Ajker Patrika

রাস্তায় সাইকেল থামিয়ে মুদিদোকানিকে কুপিয়ে হত্যার পর ‘হামলাকারী’ নিহত গণপিটুনিতে

­যশোর প্রতিনিধি
আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ২২: ২৩
রাস্তায় সাইকেল থামিয়ে মুদিদোকানিকে কুপিয়ে হত্যার পর ‘হামলাকারী’ নিহত গণপিটুনিতে
রফিকুল ইসলাম ও আব্দুল আলিম পলাশ। ছবি: সংগৃহীত

যশোরে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের একজন রফিকুল ইসলাম (৪৫)। তিনি যশোর সদরের চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের জগহাটি গ্রামের তবজেল মল্লিকের ছেলে; অন্যজন আব্দুল আলিম পলাশ (৩৫)। তিনি একই গ্রামের হজরত আলীর ছেলে। পেশায় তিনি একজন মুদিদোকানদার। পলাশ ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে রফিকুল ইসলামের মাথা ও মুখমণ্ডলে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেন। পরে রফিকুলের স্বজনদের মারপিটে নিহত হন পলাশ।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে চৌগাছা উপজেলার সলুয়া কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আবুল বাশার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রফিকুল ও পলাশের মধ্যে জমিজমা নিয়ে দুই বছর ধরে বিরোধ চলছিল। রফিকুল ইসলাম বাইসাইকেলযোগে বাড়ি থেকে দোকানে যাচ্ছিলেন। এ সময় চৌগাছা থানাধীন সলুয়া কলেজের সামনে পৌঁছালে আব্দুল আলিম পলাশ (৩৪) নামের এক ব্যক্তি তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালান। পলাশ ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে রফিকুল ইসলামের মাথা ও মুখমণ্ডলে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেন। হামলার পর ঘটনাস্থলে রফিকুল ইসলাম লুটিয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডের চিকিৎসক রফিকুল ইসলামের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় পাঠান। ঢাকা নেওয়ার পথে সন্ধ্যায় নড়াইলে তিনি মারা যান। পরে স্বজনেরা তাঁকে যশোর এনে হাসপাতালের মর্গে রাখেন।

এদিকে রফিকুলের ওপর হামলার ঘটনায় তাঁর স্বজন ও স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে হামলাকারী পলাশকে ঘিরে ফেলে। বিক্ষুব্ধ জনতার বেধড়ক পিটুনিতে পলাশ গুরুতর আহত হন। পরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পলাশকে মৃত ঘোষণা করেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত