সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি। গতকাল মঙ্গলবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে দলটির মাত্র ২১ ‘বিদ্রোহীর’ প্রার্থিতা প্রত্যাহারের খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থাকছেন বিএনপির অন্তত ৬১ জন।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল গতকাল। আজ বুধবার প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা।
৩০০ সংসদীয় আসন থেকে ঠিক কতজন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন, গতকাল রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন থেকে সে হিসাব দেওয়া হয়নি। তবে বিভিন্ন জেলায় আজকের পত্রিকার প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের খবর পাওয়া যায়।
বিএনপি ছাড়াও জামায়াতে ইসলামীর বিদ্রোহীদের মধ্যে অন্তত ২৫ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এই দলেও শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকছেন একজন। দলের নির্দেশ শর্তেও মৌলভীবাজার-৩ আসনে জামায়াতের নেতা আব্দুল মন্নান প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।
আর জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থেকে যাচ্ছেন অনেক দলের বিদ্রোহী প্রার্থীও।
বিএনপির যাঁরা প্রত্যাহার করলেন
বিএনপির বিদ্রোহীদের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন রাজশাহী-১ আসনে সুলতানুল ইসলাম তারেক, পাবনা-৪ আসনে সিরাজুল ইসলাম সরদার, ঝালকাঠি-১ গোলাম আযম সৈকত, ঠাকুরগাঁও-২ জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী, মুন্সিগঞ্জ-১ মীর সরাফত আলী সপু, নীলফামারী-১ রফিকুল ইসলাম, নাটোর-২ সাবিনা ইয়াসমিন, নাটোর-১ এ এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, সুনামগঞ্জ-৫ মিজানুর রহমান চৌধুরী, নেত্রকোন-৪ তাহমিনা জামান শ্রাবণী, বাগেরহাট-২ এম এ সালাম, যশোর-১ হাসান জহির, কুমিল্লা-১ খন্দকার মারুফ হোসেন, ভোলা-১ গোলাম নবী আলমগীর, কুমিল্লা-৬ মো. আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, সিলেট-৬ ফয়সল আহমদ চৌধুরী, গাজীপুর-২ মো. সালাহউদ্দিন সরকার, জয়পুরহাট-২ গোলাম মোস্তফা, নোয়াখালী-৫ হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ, মানিকগঞ্জ-২ আবিদুর রহমান রোমান, চট্টগ্রাম-৬ গোলাম আকবর খোন্দকার।
তবে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও পরে বিদ্রোহী অন্য প্রার্থীদের সমর্থন দিয়েছেন একজন। নাটোর-১ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এ এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। তিনি অন্য এক বিদ্রোহী প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুকে সমর্থন দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বিএনপির বিদ্রোহী যাঁরা ভোটের মাঠে
ঢাকা-১২ আসনে সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা-১৪ সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক, পাবনা-৪ ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু, পাবনা-৩ চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, নওগাঁ-১ ছালেক চৌধুরী, নওগাঁ-৩ পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি, নওগা-৬ সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির, গাইবান্ধা-৫ গোলাম শহীদ রঞ্জু, গাইবান্ধা-৫ নিশাদুজ্জামান নিশাদ, দিনাজপুর-২ আ ন ম বজলুর রশিদ কালু, দিনাজপুর-৫ এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, দিনাজপুর-৫ জাকারিয়া বাচ্চু, ঝালকাঠি-১ মঈন আলম ফিরোজী, ঝালকাঠি-১ সাব্বির আহমেদ, ঝিনাইদহ-৪ সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, কুষ্টিয়া-১ নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা, নীলফামারী-৪ রিয়াদ আরফান সরকার রানা, নীলফামারী-৪ এস এম মামুনুর রশীদ, নাটোর-১ তাইফুল ইসলাম টিপু, নাটোর-১ ইয়াসির আরশাদ রাজন, নাটোর-৩ দাউদার মাহমুদ, সুনামগঞ্জ-৩ ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, নেত্রকোনা-৩ দেলোয়ার হোসেন ভুইয়া দুলাল, কুমিল্লা-২ আব্দুল মতিন, কুমিল্লা-৭ আতিকুল আলম শাওন, কুমিল্লা-৯ সামিরা আজিম দোলা, বাগেরহাট-১ এম এ এইচ সেলিম, বাগেরহাট-১ মাসুদ রানা, বাগেরহাট-২ এম এ এইচ সেলিম, বাগেহাট-৪ কাজী খায়রুজ্জামান শিপন, যশোর-২ জহুরুল ইসলাম, যশোর-৫ শহীদ ইকবাল হোসেন, বরিশাল-১ আব্দুস সোবাহান, পটুয়াখালী-৩ হাসান মামুন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আবদুল খালেক, গোপালগঞ্জ-২ এম এইচ খান মঞ্জু ও সিরাজুল ইসলাম সিরাজ চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় থেকে গেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ নাসির উদ্দিন হাজারী, মৌলভীবাজার-৪ মহসিন রশিদ মিয়া মধু, চাঁদপুর-৪ এম এ হান্নান, টাঙ্গাইল-১ বিএনপির বহিষ্কৃত মোহাম্মদ আলী ও কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ, টাঙ্গাইল-৩ সাবেক মন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৩ মো. আব্দুল হালিম, টাঙ্গাইল-৫ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, টাঙ্গাইল-৮ সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল, সাতক্ষীরা-৩ ডা. শহিদুল ইসলাম, মাদারীপুর-১ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী লাভলু, মাদারীপুর-১ শিবচর উপজেলা বিএনপির সদস্য কামাল জামান নুরউদ্দিন মোল্লা, মাদারীপুর-২ মিল্টন বৈদ্য, মাদারীপুর-২ শহীদুল ইসলাম খান, নারায়ণগঞ্জ-৩ সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম ও সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ-২ আতাউর রহমান আঙ্গুর, নারায়ণগঞ্জ-৪ সাবেক এমপি শাহ আলম এবং চাঁদপুর-৪ এম এ হান্নান।
জামায়াতে ইসলামীর যাঁরা প্রত্যাহার করেছেন
মুন্সিগঞ্জ-২ আসনে এ বি এম ফজলুল করিম, খুলনা-৪ মো. কবিরুল ইসলাম, হবিগঞ্জ-১ মো. শাহজাহান আলী, নাটোর-৩ সাইদুর রহমান, সুনামগঞ্জ-৩ ইয়াছিন খান, নেত্রকোনা-২ এনামুল হক, ঢাকা-৯ কবির আহমেদ, ঢাকা-১৮ মোহাম্মদ আশরাফুল হক, ঢাকা-১৯ মো. আফজাল হোসাইন, ঢাকা-২০ আব্দুর রউফ, গাজীপুর-২ মোহাম্মদ হোসেন আলী, গাজীপুর-৩ মো. জাহাঙ্গীর আলম, শরীয়তপুর-১ মোশাররফ হোসেন মাসুদ, সিলেট-৩ লোকমান আহমদ, সিলেট-৫ মো. আনওয়ার হোসাইন খান, সিলেট-২ মো. আব্দুল হান্নান, গোপালগঞ্জ-৩ এস এম রেজাউল করিম, সিরাজগঞ্জ-৩ মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ, সিরাজগঞ্জ-৬ মো. মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২ ইয়াছিন আলী সরকার, মৌলভীবাজার-৪ মোহাম্মদ আব্দুর রব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ মো. মোবারক হোসাইন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ মো. জোনায়েদ হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আবদুল বাতেন, কুমিল্লা-৭ মোশাররফ হোসেন, নোয়াখালী-২ সাইয়েদ আহমদ, নোয়াখালী-৬ শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, মাদারীপুর-১ মো. সরোয়ার হোসেন, মানিকগঞ্জ-৩ মুহাম্মদ মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন, রাঙামাটি মোখতার আহমেদ ও বরগুনা-১ মহিবুল্লাহ হারুণ।
নির্বাচনে ১০২ আসনে গণঅধিকার পরিষদের মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন ১০৪ জন। সর্বমোট ১৩ জন প্রার্থী প্রত্যাহার করায় চূড়ান্তভাবে ট্রাক প্রতীকে লড়বেন ৯১ জন।
আর এনসিপি নেতাদের মধ্যে ঝালকাঠি-১ মাহমুদা মিতু, চুয়াডাঙ্গা-১ মোল্লা ফারুক এহসান, ঢাকা-৫ এস এম শাহরিয়া ও ঢাকা-৭ আসনে তারেক আহাম্মেদ আদেল প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তবে প্রত্যাহার করেননি ফরিদপুর-১ আসনে জেলা এনসিপির আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান।

দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি। গতকাল মঙ্গলবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে দলটির মাত্র ২১ ‘বিদ্রোহীর’ প্রার্থিতা প্রত্যাহারের খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থাকছেন বিএনপির অন্তত ৬১ জন।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল গতকাল। আজ বুধবার প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা।
৩০০ সংসদীয় আসন থেকে ঠিক কতজন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন, গতকাল রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন থেকে সে হিসাব দেওয়া হয়নি। তবে বিভিন্ন জেলায় আজকের পত্রিকার প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের খবর পাওয়া যায়।
বিএনপি ছাড়াও জামায়াতে ইসলামীর বিদ্রোহীদের মধ্যে অন্তত ২৫ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এই দলেও শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকছেন একজন। দলের নির্দেশ শর্তেও মৌলভীবাজার-৩ আসনে জামায়াতের নেতা আব্দুল মন্নান প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।
আর জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থেকে যাচ্ছেন অনেক দলের বিদ্রোহী প্রার্থীও।
বিএনপির যাঁরা প্রত্যাহার করলেন
বিএনপির বিদ্রোহীদের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন রাজশাহী-১ আসনে সুলতানুল ইসলাম তারেক, পাবনা-৪ আসনে সিরাজুল ইসলাম সরদার, ঝালকাঠি-১ গোলাম আযম সৈকত, ঠাকুরগাঁও-২ জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী, মুন্সিগঞ্জ-১ মীর সরাফত আলী সপু, নীলফামারী-১ রফিকুল ইসলাম, নাটোর-২ সাবিনা ইয়াসমিন, নাটোর-১ এ এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, সুনামগঞ্জ-৫ মিজানুর রহমান চৌধুরী, নেত্রকোন-৪ তাহমিনা জামান শ্রাবণী, বাগেরহাট-২ এম এ সালাম, যশোর-১ হাসান জহির, কুমিল্লা-১ খন্দকার মারুফ হোসেন, ভোলা-১ গোলাম নবী আলমগীর, কুমিল্লা-৬ মো. আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, সিলেট-৬ ফয়সল আহমদ চৌধুরী, গাজীপুর-২ মো. সালাহউদ্দিন সরকার, জয়পুরহাট-২ গোলাম মোস্তফা, নোয়াখালী-৫ হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ, মানিকগঞ্জ-২ আবিদুর রহমান রোমান, চট্টগ্রাম-৬ গোলাম আকবর খোন্দকার।
তবে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও পরে বিদ্রোহী অন্য প্রার্থীদের সমর্থন দিয়েছেন একজন। নাটোর-১ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এ এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। তিনি অন্য এক বিদ্রোহী প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুকে সমর্থন দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বিএনপির বিদ্রোহী যাঁরা ভোটের মাঠে
ঢাকা-১২ আসনে সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা-১৪ সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক, পাবনা-৪ ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু, পাবনা-৩ চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, নওগাঁ-১ ছালেক চৌধুরী, নওগাঁ-৩ পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি, নওগা-৬ সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির, গাইবান্ধা-৫ গোলাম শহীদ রঞ্জু, গাইবান্ধা-৫ নিশাদুজ্জামান নিশাদ, দিনাজপুর-২ আ ন ম বজলুর রশিদ কালু, দিনাজপুর-৫ এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, দিনাজপুর-৫ জাকারিয়া বাচ্চু, ঝালকাঠি-১ মঈন আলম ফিরোজী, ঝালকাঠি-১ সাব্বির আহমেদ, ঝিনাইদহ-৪ সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, কুষ্টিয়া-১ নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা, নীলফামারী-৪ রিয়াদ আরফান সরকার রানা, নীলফামারী-৪ এস এম মামুনুর রশীদ, নাটোর-১ তাইফুল ইসলাম টিপু, নাটোর-১ ইয়াসির আরশাদ রাজন, নাটোর-৩ দাউদার মাহমুদ, সুনামগঞ্জ-৩ ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, নেত্রকোনা-৩ দেলোয়ার হোসেন ভুইয়া দুলাল, কুমিল্লা-২ আব্দুল মতিন, কুমিল্লা-৭ আতিকুল আলম শাওন, কুমিল্লা-৯ সামিরা আজিম দোলা, বাগেরহাট-১ এম এ এইচ সেলিম, বাগেরহাট-১ মাসুদ রানা, বাগেরহাট-২ এম এ এইচ সেলিম, বাগেহাট-৪ কাজী খায়রুজ্জামান শিপন, যশোর-২ জহুরুল ইসলাম, যশোর-৫ শহীদ ইকবাল হোসেন, বরিশাল-১ আব্দুস সোবাহান, পটুয়াখালী-৩ হাসান মামুন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আবদুল খালেক, গোপালগঞ্জ-২ এম এইচ খান মঞ্জু ও সিরাজুল ইসলাম সিরাজ চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় থেকে গেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ নাসির উদ্দিন হাজারী, মৌলভীবাজার-৪ মহসিন রশিদ মিয়া মধু, চাঁদপুর-৪ এম এ হান্নান, টাঙ্গাইল-১ বিএনপির বহিষ্কৃত মোহাম্মদ আলী ও কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম আজাদ, টাঙ্গাইল-৩ সাবেক মন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৩ মো. আব্দুল হালিম, টাঙ্গাইল-৫ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, টাঙ্গাইল-৮ সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল, সাতক্ষীরা-৩ ডা. শহিদুল ইসলাম, মাদারীপুর-১ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী লাভলু, মাদারীপুর-১ শিবচর উপজেলা বিএনপির সদস্য কামাল জামান নুরউদ্দিন মোল্লা, মাদারীপুর-২ মিল্টন বৈদ্য, মাদারীপুর-২ শহীদুল ইসলাম খান, নারায়ণগঞ্জ-৩ সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম ও সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ-২ আতাউর রহমান আঙ্গুর, নারায়ণগঞ্জ-৪ সাবেক এমপি শাহ আলম এবং চাঁদপুর-৪ এম এ হান্নান।
জামায়াতে ইসলামীর যাঁরা প্রত্যাহার করেছেন
মুন্সিগঞ্জ-২ আসনে এ বি এম ফজলুল করিম, খুলনা-৪ মো. কবিরুল ইসলাম, হবিগঞ্জ-১ মো. শাহজাহান আলী, নাটোর-৩ সাইদুর রহমান, সুনামগঞ্জ-৩ ইয়াছিন খান, নেত্রকোনা-২ এনামুল হক, ঢাকা-৯ কবির আহমেদ, ঢাকা-১৮ মোহাম্মদ আশরাফুল হক, ঢাকা-১৯ মো. আফজাল হোসাইন, ঢাকা-২০ আব্দুর রউফ, গাজীপুর-২ মোহাম্মদ হোসেন আলী, গাজীপুর-৩ মো. জাহাঙ্গীর আলম, শরীয়তপুর-১ মোশাররফ হোসেন মাসুদ, সিলেট-৩ লোকমান আহমদ, সিলেট-৫ মো. আনওয়ার হোসাইন খান, সিলেট-২ মো. আব্দুল হান্নান, গোপালগঞ্জ-৩ এস এম রেজাউল করিম, সিরাজগঞ্জ-৩ মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ, সিরাজগঞ্জ-৬ মো. মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২ ইয়াছিন আলী সরকার, মৌলভীবাজার-৪ মোহাম্মদ আব্দুর রব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ মো. মোবারক হোসাইন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ মো. জোনায়েদ হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আবদুল বাতেন, কুমিল্লা-৭ মোশাররফ হোসেন, নোয়াখালী-২ সাইয়েদ আহমদ, নোয়াখালী-৬ শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, মাদারীপুর-১ মো. সরোয়ার হোসেন, মানিকগঞ্জ-৩ মুহাম্মদ মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন, রাঙামাটি মোখতার আহমেদ ও বরগুনা-১ মহিবুল্লাহ হারুণ।
নির্বাচনে ১০২ আসনে গণঅধিকার পরিষদের মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন ১০৪ জন। সর্বমোট ১৩ জন প্রার্থী প্রত্যাহার করায় চূড়ান্তভাবে ট্রাক প্রতীকে লড়বেন ৯১ জন।
আর এনসিপি নেতাদের মধ্যে ঝালকাঠি-১ মাহমুদা মিতু, চুয়াডাঙ্গা-১ মোল্লা ফারুক এহসান, ঢাকা-৫ এস এম শাহরিয়া ও ঢাকা-৭ আসনে তারেক আহাম্মেদ আদেল প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তবে প্রত্যাহার করেননি ফরিদপুর-১ আসনে জেলা এনসিপির আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
২২ মিনিট আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতায় গেলে রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে ও হোম ইকোনমিকস কলেজকে (বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ) একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবে জামায়াতে ইসলামী। এ ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বড় কলেজগুলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হবে বলেও
৪ ঘণ্টা আগে