স্নায়ুর চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে ফুটবল কোচদের ম্যাচের সময় চুইংগাম চিবোতে দেখা যায়। কাল প্যারিসে আনচেলত্তিকেও ম্যাচের প্রায় পুরো সময় ডাগআউটে চুইংগাম চিবোতে দেখা গেছে। বড় ম্যাচের চাপ বুঝি একেই বলে। এই চাপ জয় করে শুধু দলকেই ১৫তম শিরোপা জেতাননি, নিজেকেও নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়, যে উচ্চতায় শুধুই তিনি।
ইতিহাসে প্রথম ও একমাত্র কোচ হিসেবে রিয়াল মাদ্রিদকে লা লিগা চ্যাম্পিয়ন করে ইউরোপিয়ান শীর্ষস্থানীয় পাঁচ লিগের সব কটিতে শিরোপা আগেই জিতেছেন। এবার গড়লেন আরেক কীর্তি। প্রথম কোচ হিসেবে চারটি চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতে লিখলেন নতুন ইতিহাস। ফাইনালের আগে সর্বোচ্চ ৩ চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা রিয়ালের সাবেক কোচ জিনেদিন জিদান ও লিভারপুলের সাবেক কোচ বব পেইজলির পাশে নাম ছিল আনচেলত্তির। কিন্তু এখন সবাইকে ছাড়িয়ে চূড়ায় ‘ডন’ আনচেলত্তি।
এসি মিলানের দায়িত্বে থাকার সময় ২০০৩ সালে প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জেতার স্বাদ পান আনচেলত্তি। একই দলের হয়ে নিজের দ্বিতীয় শিরোপা জেতেন ২০০৭ সালে। এরপর ২০১৪ সালে রিয়ালকে ইউরোপাসেরা বানানোর পর এবারও এই ৬২ বছরের কোচের হাত ধরে ইউরোপ-সেরার স্বীকৃতি পেল রিয়াল। এই জায়গায় আরেকটি রেকর্ড গড়েছেন আনচেলত্তি। প্রথম কোচ হিসেবে একাধিক ক্লাবের হয়ে দুটি করে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতলেন এই ইতালিয়ান কোচ।
রেকর্ড গড়াকে অভ্যাসে পরিণত করেছেন আনচেলত্তি। নিজেকেও তাই মনে করেন রেকর্ড গড়া মানুষ। শিরোপা নিশ্চিতের পর তিনি বলেন, ‘গত বছর এই দলে ফেরার সুযোগ হয়েছিল। দারুণ একটা মৌসুম কাটালাম। রিয়াল চমৎকার একটি ক্লাব এবং উঁচু মানের ও শক্ত মানসিকতার খেলোয়াড় রয়েছে দলটির।’
ইউরোপ-সেরার মুকুট পরে অবিশ্বাস্য লাগছে আনচেলত্তির। ম্যাচ শেষে রিয়ালের ৬২ বছর বয়সী কোচ বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। কঠিন একটা ম্যাচ ছিল। প্রথমার্ধে আমরা বেশ ভুগেছিলাম, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরাই জিতেছি। এবার যে ম্যাচগুলো আমরা খেলেছি, এ প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়ার যোগ্য দল আমরাই। আমরা খুব খুশি। আর কী-ই বা বলতে পারি। এর বেশি কিছু বলার নেই।’
লিভারপুল-রিয়াল সম্পর্কিত পড়ুন:

শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২২ মিনিট আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে