
আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের হটিয়ে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর দখলে নিয়েছে আন্দোলনকারীরা। ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা আন্দোলনকারীদের ধাওয়া খেয়ে মিরপুর-২ নম্বর স্টেডিয়ামের দিকে চলে যায়।
এর আগে, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আওয়ামী লীগের দখলে ছিল গোলচত্বর। এ সময় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা গোলচত্বরের আশপাশের বিভিন্ন গলিতে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অলিগলিতে খুঁজে মারধর করে।
পরে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে প্রায় ৫ ঘণ্টা পর আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ক্ষমতাসীনদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে গোলচত্বর দখলে নেয় আন্দোলনকারীরা। তাদের ধাওয়ায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মাইক রেখে চলে যায়। এ সময় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ মিরপুরের বেনারসি পল্লি, আইডিয়াল গার্লস স্কুল সড়ক, বিআরটিএ সড়ক, মিরপুর-৬ নম্বর, আল-হেলাল হাসপাতাল সড়ক ছড়িয়ে পর।
একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে, পুলিশ টিয়ার শেল ও গুলি নিক্ষেপ করে। এতে আন্দোলনকারীদের অন্তত ১৯ জনকে হাসপাতালে নিতে দেখা গেছে। সংঘর্ষের সময় আওয়ামী লীগের সমর্থকদের দুজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দেখা গেছে। তাদের মধ্যে একজনের গায়ে সাদা টি-শার্ট ও মাথায় হেলমেট দেখা গেছে।
বর্তমানে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম এলাকা ও সুইমিং কমপ্লেক্সের সামনে সংঘর্ষ চলছে। আন্দোলনে নারী শিক্ষার্থীদেরও দেখা গেছে সকাল থেকেই।
আরও খবর পড়ুন:

যশোরের মনিরামপুরে আরিফ হোসেন (১৭) নামে এক কিশোরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ মাছের ঘেরে ফেলে রেখেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার বালিধা এলাকার মাঠে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সকালে মনিরামপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে।
৪ মিনিট আগে
নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে