
চট্টগ্রামের হাটহাজারী মদুনাঘাটে ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আবদুল হাকিমকে (৬৫) প্রকাশ্যে গাড়িতে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের স্ত্রী তাসফিয়া আলম বাদী হয়ে হাটহাজারী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) তারেক আজিজ বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে তিনজনকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আবদুল হাকিমের ব্যবহৃত গাড়িতে ২২টি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। সামনের কাচ ও বডিতে চারটি, চালকের পাশের জানালায় ছয়টি এবং নিহত হাকিমের পাশের জানালায় ১২টি গুলির চিহ্ন রয়েছে। গত মঙ্গলবার মোটরসাইকেলে আসা ব্যক্তিদের গুলিতে আবদুল হাকিম নিহত, তাঁর গাড়িচালক মুহাম্মদ ইসমাইল (৩৮) আহত হন।
আবদুল হাকিমের ভাই পারভেজ আলম বলেন, ‘আমার ভাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। তার হামিম অ্যাগ্রো এবং ভেষজ ওষুধের ব্যবসাসহ অন্যান্য ব্যবসা রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের আগে তিনি বাগানবাড়ি থেকে গরুর খামারে যান এবং সেখান থেকে শহরের উদ্দেশে যাওয়ার পথে গাড়ি আটকে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।’

ঈদের আগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ৮ ঘণ্টায় এবং উত্তর সিটি করপোরেশন ১২ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছিল। তবে বাস্তবতা হলো, কোরবানির পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেও অপসারণে ব্যর্থ হয়েছে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন। এই কর্মযজ্ঞ নজরদারি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও।
৩ মিনিট আগে
রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালে প্রসব-পরবর্তী ওয়ার্ডের ছয় নবজাতকের মৃত্যুর সঠিক কারণ চার দিন পরও অজানা। তদন্ত কমিটির সংশ্লিষ্টদের ধারণা, বিশুদ্ধ বাতাস চলাচলের সুবিধাহীন কক্ষটিতে অক্সিজেনস্বল্পতায় এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। সেখানে স্প্লিট এসি রয়েছে, যা ইমারত নির্মাণ বিধিমালার লঙ্ঘন।
৩৯ মিনিট আগে
ঈদের ছুটির প্রভাব পড়েছে রাজশাহীর আমের বাজারে। গুটি আমের দাম কমতে কমতে ৭০০ টাকা মণে ঠেকেছে। গোপালভোগ আটকে আছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকায়। তবে হিমসাগরের দাম বাড়তি। শুরুতেই এ আমের মণ ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের ছুটিতে আমের বাজার এলোমেলো হয়ে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
‘ঈদের (ঈদুল আজহা) আগের দিন রাতে আমার স্ত্রী সাথী বেগম (২৭) এবং দেড় বছরের ছেলে সাফওয়ান ওরফে হাসেম ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা যায়। তখন দুই লাশ এবং জীবিত সন্তানকে নিয়ে আমাকে একাই রেললাইন পার হতে হয়েছে। কাঁধে ছিল স্ত্রীর এবং বুকে ছিল সন্তানের লাশ; অন্য হাতে ছিল আমার আরেক মেয়ে এবং শপিং ব্যাগ। কিন্তু আমাকে সাহা
১ ঘণ্টা আগে