
গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার সাহেরা মার্কেটে রাসায়নিক গুদামে আগুনের ঘটনায় করা মামলায় পলাতক গুদামমালিককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১)। আজ সোমবার রাজধানীর বনানী থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে র্যাব কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টার দিকে টঙ্গী পূর্ব থানা-পুলিশের কাছে তাঁকে হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. সোলায়মান (৪৮)। তিনি নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানার মানিকপুর গ্রামের মৃত মাহমুদুল্লাহর ছেলে।
রাতে র্যাবের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত মিডিয়া অফিসার) মো. পারভেজ রানা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর টঙ্গীর সাহার মার্কেটে সোলায়মানের মালিকানাধীন ‘ফেমাস ক্যামিকেল’ নামের রাসায়নিক গুদামে আগুন লাগে। আগুন নেভাতে গিয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউসের পরিদর্শক জান্নাতুল নাঈম, ফায়ার ফাইটার শামীম আহমেদ, নূরুল হুদা, পার্শ্ববর্তী দোকানের কর্মচারী বাবুসহ চারজন অগ্নিদগ্ধ হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই চারজনের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনার সাত দিন পর ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে থানায় চারজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরও ২০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়। তবে ঘটনার পর থেকে গুদামমালিক পলাতক ছিলেন।
টঙ্গী পূর্ব থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, টঙ্গীতে রাসায়নিক গুদামে আগুনের ঘটনায় গুদামটির মালিককে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব। আগামীকাল মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে।

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির (বাকসাস) ২০২৬–২৭ কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সময়ের কণ্ঠস্বরের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার এসএম মঈন এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক আনন্দবাজারের রিপোর্টার জিসান আহমেদ কাব্য।
৫ মিনিট আগে
রাজবাড়ীর কালুখালীতে কৃষক নজরুল ইসলাম খানকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্য ও রক্তদাতা সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকেরা। হত্যাকাণ্ডের নয় দিন পরও সব আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ার অভিযোগ করেন তাঁরা।
১৬ মিনিট আগে
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, এসআই দ্বীপ মণ্ডলকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত হবে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
১৮ মিনিট আগে
দিনভর রিকশা চালিয়ে রাতে বাড়ি ফিরছিলেন মো. ফয়েজ আহাম্মদ। কিন্তু বাড়ি ফেরা হয়নি তাঁর। মাদকসেবীর অপবাদ দিয়ে একদল লোক তাঁকে ঘিরে ধরে। লাঠি ও রড দিয়ে চলে বেধড়ক পিটুনি। একপর্যায়ে রক্তাক্ত ফয়েজকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে চলে যায় হামলাকারীরা। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
২২ মিনিট আগে