এই তো কদিন আগেই অ্যানফিল্ডে প্রিমিয়ার লিগের শেষ ম্যাচে জিতেও লিগ শিরোপা হাতছাড়া হয়েছে লিভারপুলের। মাত্র ১ পয়েন্টের জন্য লিগ শিরোপা জিততে না পারার ক্ষত না শুকানোর আগে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালেও শেষ হাসি হাসতে পারলেন না ক্লপ। পুরো ম্যাচে দাপট দেখিয়েও প্যারিসে রাতটা নিজেদের করে নিতে পারেননি এই জার্মান কোচ। শিরোপা ছুঁতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে পরের মৌসুমে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন তিনি।
ক্লপ এখনই জানিয়ে দিয়েছেন, পরের বছরের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে আবারও খেলবে তার দল। এজন্য ভক্তদের আগামী বছরের ফাইনালের ভেন্যু ইস্তাম্বুলের টিকিট কেটে রাখতে বলেছেন তিনি। এর আগে অবশ্য এমন গল্প একবার লিখেছিলেন ক্লপ। ২০১৮ সালে ফাইনালে এই রিয়ালের কাছেই হেরে পরের বছরই শিরোপা জিতেছিল লিভারপুল। আগামী বছরও তেমন কিছুই করে দেখানোর ইচ্ছা ক্লপের।
রিয়ালের কাছে শিরোপা হারের পর সংবাদ সম্মেলনে ক্লপ বলেন, ‘এই ছেলেরা দারুণ লড়াকু। অসাধারণ একটা দল আমাদের। আগামী মৌসুমে আমরা আবার একটা অসাধারণ গ্রুপ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ব। অন্যদের চেয়ে একটু বেশিই চেষ্টা করতে হবে আমাদের, তবে সেটা সমস্যা নয়। আগামী বছর ফাইনালটা কোথায়? ইস্তাম্বুল। হোটেল বুক করে রাখুন।’
দল হারলেও শিষ্যদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন ক্লপ। একই সঙ্গে কৃতিত্ব দিয়েছেন প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়াকেও। আর প্রতিপক্ষকে নিয়ে ক্লপের মূল্যায়ন,‘যখন একজন গোলরক্ষক ম্যাচসেরা খেলোয়াড় হয়, তখন বুঝতে হবে প্রতিপক্ষ দল কিছু ঠিকঠাক করতে পারেনি। কোর্তোয়া অবিশ্বাস্য তিনটি সেভ করেছে, কিন্তু যেভাবে আমরা খেলেছি, তাতে এ ধরনের সুযোগ আরও বেশি পেলে আমার ভালো লাগত।’
লিভারপুল-রিয়াল সম্পর্কিত পড়ুন:

শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
১৮ মিনিট আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে