রিয়াল মাদ্রিদের কাছে লিভারপুল শিরোপা হারিয়েছে বলার চেয়ে থিবো কোর্তোয়ার কাছেই হেরে হেরে গেছে অলরেডরা এটা বলাটাই হয়তো বেশি প্রাসঙ্গিক। কোর্তোয়ার ওই গ্লাভস জোড়াতেই যেন লেখা ছিল চ্যাম্পিয়নস লিগের ভাগ্য! ম্যাচের একমাত্র গোলদাতা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র হলেও আসল নায়ক কোর্তোয়া।
অবিশ্বাস্য, অতুলনীয়, অতিমানবীয় এই বিশেষণগুলো দিয়েও হয়তো কোর্তোয়ার এই পারফরম্যান্স ঠিকঠাক বোঝানো যাবে না। লিভারপুলের আক্রমণভাগের সামনে পুরো সময় দেয়াল হয়ে ছিলেন ৬ ফিট ৬ ইঞ্চির কোর্তোয়া। সালাহ-মানে-দিয়াজদের সব আক্রমণ একাই রুখে দিয়েছেন এই বেলজিয়ান গোলরক্ষক। ১৬ মিনিটের সময় সালাহর শট বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন। সেই শুরু এরপর অবিশ্বাস্য ভাবে একের পর এক গোল বাচিয়েছেন কোর্তোয়া।
শুধু গ্লাভস নয়, হাত-পা-বুক-মাথা..শরীরের কোন অংশ দিয়ে গোল ঠেকাননি কোর্তোয়া! ম্যাচের শেষ মিনিটেও সালাহর শট ঠেকিয়ে দলকে রক্ষা করেছেন ৩০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক। লিভারপুলের নেওয়া ৯টি অন টার্গেট শট কোর্তোয়ার দেয়ালে বাধা পড়েছে। লিভারপুলের আক্রমণভাগ ম্যাচের শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়েও কোর্তোয়ার দুর্ভেদ্য দেয়াল ভাঙতে পারেনি।
ফুটবলে গোলদাতারাই ম্যাচের ফল বের করে আনে। তাই সব আলো স্কোরারদের দিকে থাকে সাধারণত। সে হিসেবে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র অবশ্যই প্রশংসার দাবিবার। তবে ফাইনালে মূল পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন একজন কোর্তোয়া। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়া কোর্তোয়া ছাপ রেখেছেন শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগ মুহূর্তেও। ম্যাচের শেষ মিনিটে ফিরমিনহোর ওই শটে কোর্তোয়া যেন বল ধরেননি, শিরোপায় লুফে নিয়েছেন।
লিভারপুল-রিয়াল সম্পর্কিত পড়ুন:

শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
১৫ মিনিট আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে