বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। বিষয়টি আজকের পত্রিকা’কে নিশ্চিত করেছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী। সুজন ক্যাটাগরি–৩ থেকে নির্বাচিত পরিচালক ছিলেন।
সুজন ২০১৩,২০১৭ ও ২০২১—তিন মেয়াদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরিচালক হয়েছিলেন বিসিবির। তবে সর্বশেষ মেয়াদপূর্ণ হওয়ার আগেই সরে গেলেন পদ থেকে। বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান ও গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির প্রধানের দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।
এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ দলের টিম ডিরেক্টর, অন্তর্বর্তী কোচ, টিম ম্যানেজারের দায়িত্বও পালন করেছেন সুজন। এর আগে বিসিবির দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস, নারী বিভাগের প্রধান শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ও হাই পারফরম্যান্স প্রোগ্রামের প্রধান নাঈমুর রহমান দুর্জয়। তাঁরা সবাই ছিলেন পরিচালক।
সরিয়ে দেওয়া হয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কোটায় মনোনীত পরিচালক বিসিবির টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববিকেও। সরকার পতনের পর থেকে দৃশ্যপটে নেই বিসিবির বেশ কয়েকজন পরিচালক। দুই সপ্তাহ আগে বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন নাজমুল হাসান পাপন।
আরও খবর পড়ুন:

৯ অক্টোবর আবুধাবিতে শুরু হবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজের একমাত্র টেস্ট। তার আগে মরুর বুকে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছেন সৌম্য সরকার-মেহেদী হাসান মিরাজরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম দিনটা বাংলাদেশের জন্য অম্লমধুরই বলা চলে।
১ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান গেমসে ব্যর্ধতার ষোলোকলা পূর্ণ করল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নিশিনে গতকাল শ্রীলঙ্কার ৬২ রানে হেরে ব্রোঞ্জও পেল না বাংলাদেশ। হারের পর লিটন দাস জাপানে খাবারদাবার নিয়ে অজুহাত সামনে এনেছেন। অধিনায়কের মুখে এমন কথা শুনে অসন্তুষ্ট খালেদ মাহমুদ সুজন।
২ ঘণ্টা আগে
ওয়ানডের অন্যতম সেরা ফিনিশারের নাম বললে মাইকেল বেভান, মহেন্দ্র সিং ধোনি, বিরাট কোহলিরা থাকবেন ওপরের তালিকায়। ঠাণ্ডা মাথায় প্রতিপক্ষের কাছ থেকে অনেকবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন তাঁরা। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে এড়ালেন ধবলধোলাই। পাহাড়সমান লক্ষ্য থাকলেও ঘাবড়ে যাননি তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সপ্তম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়। তাঁর সেঞ্চুরিতে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে আছে স্বাগতিক চট্টগ্রাম। রাজশাহীর অর্ধেকেরও বেশি রান চট্টগ্রাম করে ফেলেছে কোনো উইকেট না হারিয়ে। চট্টগ্রাম দ্বিতীয় দিনটা স্বস্তিতে
৪ ঘণ্টা আগে