
নরওয়ের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। তবে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করে অন্তত ব্যক্তিগত লড়াইয়ে জিতেছেন নেইমার। নরওয়ের গোলরক্ষক অরইয়ান নিল্যান্ডের সঙ্গে পেনাল্টি নেওয়ার আগে ও পরে তাঁর কথার লড়াই এখন ভক্তদের আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরলিং হালান্ডের জোড়া গোলে রাউন্ড অব সিক্সটিনে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরেছে ব্রাজিল। সেলেসাওরা একমাত্র গোলটা পায় ম্যাচের যোগ করা সময়ে। সফল পেনাল্টি থেকে নেইমার জালে বল জড়ালেও সেটা পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের বিশ্বকাপ যাত্রা অব্যাহত রাখার জন্য যথেষ্ট ছিল না।
ইএসপিএনের তথ্য অনুযায়ী, পেনাল্টি নেওয়ার আগে নেইমার বল স্পটে রাখার সময় তাঁকে উসকে দেন নিল্যান্ড। আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে নরওয়ের গোলরক্ষক বলেন, ‘আমি তোমার শট ঠেকাব, আমি তোমার শট ঠেকাব।’ এর আগে ম্যাচের ১৩তম মিনিটে ব্রুনো গিমারেসের স্পট কিক বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকান নিল্যান্ড। সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই নেইমারকে শট ঠেকানোর হুমকি দিয়েছিলেন তিনি।
নেইমারও অবশ্য চুপ থাকার পাত্র নন। জবাবে সান্তোস তারকা পাল্টা জানতে চান, কোন দিকে শট করতে হবে তাঁকে? এরপর গিমারেসের মতো নেইমারও বাঁ দিক দিয়ে শট নেন। মজার বিষয় হলো, গোলরক্ষক সেদিকে ঝাঁপই দেননি। গোল করার পর হাসতে হাসতে নিল্যান্ডের কাছে গিয়ে নেইমার বলেন, ‘আমার সঙ্গে এসব চলবে না, আমার সঙ্গে নয়।’
পেনাল্টির বাজিতে নিল্যান্ড জিততে না পারলেও ব্রাজিলের বিপক্ষে ঠিকই জিতেছে তাঁর দল। এই জয়ে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে নরওয়ে। সেমিফাইনালে ওঠার মিশনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা।

অনেক কৌতুহলের পর কার্লো আনচেলত্তির ঘোষিত বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেলেও সিংহভাগ সময় ডাগআউটে বসেই কেটেছে নেইমারের। প্রথম ২ ম্যাচ বেঞ্চে বসে থাকার পর গ্রুপপর্বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ দিকে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন। এরপর সেরা ৩২-এর ম্যাচে জাপানের বিপক্ষে মাঠে নামা হয়নি তাঁর। নরওয়ের বিপক্ষে হেরে যাওয়া ম্যাচে
১২ মিনিট আগে
আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোল না হলে হয়তো নরওয়ের এই রাতের গল্পই লেখা হতো না। কিন্তু হালান্ড গোল করার আগেই যিনি নরওয়েকে ম্যাচে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন, তাঁর নাম অরইয়ান নিল্যান্ড। ১২ মিনিটে ব্রুনো গিমারেসের পেনাল্টি ঠেকানো থেকে শুরু করে বিরতির আগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রদের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের উত্তেজনার মধ্
৩৯ মিনিট আগে
রীতিমতো এক নাটকই মঞ্চস্থ হলো মেক্সিকো সিটির আসতেকা স্টেডিয়ামে। ইংল্যান্ড-মেক্সিকোর ম্যাচে কী ছিল না! ফাউল, লাল কার্ড, পেনাল্টি। এমন নাটকীয় ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছে টমাস টুখেলের দল। রাউন্ড অব সিক্সটিনের ম্যাচে মেক্সিকোকে ৩-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কাটল ইংলিশরা।
২ ঘণ্টা আগে
ক্লাব পর্যায়ে গোলের ঝুলঝুরি ছুটিয়ে অনেক আগেই গোলমেশিন তকমা পেয়েছেন আরলিং হালান্ড। এবারের বিশ্বকাপেও ধারাবাহিকভাবে জালের দেখা পাচ্ছেন। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিলকে বিদায় করার পথে দুইবার পেয়েছেন জালের দেখা। এরপর সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই স্ট্রাইকার।
২ ঘণ্টা আগে