
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৩–২ গোলে নাটকীয় হারের পর শুধু রেফারিং নিয়েই ক্ষোভ দেখাননি মিসরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। মাঠ ছেড়ে ড্রেসিংরুমে ফেরার পথে ইসরায়েলের পতাকা দেখে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াও জানান তিনি। পরে সেই মুহূর্তের ছবি তুলতে গিয়ে এক ফটোসাংবাদিকের সঙ্গেও তাঁর উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। এমনটাই জানিয়েছে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম ওলে।
আটলান্টা স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমের দিকে যাচ্ছিলেন হোসাম হাসান। এ সময় তিনি আর্জেন্টিনার জার্সি পরা এক দর্শককে দেখতে পান, যাঁর হাতে ছিল ইসরায়েলের পতাকা। সেটি দেখে তিনি ওই সমর্থকের দিকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং আপত্তিকর ভঙ্গিতে প্রতিক্রিয়া জানান। সেই মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করতে গেলে একজন ফটোসাংবাদিকের প্রতিও বিরক্তি প্রকাশ করেন মিসরের কোচ।
ঘটনাটির একটি প্রেক্ষাপটও রয়েছে। শেষ ষোলোর আগে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করার পর মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা প্রদর্শন করেছিলেন হোসাম হাসান। সেই কারণে ইসরায়েলের পতাকা দেখে তাঁর প্রতিক্রিয়া আরও বেশি আলোচনায় এসেছে।
ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনেও রেফারিং নিয়ে নিজের ক্ষোভের জানান হোসাম হাসান। তিনি বলেন, ‘জয়ের যোগ্য ছিলাম আমরা। আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগেই রেফারির ওপর চাপ তৈরি করেছিল, কারণ তিনি ফরাসি (ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে)। তারা ম্যাচের আগে একটি পরিবেশ তৈরি করেছিল এবং তার ফল আমাদের ভোগ করতে হয়েছে। ম্যাচের আগে ও ম্যাচ চলাকালীন—দুই সময়েই ফল প্রভাবিত হয়েছে।’
রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের একটি পেনাল্টি দেওয়া হয়নি। সেটি ভিএআরেও পর্যালোচনা করা হয়নি। দ্বিতীয় গোলটিও কোনো এক কারণে বাতিল করা হয়েছে। অবিচার।’
ম্যাচে ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেও ১৩ মিনিটে তিন গোল হজম করে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় মিসর। এরপর থেকেই রেফারিং নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করে আসছেন হোসাম হাসান। মাঠের বাইরের এই ঘটনাও সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মেসির জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে তাঁর নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। কিন্তু শেষ দিকে অধিনায়কের পা থেকেই আসে সমতাসূচক গোল। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন লিখে ফেলে আর্জেন্টিনা।
১৩ মিনিট আগে
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর নাটকীয় এক দিনে নতুন করে আলোচনায় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সুইজারল্যান্ড–কলম্বিয়া ম্যাচ শুরুর আগে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে মিসরের জাতীয় পতাকা হাতে দেখা যায় তাঁকে। মুহূর্তটির ছবি ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা।
২ ঘণ্টা আগে
বয়সও যেন মেসির সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। ৩৫ বছর বয়সের পর বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা এখন ১৫, যা আর কোনো ফুটবলারের নেই। শুধু তা-ই নয়, মিসরের বিপক্ষে একই ম্যাচে একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে এই কীর্তি গড়া খেলোয়াড়ও হয়েছেন তিনি। এত দিন রেকর্ডটি ছিল সুইডেন
২ ঘণ্টা আগে
মিসরের বিপক্ষে ম্যাচে প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস করেছিলেন মেসি। পরে ৮৩ মিনিটে সমতাসূচক গোল করেন তিনি। এর আগে ক্রিস্তিয়ান রোমেরোর গোলে অ্যাসিস্টও করেন। যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের জয়সূচক গোলে ৩–২ ব্যবধানে জিতে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিন
২ ঘণ্টা আগে