
শিক্ষার্থীদের চলমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে ফেসবুকে ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, টুপি ও শার্ট, প্যান্ট পরিহিত শ্মশ্রুমণ্ডিত এক ব্যক্তি রাস্তায় দুই হাতে ইট নিয়ে কাউকে মারতে যাচ্ছেন। ভাইরাল ভিডিওটিতে এ ব্যক্তি শিক্ষার্থীদের পক্ষে আন্দোলন করছেন দাবি করে ক্যাপশনে লেখা হচ্ছে, ‘উনি কোন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্র?’
‘মুহাম্মদ সালাউদ্দিন হোসাইন মিলন’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে গত ৩১ জুলাই এমন দাবিতে ভিডিও ফুটেজটি পোস্ট করা হয়। ভিডিওটি আজ শুক্রবার (২ আগস্ট) রাত ৯টা পর্যন্ত ১৭ লাখ বার দেখা হয়েছে, শেয়ার হয়েছে প্রায় ৫ হাজার।
আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভাইরাল ভিডিও ফুটেজটি বেসরকারি সম্প্রচার মাধ্যম চ্যানেল ২৪–এর। চ্যানেলটিতে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড় থেকে ভিডিওটি লাইভ সম্প্রচার করা হয়েছিল।
এই তথ্যের সূত্রে সম্প্রচার মাধ্যমটির ইউটিউব চ্যানেলে লাইভ ভিডিওটি পাওয়া যায়। গত ১৬ জুলাই লাইভটি প্রচার করা হয়। ৮ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের লাইভ ভিডিওটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, ভিডিওটিতে থাকা ব্যক্তিটি শিক্ষার্থীদের পক্ষে ছিলেন না।
ভিডিওটিতে দেখা যায়, সায়েন্সল্যাবের ফুটওভার ব্রিজ থেকে চ্যানেল ২৪–এর প্রতিবেদক ও ক্যামেরাপারসন শিক্ষার্থী–সরকার সমর্থকদের মধ্যে সংঘটিত সংঘর্ষটি লাইভ দেখাচ্ছিলেন। লাইভে প্রতিবেদক সংঘর্ষে কে কোনদিকে আছেন তা উল্লেখ করে ঘটনা বর্ণনা করছিলেন। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা সায়েন্স ল্যাব মোড়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করছিলেন। তাঁদের এই সমাবেশে অতর্কিত হামলা হলে সংঘর্ষ শুরু হয়। অপরদিকে ঢাকা কলেজের দিক থেকে হেলমেট পরা লোকজন শিক্ষার্থীদের দিকে ইট–পাটকেল ছুড়ছিলেন। ভাইরাল ব্যক্তির অবস্থান ছিল শিক্ষার্থীদের বিপরীত দিকে, অর্থাৎ সরকার সমর্থকদের দিকে।
লাইভটির ১ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড সময়কালে চ্যানেল ২৪–এর প্রতিবেদক ও ক্যামেরাপারসন লাইভ দিতে দিতে ফুটওভার ব্রিজ থেকে নামছিলেন। এই সময় ভাইরাল ব্যক্তিটি তাঁদের দিকে রেকর্ড না করতে হুমকি দেন এবং শিক্ষার্থীদের দিকে ক্যামেরা ঘোরাতে বলেন। এ সময় সাংবাদিক ও ভাইরাল ব্যক্তির মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এ সময় পাশ থেকে কাউকে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা সরকারি লোক।’
লাইভটির ৪ মিনিট ২২ সেকেন্ড কালে চ্যানেল ২৪–এর প্রতিবেদক বলেন, ‘আপনাদের জানিয়ে রাখি, একটু আগে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এক নেতা, যে আমাদের ওপর চড়াও হয়েছিল এবং শারীরিকভাবে নিগ্রহের শিকারও হয়েছি। তারপরও আমরা নিরাপদ অবস্থানে থেকে সার্বিক অবস্থাটুকু আপনাদের দেখানোর চেষ্টা করছি।’ এরপর তিনি শিক্ষার্থীদের দিকে চলে যান।
এই লাইভ বিশ্লেষণ থেকে এটি স্পষ্ট, ভাইরাল ব্যক্তিটি শিক্ষার্থীদের পক্ষে থেকে ইট–পাটকেল ছুড়ছিলেন না। বরং ওই প্রতিবেদকের বর্ণনা অনুযায়ী, এই ব্যক্তি কোনো এক ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ নেতা।

‘শুধুমাত্র শিবিরকে ভালো লাগার কারণে যদি আমায় ছাত্রদল থেকে বহিষ্কারও করে, তাতেও আমার কোনো আফসোস নেই। আমি সর্বদা ইনসাফের পক্ষে’—শেখ তানভীর বারী হামিমের নামে এমন মন্তব্য সম্বলিত একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
ফেসবুকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েমের নামে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। দাবি করা হয়েছে, বর্তমান সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের পরিণতি সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ মুরাদ হাসান—এর মতো হবে। ফটোকার্ডটি বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করা হয়ে
২১ ঘণ্টা আগে
‘বাংলাদেশে টিকটক প্ল্যাটফর্ম বন্ধ করতে যাচ্ছে সরকার’—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমান সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী মাহবুব আনামের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রচারিত ফটোকার্ডটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।
৩ দিন আগে
চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য থাকলে জাতীয় পুরস্কার নয়—এমন দাবিতে জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠের লোগো সংবলিত একটি ফটোকার্ড ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ফটোকার্ডটি শেয়ার করেছেন লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট ফাহাম আবদুস সালাম, তাসলিমা নাসরিনসহ অনেকে।
৩ দিন আগে