
বাড়িতে ভেটকি মাছ আছে? হঠাৎ যদি নতুন রেসিপি বানাতে ইচ্ছা হয়, তাহলে ভেটকি মাছ দিয়ে তৈরি করতে পারেন প্যান ফ্রাইড ফিশ উইদ পমেগ্রেনেট মোলাসেস অ্যান্ড পমেগ্রেনেট কিউকাম্বার সালাদ। সোজা কথায়, বেদানা বা ডালিমের রস থেকে বানানো সিরাপের সঙ্গে ভেটকির ভাজা আর ডালিম দানা ও শসার সালাদ। রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন ‘সেরা রাঁধুনী ১৪২৭’ প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় রানারআপ ও রন্ধনশিল্পী মরিয়ম হোসেন নূপুর।
উপকরণ
ভেটকি মাছের ফিলে ২ পিস, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, লেবুর রস ১ চা–চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া ও রসুনবাটা আধা চা-চামচ করে, বাটার বা অলিভ অয়েল মাছ ভাজার জন্য।
পমেগ্রেনেট মোলাসেস তৈরিতে যা লাগবে
বিচিসহ ব্লেন্ড করে ছেঁকে নেওয়া বেদানার রস ২ কাপ, লেবুর রস ২ চা-চামচ।
সালাদের জন্য যা লাগবে
শসা কিউব ১ কাপের ৪ ভাগের এক ভাগ, ক্যাপসিকাম কিউব ১ টেবিল চামচ, টমেটো ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, পমেগ্রেনেট মোলাসেস বা বেদানার রসের সিরাপ ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, কাঁচা মরিচের কুচি সামান্য, বেদানার দানা ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি
মাছে তেল বাদে বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে দিয়ে ম্যারিনেট করে রাখতে হবে আধা ঘণ্টা। এবার প্যানে অলিভ অয়েল বা বাটার দিয়ে মাছ ভেজে নিতে হবে। মোলাসেস তৈরির জন্য বেদানার জুসসহ বাকি উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে নিতে হবে মিশ্রণ ঘন না হওয়া পর্যন্ত। সালাদের সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে পছন্দমতো পরিবেশন করতে হবে।

আকাশে ধবধবে সাদা মেঘের ভেলা, পাহাড়জুড়ে সবুজের উদ্দাম প্রচ্ছদ। তবে বর্ষার অকৃপণ বর্ষণে রাঙামাটির প্রকৃতি এখন নবযৌবনে দীপ্ত। এদিকে আসছে শরৎ। বহুদূর বিস্তৃত কাপ্তাই হ্রদ পূর্ণ হয়ে উঠেছে টইটম্বুর স্ফটিক স্বচ্ছ পানিতে। তার ওপর পড়েছে মেঘের ছায়া। জুমের টাটকা সবজি আর বাঁশকোঁড়লের সুবাসে ম-ম করছে...
১৫ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণপিয়াসি এবং বিলাসবহুল জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত মানুষের কাছে সেরা আতিথেয়তার মানদণ্ড অন্য রকম। মূলত তাঁদের জন্যই ভ্রমণভিত্তিক শীর্ষস্থানীয় ম্যাগাজিন ‘কনডে নাস্ট ট্রাভেলার’ প্রতিবছর বিশ্বের সেরা হোটেল ও রিসোর্টগুলোর তালিকা প্রকাশ করে। সম্প্রতি ম্যাগাজিনটি প্রকাশ করেছে তাদের এ বছরের ‘হটেস্ট নিউ হোটেলস...
১৬ ঘণ্টা আগে
আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, মাঠের ধারে কাশফুল আর নদীতে স্বচ্ছ পানি—সব মিলিয়ে এই ঋতু যেন বাংলাদেশের প্রকৃতির নিজস্ব উৎসব। শরৎকালে নদীগুলোও ফিরে পায় তার স্বাভাবিক ছন্দ। বর্ষার উচ্ছ্বাস কিছুটা কমে নদীর পানি নেমে আসে, স্রোত থাকে শান্ত আর স্বাভাবিক। এমন সময়ে নদীভ্রমণের আনন্দ হয়ে ওঠে একেবারে অন্য রকম।
১৭ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল। নাফাখুম, রিঝুক ঝরনা এবং তমাতুঙ্গী থেকে টিওবি ও কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। ১১ আগস্ট অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে