ছয় মাসও হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় ও বয়সভিত্তিক দলের নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। অল্প সময়েই সেই দায়িত্ব থেকে সরেও দাঁড়ালেন রামনরেশ সারওয়ান।
গতকাল বোর্ডকে পাঠানো পদত্যাগপত্রে ব্যক্তিগত কারণকে সামনে এনেছেন দীর্ঘ দিন উইন্ডিজ মিডল অর্ডারের ভরসার প্রতীক হয়ে থাকা সারওয়ান। ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত চুক্তিবদ্ধ ছিলেন তিনি।
আর কয়েক ঘণ্টা পরেই নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নামছে ক্যারিবীয়রা। এর আগের দিন সারওয়ানের অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজে (সিডব্লিউআই) বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে। তাঁর জায়গায় অন্তর্বর্তীকালীন নির্বাচকের দায়িত্ব পেয়েছেন রবার্ট হেইন্স।
নেদারল্যান্ডস সফর শেষে পাকিস্তানে যাবে ক্যারিবীয়রা। এরপর ঘরের মাঠে বাংলাদেশ ও ভারতের বিপক্ষে খেলবে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ। এশিয়ার তিন দলের বিপক্ষে দল নির্বাচনের গুরুদায়িত্ব হেইন্সের কাঁধেই পড়তে পারে।
এক বিবৃতিতে বোর্ড পরিচালক জিমি অ্যাডামস বলেছেন, ‘অভিজ্ঞতার সবটাই রামনরেশ (সারওয়ান) দিয়েছে। সে আর নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন না করায় আমরা খুব হতাশ। তবে সে যে কারণ দেখিয়েছে, সেটা আমরা বুঝতে পেরেছি। তার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। আশা করি ভবিষ্যতে সে ফিরবে।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের সর্বশেষ খবর পেতে - এখানে ক্লিক করুন
উইন্ডিজের হয়ে ৮৭ টেস্ট ম্যাচ, ১৮১ ওয়ানডে ও ১৮ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন সারওয়ান। ব্রায়ান লারা, ক্রিস গেইল, শিবনারায়ণ চন্দরপলদের নিয়ে গড়া শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন আপের অংশ ছিলেন তিনি।
খেলোয়াড়ি জীবন শেষ করে নিজ দেশ গায়ানা ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান হন সারওয়ান। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও (সিপিএল) সক্রিয় ছিলেন ৪১ বছর বয়সী সাবেক ব্যাটার। সব ছেড়ে এ বছরের জানুয়ারিতে উইন্ডিজ দলের নির্বাচক হন তিনি।
খেলা সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
১৮ মিনিট আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে