চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনার ইলিশ মানেই সুস্বাদু। যে কারণে দেশজুড়ে এখানকার ইলিশের চাহিদা বেশি। তবে এ বছর ভরা মৌসুমে ইলিশের দাম কমেনি। মৌসুমের শেষ দিকেও ইলিশের বাজার খুবই চড়া। জেলার সীমান্তবর্তী মেঘনা উপকূলীয় হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী ইলিশের আড়তে এখন সর্বোচ্চ দামে ইলিশের কেনাবেচা চলছে। বড় সাইজের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি কমপক্ষে ৩ হাজার টাকায়। আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ওই এলাকার জেলে ও আড়তদারদের সঙ্গে কথা বলে এসব কথা জানা গেছে।
চরভৈরবী আড়তে প্রতিদিন স্থানীয় জেলেরা ইলিশ সরাসরি বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। হাঁকডাক দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে বিক্রি হয়ে যায় তাঁদের ইলিশ। কিছু ব্যবসায়ী পাইকারি ও খুচরা দরে ইলিশ কিনে অন্যান্য বাজারে তা বিক্রি করেন। আবার অনেক খুচরা ক্রেতাও আসেন টাটকা ইলিশ কেনার জন্য।

চরভৈরবী এলাকার জেলে শামসুল ও মজিবুর রহমান জানান, গত বছরের তুলনায় এবার ইলিশ কম পাওয়া যাচ্ছে। এক নৌকায় কয়েকজন মিলে যে পরিমাণ ইলিশ ধরেন, তাতে তাঁদের খরচ ওঠে না। এতে তাঁরা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন।
একই এলাকার আরেক জেলে হোসাইন আহমেদ জানান, ইলিশ খুবই কম পাওয়া যায়। তবে যেগুলো পাওয়া যায় সাইজে বড়। তাঁরা দুজন মিলে ইলিশ ধরেন। বিক্রি করে যা পাওয়া যায়, তাতে তাঁদের সংসার চলে।

আড়তদার সোহেল চোকদার বলেন, লোকাল ইলিশের চাহিদা বেশি থাকায় দাম চড়া। এক কেজির ওপরের সাইজের ইলিশ প্রতি কেজি ৩ হাজার থেকে ৩২০০ টাকা। ৮০০-৯০০ গ্রাম প্রতি কেজি ২২০০-২৫০০ টাকা। আর ছোট সাইজের প্রতি হালি বিক্রি হয় ১২০০-১৫০০ টাকা।
মেঘনায় ইলিশের বিচরণ কমে যাওয়া প্রসঙ্গে প্রবীণ মাছ ব্যবসায়ী মো. সফিক জানান, সাগরের মোহনায় চর জেগে ওঠায় ইলিশ নদীতে আসতে বাধাগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া মৌসুমে জাটকা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এসব কারণে এই অঞ্চলে ইলিশের আকাল দেখা দিয়েছে।
আড়তদার মো. হেলাল বলেন, চরভৈরবী আড়ত আগে স্থানীয় ইলিশ দিয়ে সরগরম থাকলেও এখন সে পরিস্থিতি নেই। দক্ষিণাঞ্চলের আমদানি করা ইলিশ দিয়ে স্থানীয়দের চাহিদা মিটছে। প্রতিদিন এই মাছঘাটে স্থানীয় ইলিশ আসে ১৫-২০ মণ। আর সাগর অঞ্চল থেকে আসে ৩০-৪০ মণ।

চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনার ইলিশ মানেই সুস্বাদু। যে কারণে দেশজুড়ে এখানকার ইলিশের চাহিদা বেশি। তবে এ বছর ভরা মৌসুমে ইলিশের দাম কমেনি। মৌসুমের শেষ দিকেও ইলিশের বাজার খুবই চড়া। জেলার সীমান্তবর্তী মেঘনা উপকূলীয় হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী ইলিশের আড়তে এখন সর্বোচ্চ দামে ইলিশের কেনাবেচা চলছে। বড় সাইজের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি কমপক্ষে ৩ হাজার টাকায়। আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ওই এলাকার জেলে ও আড়তদারদের সঙ্গে কথা বলে এসব কথা জানা গেছে।
চরভৈরবী আড়তে প্রতিদিন স্থানীয় জেলেরা ইলিশ সরাসরি বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। হাঁকডাক দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে বিক্রি হয়ে যায় তাঁদের ইলিশ। কিছু ব্যবসায়ী পাইকারি ও খুচরা দরে ইলিশ কিনে অন্যান্য বাজারে তা বিক্রি করেন। আবার অনেক খুচরা ক্রেতাও আসেন টাটকা ইলিশ কেনার জন্য।

চরভৈরবী এলাকার জেলে শামসুল ও মজিবুর রহমান জানান, গত বছরের তুলনায় এবার ইলিশ কম পাওয়া যাচ্ছে। এক নৌকায় কয়েকজন মিলে যে পরিমাণ ইলিশ ধরেন, তাতে তাঁদের খরচ ওঠে না। এতে তাঁরা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন।
একই এলাকার আরেক জেলে হোসাইন আহমেদ জানান, ইলিশ খুবই কম পাওয়া যায়। তবে যেগুলো পাওয়া যায় সাইজে বড়। তাঁরা দুজন মিলে ইলিশ ধরেন। বিক্রি করে যা পাওয়া যায়, তাতে তাঁদের সংসার চলে।

আড়তদার সোহেল চোকদার বলেন, লোকাল ইলিশের চাহিদা বেশি থাকায় দাম চড়া। এক কেজির ওপরের সাইজের ইলিশ প্রতি কেজি ৩ হাজার থেকে ৩২০০ টাকা। ৮০০-৯০০ গ্রাম প্রতি কেজি ২২০০-২৫০০ টাকা। আর ছোট সাইজের প্রতি হালি বিক্রি হয় ১২০০-১৫০০ টাকা।
মেঘনায় ইলিশের বিচরণ কমে যাওয়া প্রসঙ্গে প্রবীণ মাছ ব্যবসায়ী মো. সফিক জানান, সাগরের মোহনায় চর জেগে ওঠায় ইলিশ নদীতে আসতে বাধাগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া মৌসুমে জাটকা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এসব কারণে এই অঞ্চলে ইলিশের আকাল দেখা দিয়েছে।
আড়তদার মো. হেলাল বলেন, চরভৈরবী আড়ত আগে স্থানীয় ইলিশ দিয়ে সরগরম থাকলেও এখন সে পরিস্থিতি নেই। দক্ষিণাঞ্চলের আমদানি করা ইলিশ দিয়ে স্থানীয়দের চাহিদা মিটছে। প্রতিদিন এই মাছঘাটে স্থানীয় ইলিশ আসে ১৫-২০ মণ। আর সাগর অঞ্চল থেকে আসে ৩০-৪০ মণ।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে