
বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা এবং স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যে পরিমাণ হারে জাতীয় ঋণ পরিশোধ করছে, তা দেশটির প্রতিরক্ষা বাজেটকে ছাড়িয়ে গেছে। তিনি আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র অতি দ্রুত দেউলিয়া হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অল-ইন নামে এক পডকাস্টে তিনি এ কথা বলেছেন। মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা বারনামার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় তথা ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছিল, দেশটির বর্তমান জাতীয় ঋণ ৩৫ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে বিগত ছয় মাসেই বেড়েছে ১ ট্রিলিয়ন ডলার। এর আগে, গত জুন মাসে মার্কিন পার্লামেন্ট দেশটির জন্য ৮৯৫ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট অনুমোদ দেয়, যা আগের বছরের চেয়ে ১ শতাংশ বেশি।
এ বিষয়ে আলোকপাত করে ইলন মাস্ক বলেন, ‘জাতীয় ঋণের বিপরীতে সুদের অর্থ প্রদানের পরিমাণ এখন সমগ্র প্রতিরক্ষা বিভাগের বাজেটের চেয়ে বেশি এবং তা ক্রমেই বাড়ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খুব দ্রুত দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণে যত ট্রিলিয়ন ডলার যুক্ত হচ্ছে, আমাদের সন্তানদের কাঁধে তত বেশি ঋণের দায় বাড়ছে।’
এর আগে, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ইলন মাস্ক তাঁর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফরম এক্সে এক টুইটে জানান, আগামী ১২ মাসে যুক্তরাষ্ট্রকে ঋণের বিপরীতে ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার সুদ পরিশোধ করতে হবে, যা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় রাজস্ব আয়ের ২৫ শতাংশ।
এ ছাড়া, চলতি মাসের শুরুর দিকে ইলন মাস্ক সতর্ক করে বলেন, সরকারি ব্যয়ের বর্তমান হার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দ্রুত দেউলিয়াত্বের দিকে নিয়ে যাচ্ছে এবং সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় মুদ্রাস্ফীতি বাড়িয়ে তুলছে। গত আগস্টে ইউএস লেবার ডিপার্টমেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি ২০২১ সালের পর প্রথমবারের মতো ৩ শতাংশের নিচে নেমেছে।

বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা এবং স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যে পরিমাণ হারে জাতীয় ঋণ পরিশোধ করছে, তা দেশটির প্রতিরক্ষা বাজেটকে ছাড়িয়ে গেছে। তিনি আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র অতি দ্রুত দেউলিয়া হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অল-ইন নামে এক পডকাস্টে তিনি এ কথা বলেছেন। মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা বারনামার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় তথা ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছিল, দেশটির বর্তমান জাতীয় ঋণ ৩৫ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে বিগত ছয় মাসেই বেড়েছে ১ ট্রিলিয়ন ডলার। এর আগে, গত জুন মাসে মার্কিন পার্লামেন্ট দেশটির জন্য ৮৯৫ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট অনুমোদ দেয়, যা আগের বছরের চেয়ে ১ শতাংশ বেশি।
এ বিষয়ে আলোকপাত করে ইলন মাস্ক বলেন, ‘জাতীয় ঋণের বিপরীতে সুদের অর্থ প্রদানের পরিমাণ এখন সমগ্র প্রতিরক্ষা বিভাগের বাজেটের চেয়ে বেশি এবং তা ক্রমেই বাড়ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খুব দ্রুত দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণে যত ট্রিলিয়ন ডলার যুক্ত হচ্ছে, আমাদের সন্তানদের কাঁধে তত বেশি ঋণের দায় বাড়ছে।’
এর আগে, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ইলন মাস্ক তাঁর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফরম এক্সে এক টুইটে জানান, আগামী ১২ মাসে যুক্তরাষ্ট্রকে ঋণের বিপরীতে ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার সুদ পরিশোধ করতে হবে, যা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় রাজস্ব আয়ের ২৫ শতাংশ।
এ ছাড়া, চলতি মাসের শুরুর দিকে ইলন মাস্ক সতর্ক করে বলেন, সরকারি ব্যয়ের বর্তমান হার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দ্রুত দেউলিয়াত্বের দিকে নিয়ে যাচ্ছে এবং সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় মুদ্রাস্ফীতি বাড়িয়ে তুলছে। গত আগস্টে ইউএস লেবার ডিপার্টমেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি ২০২১ সালের পর প্রথমবারের মতো ৩ শতাংশের নিচে নেমেছে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৪ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৪ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৮ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৮ ঘণ্টা আগে