
আজ বিজয়া দশমী, অর্থাৎ দেবী দুর্গার বিদায়বেলা। সারা দেশের মতো ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও ভক্তদের হৃদয়ে বেজেছে বিষাদের সুর, পাশাপশি রয়েছে আনন্দের ঢেউ। দেবী দুর্গা মহিষাসুরকে পরাজিত করে বিজয় অর্জন করায় দিনটি বিষাদ ও আনন্দের যুগল ফ্রেমের এক রঙিন উৎসব। এই আনন্দ উদ্যাপনে মণ্ডপে মণ্ডপে চলে সধবা রমণীদের সিঁদুরখেলা।
রোববার বেলা ১টার দিকে পূজা-অর্চনা শেষে ভক্ত নারীরা দেবী দুর্গার চরণে সিঁদুর নিবেদন করে আনন্দে মেতে ওঠেন। এর আগে পুরোহিতের বিদায়ী প্রণামমন্ত্র পাঠের মাধ্যমে সকাল ১০টার দিকে দর্পণ বিসর্জন দেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়েই দুর্গাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো হয়। বিদায়লগ্নে ভক্তদের কান্নাভেজা চোখ এই বিষাদকে আরও মহিমান্বিত করে তোলে।
শাস্ত্রমতে, সিঁদুর হলো নারীর শক্তি ও পুনর্জাগরণের প্রতীক। তাই বিজয়া দশমীর দিনে সধবা নারীরা একে অপরকে সিঁদুর পরিয়ে রাঙিয়ে তোলেন। তাঁরা প্রার্থনা করেন, মা দুর্গা যেন সবাইকে স্বামী-সংসারে সুখে-শান্তিতে রাখেন।
ভক্তরা বলেন, ‘মায়ের বিদায়ের সুরে কষ্ট হচ্ছে, তবে মা আবারও বছর ঘুরে আশীর্বাদ নিয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন—এই ভেবেই সান্ত্বনা পাচ্ছি।’ সিঁদুরখেলার মাধ্যমে তাঁরা প্রত্যাশা করেন, মা তাঁদের সুখে-শান্তিতে রাখবেন। তাঁরা আরও প্রার্থনা করেন, মা পুনরায় ফিরে আসার আগপর্যন্ত দেশের প্রত্যেক মানুষ যেন সুখী ও সমৃদ্ধ জীবন পায়।

গগন সাহারবাড়ী পূজামণ্ডপের পুরোহিত রতন চক্রবর্তী জানান, পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে দেবী দুর্গা দশম দিনে অশুভ শক্তি অসুরকে পরাজিত করেন। আজ সকালে দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। এর মধ্য দিয়ে ভক্তদের আশীর্বাদ করে দেবী দুর্গা নৌকায় করে কৈলাসে স্বামীগৃহে ফিরে গেছেন। তিনি এক বছর পর আবারও ভক্তদের মাঝে ফিরে আসবেন। ভক্তরা দেবী দুর্গার কাছে শান্তি, কল্যাণ ও অশুভ শক্তির বিনাশ কামনা করে প্রার্থনা জানান।

কয়েকজন বাসযাত্রী বলেন, যেখানে সিরাজগঞ্জগামী বাসের ভাড়া সাধারণ সময়ে প্রায় ৩৫০ টাকা, সেখানে ঈদ উপলক্ষে ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার চেষ্টা করছেন কিছু পরিবহন মালিক।
৬ মিনিট আগে
৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভুক্তভোগী মুন্নি বেগম ও আল আমিন বলেন, ‘সরকার আমাদের ১০ কেজি করে চাল দিয়েছে। কিন্তু মেম্বার পাঁচজনকে ৩০ কেজির একটি বস্তা দিয়ে বলেছেন—এর বেশি নেই। আমরা গরিব মানুষ, তাই আর কিছু বলতে পারিনি।’
২৫ মিনিট আগে
ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি সাদুল্লাপুরে যাচ্ছিলেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা তানজিমুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গোবিন্দগঞ্জে প্রায়ই যানজটের কারণে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। ঈদের সময় এই যানজট আরও ভয়াবহ হতে পারে।’
১ ঘণ্টা আগে
মোসা. লাইজু বেগম নামের এক নারী ছোট শিশুকে কোলে নিয়ে চাল নিতে আসেন। বেলা দেড়টার দিকে অনেক কষ্টে চাল নিয়ে বের হন তিনি। তাঁর ভাষ্য, পরিষদের ভেতরে প্রচুর ভিড় ও ঠাসাঠাসি ছিল। সকালে শিশু নিয়ে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর এক ব্যক্তির সহায়তায় কোনোমতে চাল নিতে পেরেছেন।
১ ঘণ্টা আগে