
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও এক শিশুসন্তানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অপর এক সন্তান গুরুতর আহত হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছেন।
বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কুতুপালং ৬ নম্বর ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন ক্যাম্পের বাসিন্দা আতাসমুল হকের স্ত্রী শহীদ নুর (৩৩) ও তাঁদের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মো. শামীম হক। গুরুতর আহত আট বছর বয়সী ছেলে মো. আবছারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘রাত দেড়টার দিকে ক্যাম্প-৬ থেকে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও সন্তানদের ওপর হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং গুরুতর আহত এক শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আতাসমুল হক পলাতক রয়েছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান বলেন, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

অব্যাহত বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ধলাই নদের বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে অন্তত ১০ হাজার মানুষ। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে আউশ ধানসহ বিভিন্ন ফসলের মাঠ।
২২ মিনিট আগে
নাটোরের সিংড়া উপজেলার ইটালি ইউনিয়নের মুন্সি বাঁশবাড়িয়া গ্রামে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ইসমাইল হোসেন (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ইসমাইল হোসেন ওই গ্রামের মৃত কামিল উদ্দিনের ছোট ছেলে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় এ ঘটনা ঘটে।
৩০ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাতির শিকার হয়েছেন জাপানপ্রবাসী এক দম্পতি। তাঁদের অভিযোগ, ডাকাতেরা অস্ত্রের মুখে তাঁদের কাছ থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা মূল্যের ১৫ ভরি স্বর্ণালংকারসহ নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়েছে। এ ঘটনায় জাপানযাত্রাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে পরিবারটির।
৩৮ মিনিট আগে
কক্সবাজারের চকরিয়া ও পার্বত্য জেলা বান্দরবানে ভারী বর্ষণের মধ্যে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নে দুই শিশু এবং বান্দরবানের লামা উপজেলায় একই পরিবারের তিনজনসহ পাঁচজন মারা গেছেন।
১ ঘণ্টা আগে