Ajker Patrika

শিশু ভাতিজাকে হত্যার ২ বছর পর চাচার মৃত্যুদণ্ড

গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 
শিশু ভাতিজাকে হত্যার ২ বছর পর চাচার মৃত্যুদণ্ড
শিশু রাহেনুল ইসলাম আরাফ (৬) ও মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামি মো. নুরনবী। ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ভাতিজাকে হত্যার দায়ে চাচা মো. নুরনবীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি অপহরণের দায়ে তাঁকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং মরদেহ গুমের দায়ে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।  

আজ মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস মামলার রায় ঘোষণা করেন।  

সাজাপ্রাপ্ত নুরনবী গোপালপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের নবধূলটিয়া গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ওমরাও খান দিপু জানান, ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর মুক্তিপণের দাবিতে গোপালপুরের নাসির উদ্দিনের নাতি কেএম রাহেনুল ইসলাম আরাফকে কয়েকজনের সহযোগিতায় অপহরণ করেন চাচা নুরনবী। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর নাসির উদ্দিন গোপালপুর থানায় মামলা করেন। পরের দিন কালিয়াকৈর এলাকা থেকে কেএম রাহেনুল ইসলাম আরাফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পিপি ওমরাও জানান, গত বছরের ২৭ মে গোপালপুর থানার এসআই মামুন ভূঞা নুরনবীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সমস্ত সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার মামলার রায় ঘোষণা করেন বিচারক।

২০২৪ সালের ১২ অক্টোবর টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার গাঙ্গাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা পুলিশ কর্মকর্তা খন্দকার রাসেলের শিশুপুত্র রাহেনুল ইসলাম আরাফের (৬) গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাইটেক পার্কের সীমানা দেয়ালের পাশ থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

আরাফের পরিবার সূত্রে জানা যায়, মরদেহ উদ্ধারের ৪ দিন আগে ৮ অক্টোবর সকালে দাদার বাড়ি থেকে অপহরণের শিকার হয় আরাফ। দুদিন পর দুর্বৃত্তরা মোবাইল ফোনে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ ঘটনায় পুলিশ উপজেলার নবধূলটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও শিশুটির চাচা নুরনবীকে আটক করে। এ ঘটনায় শিশুটির দাদা নাসির উদ্দীন গোপালপুর থানায় মামলা করেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত