
পুষ্টিগুণে ভরপুর দেশীয় ফল জাম। এতে আছে ভিটামিন সি, এ, ক্যালসিয়াম ও আয়রন, পটাশিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, শর্করা ও আঁশ। এসব উপাদান ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে, হজমে সাহায্য করে, হৃদ্রোগ প্রতিরোধ করে, ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষা করে, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়, রক্তাল্পতা দূর করে, ক্লান্তি দূর করে, দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষায় সহায়তা করে, ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

চলছে জামের মৌসুম। এখন যদি জামের রসে মুখ রঙিন না করেন, তাহলে আর কবে? গরমে এই ফলটির জুস অনেক উপাদেয় আর স্বাস্থ্যকর। অন্যদিকে আছে জামের মাখা বা ভর্তা। যাঁরা এবার এখনো জামের জুস ও ভর্তা তৈরি করেননি, তাঁদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন আফরোজা খানম মুক্তা।
জামের টক ঝাল মিষ্টি জুস
উপকরণ
জাম ৩০০ গ্রাম, মধু ৩ চা-চামচ, বিট লবণ আধা চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ২ থেকে ৩টা, লেবুর রস ২ চা-চামচ, পুদিনাপাতা ১০ থেকে ১২টা ও আইস কিউব।

প্রণালি
জামের বোঁটা ফেলে ধুয়ে বিচি আলাদা করে ফেলে দিন। তারপর ব্লেন্ডারে সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে জুস করে নিন। তারপর আইস কিউব আর পুদিনাপাতা দিয়ে পরিবেশন করুন।
কালো জামের মাখানো ভর্তা
উপকরণ
কালো জাম ৫০০ গ্রাম, বিট লবণ ১ চা-চামচ, শুকনো মরিচ গুঁড়া ১ চা–চামচ, লবণ স্বাদমতো, কাঁচা মরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ, সবুজ রঙের ক্যাপসিকাম ১ টেবিল চামচ, পুদিনাপাতা সাজানোর জন্য।

প্রণালি
কালো জাম বোঁটা ফেলে ধুয়ে নিন। এবার একটি বাটিতে জাম আর সব উপকরণ একসঙ্গে নিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঝাঁকিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর কলাপাতায় জাম দিয়ে পুদিনাপাতা, কাঁচা মরিচ দিয়ে পরিবেশন করুন।

আকাশে ধবধবে সাদা মেঘের ভেলা, পাহাড়জুড়ে সবুজের উদ্দাম প্রচ্ছদ। তবে বর্ষার অকৃপণ বর্ষণে রাঙামাটির প্রকৃতি এখন নবযৌবনে দীপ্ত। এদিকে আসছে শরৎ। বহুদূর বিস্তৃত কাপ্তাই হ্রদ পূর্ণ হয়ে উঠেছে টইটম্বুর স্ফটিক স্বচ্ছ পানিতে। তার ওপর পড়েছে মেঘের ছায়া। জুমের টাটকা সবজি আর বাঁশকোঁড়লের সুবাসে ম-ম করছে...
১৫ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণপিয়াসি এবং বিলাসবহুল জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত মানুষের কাছে সেরা আতিথেয়তার মানদণ্ড অন্য রকম। মূলত তাঁদের জন্যই ভ্রমণভিত্তিক শীর্ষস্থানীয় ম্যাগাজিন ‘কনডে নাস্ট ট্রাভেলার’ প্রতিবছর বিশ্বের সেরা হোটেল ও রিসোর্টগুলোর তালিকা প্রকাশ করে। সম্প্রতি ম্যাগাজিনটি প্রকাশ করেছে তাদের এ বছরের ‘হটেস্ট নিউ হোটেলস...
১৬ ঘণ্টা আগে
আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, মাঠের ধারে কাশফুল আর নদীতে স্বচ্ছ পানি—সব মিলিয়ে এই ঋতু যেন বাংলাদেশের প্রকৃতির নিজস্ব উৎসব। শরৎকালে নদীগুলোও ফিরে পায় তার স্বাভাবিক ছন্দ। বর্ষার উচ্ছ্বাস কিছুটা কমে নদীর পানি নেমে আসে, স্রোত থাকে শান্ত আর স্বাভাবিক। এমন সময়ে নদীভ্রমণের আনন্দ হয়ে ওঠে একেবারে অন্য রকম।
১৭ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল। নাফাখুম, রিঝুক ঝরনা এবং তমাতুঙ্গী থেকে টিওবি ও কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। ১১ আগস্ট অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে