কোরবানির ঈদে একঘেয়ে মাংসের ঝোল বা ভুনা রান্না না করে এবার তৈরি করতে পারেন নতুন রেসিপি। কড়াই কষা মাংসের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আনিসা আক্তার নূপুর।
উপকরণ

গরুর মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ, টক দই দুই টেবিল চামচ, আদা রসুন বাটা ৩ টেবিল চামচ, ধনে বাটা আধা চা-চামচ, জিরা বাটা এক চা–চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা তিন টেবিল চামচ, মরিচ বাটা দুই চা–চামচ, হলুদ বাটা দুই চা-চামচ, বড় এলাচি একটি, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা-চামচ, দারুচিনি, এলাচি ও লবঙ্গ ৬ থেকে ৭টি, তেজপাতা দুটি, টমেটো সস দুই চা-চামচ, চিনি সামান্য, তেল আধা কাপ, কাঁচা মরিচ ৫ থেকে ৬টি, আস্ত শুকনা মরিচ ৪ থেকে ৫টি, পানি প্রয়োজন মতো।
প্রণালি
হাড়সহ গরুর মাংস পরিষ্কার করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। তারপর কড়াইয়ে তেল গরম করে আস্ত গরম মসলা দিয়ে সব বাটা মসলা দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। তারপর লবণ ও টক দই ফেটিয়ে দিয়ে কষিয়ে নিন। গরুর মাংস দিয়ে নেড়েচেড়ে ভালো ভাবে মিশিয়ে ঢেকে রান্না করুন। মাংস কষানো হলে পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করতে হবে সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত। মাংস সেদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে এলে সস দিয়ে নেড়েচেড়ে পেঁয়াজ বেরেস্তা দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে চিনি ও গরম মসলা গুঁড়া দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন বাটা মসলায় বিফ কষা।

আকাশে ধবধবে সাদা মেঘের ভেলা, পাহাড়জুড়ে সবুজের উদ্দাম প্রচ্ছদ। তবে বর্ষার অকৃপণ বর্ষণে রাঙামাটির প্রকৃতি এখন নবযৌবনে দীপ্ত। এদিকে আসছে শরৎ। বহুদূর বিস্তৃত কাপ্তাই হ্রদ পূর্ণ হয়ে উঠেছে টইটম্বুর স্ফটিক স্বচ্ছ পানিতে। তার ওপর পড়েছে মেঘের ছায়া। জুমের টাটকা সবজি আর বাঁশকোঁড়লের সুবাসে ম-ম করছে...
১৫ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণপিয়াসি এবং বিলাসবহুল জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত মানুষের কাছে সেরা আতিথেয়তার মানদণ্ড অন্য রকম। মূলত তাঁদের জন্যই ভ্রমণভিত্তিক শীর্ষস্থানীয় ম্যাগাজিন ‘কনডে নাস্ট ট্রাভেলার’ প্রতিবছর বিশ্বের সেরা হোটেল ও রিসোর্টগুলোর তালিকা প্রকাশ করে। সম্প্রতি ম্যাগাজিনটি প্রকাশ করেছে তাদের এ বছরের ‘হটেস্ট নিউ হোটেলস...
১৬ ঘণ্টা আগে
আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, মাঠের ধারে কাশফুল আর নদীতে স্বচ্ছ পানি—সব মিলিয়ে এই ঋতু যেন বাংলাদেশের প্রকৃতির নিজস্ব উৎসব। শরৎকালে নদীগুলোও ফিরে পায় তার স্বাভাবিক ছন্দ। বর্ষার উচ্ছ্বাস কিছুটা কমে নদীর পানি নেমে আসে, স্রোত থাকে শান্ত আর স্বাভাবিক। এমন সময়ে নদীভ্রমণের আনন্দ হয়ে ওঠে একেবারে অন্য রকম।
১৭ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল। নাফাখুম, রিঝুক ঝরনা এবং তমাতুঙ্গী থেকে টিওবি ও কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। ১১ আগস্ট অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে