র‍্যাব-৭ কার্যালয়ে। ছবি: আজকের পত্রিকা
নিহত র‍্যাব সদস্য আব্দুল মোতালেবের পরিবারের আহাজারি। গতকাল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা স্টিল মিল এলাকায় র‍্যাব-৭ কার্যালয়ে। ছবি: আজকের পত্রিকা

সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন গড়ে তোলার বেপরোয়া প্রতিযোগিতায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন অনেকটা অসহায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নব্বইয়ের দশকে সরকারি এসব পাহাড়ে প্রথম হাত দেন সন্ত্রাসী আলী আক্কাস। তাঁর সহযোগী ছিলেন উল্লিখিত সন্ত্রাসীরা। তার আগে এলাকাটি ছিল নয়নাভিরাম সবুজে আচ্ছাদিত গহিন পাহাড়। ২০০২ সাল থেকে এলাকাটিতে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস বসতি গড়ে তোলেন। সরকারি বিভিন্ন সুবিধা আদায় এবং বৈধতা দাঁড় করাতে ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম মহানগর ছিন্নমূল সমন্বয় সংগ্রাম পরিষদ নামে একটি সংগঠনও গড়ে তোলেন তিনি। এরপর কথিত বন্দুকযুদ্ধে আলী আক্কাস নিহত হলে এলাকার নিয়ন্ত্রণ একেক সময় একেক জনের হাতে চলে যায়। এখানে প্লট বিক্রি, আবাসন ও চাঁদাবাজির জন্য রাজনৈতিক দলের প্রশ্রয় নিয়ে সন্ত্রাসীরাও জায়গাটি নিজেদের কবজায় রাখতে মরিয়া হয়ে ওঠে। দেখতে দেখতে এখানে প্রায় দেড় লাখ মানুষের বসতি গড়ে উঠেছে।

২০ হাজার থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত একেকটি সরকারি পাহাড়ি প্লট বিক্রি করে ওই সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। ঘনবসতিপূর্ণ ওই এলাকার ভোটাররা যেকোনো নির্বাচনে ভোট দেন তাদের গডফাদারদের কথামতো। যখন যে দল ক্ষমতায় বসে সেই দলের আনুকূল্য নিয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠে তারা। মূলত উল্লিখিত জনপদের ভোটাররা রাজনৈতিক দল কিংবা নেতার ‘ভোটের ঘুঁটি’ হিসেবে ব্যবহার হয় সব সরকারের আমলে। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনের ৪ লাখ ২৭ হাজার ২০৬ ভোটারের বড় অংশ উল্লিখিত এলাকার। এমনটি বলেছেন স্থানীয় মানুষেরা। সন্ত্রাসীদের হাতে সর্বশেষ র‍্যাব কর্মকর্তা মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া নিহত হওয়ার পর জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাস আবারও সামনে আসে।

এ বিষয়ে র‍্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান বলেন, ‘এই জঙ্গল সলিমপুর, যেটা সন্ত্রাসীদের একটা আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে। সন্ত্রাসীদের এই অভয়াশ্রম আমরা অবশ্যই নির্মূল করব।’

তথ্য বলছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ইয়াসিন সীতাকুণ্ডের এমপি এস এম আল মামুনের আশ্রয়ে ছিলেন। ইয়াসিন এলাকার আলীনগর বহুমুখী সমিতির নেতৃত্বে রয়েছেন। অন্যদিকে মহানগর ছিন্নমূল বস্তিবাসী সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে রয়েছেন কাজী মশিউর, গাজী সাদেক। যাঁরা প্লট কিনেছেন তাঁরাই এ দুই সমিতির সদস্য। বর্তমানে এ দুটি সমিতিতে প্রায় ৩০ হাজার সদস্য/পরিবার রয়েছে। আলী নগরের নেতৃত্ব ইয়াসিনের হাতে থাকলেও জঙ্গল সলিমপুরের বাকি অংশের নেতৃত্ব রয়েছে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রোকন মেম্বারের হাতে।

সরকারি পাহাড় কেটে গড়া অবৈধ এই সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে সন্ত্রাসী বাহিনী অস্ত্র হাতে পাহারা দেয়। তাদের পাহারা অতিক্রম করে যতবারই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অভিযান চালাতে গেছেন, ততবারই তাঁরা হামলা শিকার হয়েছেন। হামলা থেকে বাদ যাননি সাংবাদিকেরাও।

গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দখল-বেদখল নিয়ে সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।

সীতাকুণ্ড থানা-পুলিশ জানায়, ক্ষমতার পটপরিবর্তনের গত ১৬ মাসে জঙ্গল সলিমপুরে শ্রমিক দল নেতা মীর আরমানসহ চারজন খুন হন। মূলত পাহাড়ি এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বজায় রাখতে এসব খুনের ঘটনা ঘটে। জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর ও ছিন্নমূল এলাকা ইয়াসিনের দখলে ছিল। তবে গত আগস্টের পর আলীনগর দখলে নিতে হামলা চালান যুবদলের নেতা রোকন উদ্দিন ও তাঁর বাহিনী। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন কাজী মশিউর, গাজী সাদেক ও গোলাম গফুর। তাঁরা আলীনগর দখল করতে বেশ কয়েক দফা হামলার ঘটনা ঘটান। কিন্তু ইয়াসিন বাহিনীর কাছে ধরাশায়ী হন রোকন উদ্দিন ও তাঁর অনুসারী বাহিনীর সদস্যরা। সর্বশেষ গত ৪ অক্টোবর ভোরে আলীনগর দখলের চেষ্টাকালে ইয়াসিন বাহিনীর লোকজনের সঙ্গে রোকন বাহিনীর লোকজনের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। তখন রোকন উদ্দিনের অনুসারী খলিলুর রহমানকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাইনুল ইসলাম বলেন, র‍্যাবের ওপর হামলা ও হতাহতের ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। হামলায় জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও অভিযানের বিষয়ে পরে জানানো হবে।

এদিকে ইয়াসিনের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্র, ধর্ষণ, পরিবেশ আইন, প্রশাসনের ওপর হামলাসহ তিন ডজনের বেশি মামলা রয়েছে। আগে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত থাকলেও বর্তমানে ভোল পাল্টেছেন তিনি। কাজী মশিউর আওয়ামী লীগের সমর্থক ও শীর্ষ সন্ত্রাসী। সীতাকুণ্ডের সাবেক এমপি এস এম আল মামুনের অনুসারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য গফুর ও আরিফ হোসেন। তাঁরা সীতাকুণ্ডের সাবেক এমপি দিদারুল আলম দিদারের সহযোগী হিসেবে পরিচিত। আর হাল আমলে আলোচিত যুবদলের নেতা রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার চট্টগ্রামের একটি আসনের বিএনপির প্রার্থীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। ওই নেতার সঙ্গে তাঁর অনেক ছবি ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগরে বড় ধরনের অভিযান চালালেও কোনো লাভ হয়নি। র‍্যাব, পুলিশ, ইউএনও, এসি ল্যান্ড হামলার শিকার হয়ে চুপসে যান। ওই সময় রাস্তা পর্যন্ত কেটে ফেলে ইয়াসিনের লোকজন। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে অভিযান স্থগিত করতে বাধ্য করে জেলা প্রশাসনকে। চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী লিংক রোডের উত্তর পাশে ৩ হাজার ১০০ একর জায়গায় জঙ্গল সলিমপুরের অবস্থান। সীতাকুণ্ডে এটির অবস্থান হলেও এটি অনেকটা নগরের ভেতরেই। ৩ হাজার ১০০ একর খাসজমির বর্তমান মূল্য প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া জঙ্গল সলিমপুরে গাছসহ বিভিন্ন সরকারি সম্পদ রয়েছে। এসব সরকারি সম্পদ পাহাড়খেকো, ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীরা দখল করে রেখেছেন। এখানে প্রতিদিন ধ্বংস করা হচ্ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ।

২০২৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর জঙ্গল সলিমপুর ছিন্নমূল বড়ইতলা ২ নম্বর সমাজ এলাকায় পাহাড় থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শেষে ফেরার পথে হামলায় জেলা প্রশাসনের তৎকালীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুক, সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফায়েল আহমেদসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশও গুলি ছোড়ে। ২০২২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি র‍্যাবের সঙ্গে জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছিল। একই বছরের ২ আগস্ট অবৈধ ঘরবাড়ি উচ্ছেদ অভিযান শেষে ফেরার পথে বাধা দেওয়া হয় জেলা প্রশাসনের লোকজনকে। ২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আলীনগরে অবৈধ বসতি ভাঙতে যায় প্রশাসন। সেই সময় আলীনগরের সন্ত্রাসীরা পুলিশের ওপর হামলা করে। ২০১৯ সালে একবার অভিযানে গিয়ে এলাকাটিতে হামলার শিকার হয় পরিবেশ অধিদপ্তরের টিম।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

মাত্র দেড় বছর আগে র‍্যাবে যোগদান করেছিলেন বিজিবি সদস্য মোতালেব

সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা: বিএনপিতে বিদ্রোহী অর্ধশতাধিক

রাস্তায় সাইকেল থামিয়ে মুদিদোকানিকে কুপিয়ে হত্যার পর ‘হামলাকারী’ নিহত গণপিটুনিতে

কূটনীতিকদের কাছে আগামীর পরিকল্পনা তুলে ধরল বিএনপি

ইডেন–বদরুন্নেসা–হোম ইকোনমিকস নিয়ে ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয়’ গড়তে চায় জামায়াত

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত