
মেক্সিকো বিশ্বের বৃহত্তম বিয়ার রপ্তানিকারক দেশ হলেও, তাদের অন্যতম জনপ্রিয় একটি পানীয় দেশের বাইরে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। ‘নোচে বুয়েনা’ (Noche Buena) নামের এই বিশেষ বিয়ারটি কেবল মেক্সিকোর ভেতরেই পাওয়া যায় এবং তাও বছরে মাত্র কয়েক সপ্তাহের জন্য। বড়দিনের আমেজ নিয়ে আসা এই পানীয়টি মেক্সিকানদের কাছে উৎসবের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
স্প্যানিশ ভাষায় ‘নোচে বুয়েনা’ শব্দের অর্থ ‘পবিত্র রাত’ বা ‘বড়দিনের আগের রাত’। মেক্সিকোতে যখনই সুপারমার্কেটের তাকে গাঢ় লাল রঙের নোচে বুয়েনার বাক্সগুলো দেখা যায়, তখনই সাধারণ মানুষ বুঝে নেয় যে ছুটির মৌসুম বা বড়দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে গেছে।
মেক্সিকোর সাধারণ হালকা বিয়ারগুলোর তুলনায় নোচে বুয়েনা বেশ আলাদা। এটি মূলত জার্মান ‘বক-স্টাইল’ (Bock-style) বিয়ার। এতে রয়েছে পোড়া কফি, ক্যারামেল এবং চকোলেটের স্বাদ। ৫ দশমিক ৯ শতাংশ অ্যালকোহল সমৃদ্ধ এই বিয়ারটির অম্ল-মিষ্টি স্বাদ মেক্সিকোর ঐতিহ্যবাহী ক্রিসমাস ডিশ যেমন—টার্কি, রোমেরিতোস (মোল সসে ভেজানো ভেষজ) বা নোনতা কড মাছের (Bacalao) সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়।
১৯২৪ সালে জার্মান মাস্টার ব্রুয়ার অটো নিউমায়ার প্রথম ভেরাক্রুজে নিজের বন্ধুদের জন্য বড়দিনের উপহার হিসেবে এটি তৈরি করেন। ১৯৩৮ সালে এটি প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে বাজারে আনা হয় এবং তখন থেকেই এটি মৌসুমি পানীয় হিসেবে জনপ্রিয়।
মেক্সিকোর বিয়ার শিল্পের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১৯শ শতাব্দীর শেষভাগে এবং ২০শ শতাব্দীর শুরুতে জার্মানি ও ইউরোপের অন্যান্য দেশ থেকে বাস্তুচ্যুত বিয়ার নির্মাতারা মেক্সিকোতে এসে ছোট ছোট ব্রুয়ারি গড়ে তোলেন। ১৮৭৫ সালে সুইজারল্যান্ডের সান্তিয়াগো গ্রাফ প্রথম মেক্সিকোতে ‘ল্যাগার’ বিয়ারের প্রচলন করেন। পরবর্তীতে ‘সারভেসেরিয়া মোক্তেজুমা’ (Cervecería Moctezuma) নামক কারখানায় নোচে বুয়েনার যাত্রা শুরু হয়।
কেন এটি মেক্সিকোর বাইরে পাওয়া যায় না
মেক্সিকো বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের বিয়ার রপ্তানি করে, যা বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি রপ্তানিকারক দেশের সম্মিলিত আয়ের চেয়েও বেশি। তাসত্ত্বেও নোচে বুয়েনা কেন বিদেশে পাওয়া যায় না, তা নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই।
২০১১ সালে হাইনেকেন (Heineken) এই বিয়ারটি যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি শুরু করলেও চাহিদার অভাবে ২০১৮ সালে তা বন্ধ করে দেয়। মেক্সিকান প্রবাসীরা বড়দিনের সময় এই বিয়ারটির অভাব তীব্রভাবে অনুভব করেন। অনেক সময় তারা যুক্তরাষ্ট্রে এর বিকল্প হিসেবে ‘নোচে এস্পেশাল’ খুঁজে নেন, কিন্তু আসল নোচে বুয়েনার স্বাদ মেক্সিকোর বাইরে মেলা ভার।
বর্তমানে অক্টোবর মাসের শেষ থেকে জানুয়ারির শুরু পর্যন্ত এই বিয়ারটি মেক্সিকোর বিভিন্ন বার, ক্যান্টিনা এবং সুপারমার্কেটে পাওয়া যায়। মেক্সিকানদের কাছে এটি কেবল একটি পানীয় নয়, বরং বড়দিনের আনন্দ আর বন্ধুত্বের এক বিশেষ প্রতীক।

‘ট্রেন্ড’ শব্দটির সঙ্গে এখন কিশোর থেকে শুরু করে প্রবীণ সবাই পরিচিত। টিকটক বা ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো এখন ত্বকের যত্নে নেওয়া বিষয়ক তথ্য অনুসরণের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। সেখানে কিছুদিন পরপর তৈরি হচ্ছে নতুন ট্রেন্ড।
৭ ঘণ্টা আগে
স্মার্টফোন এখন আধুনিক জীবনের অপরিহার্য অংশ। কিন্তু প্রয়োজনের সীমা পেরিয়ে যখন এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবন, মানসিক স্বাস্থ্য ও সম্পর্ককে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে, তখন তা হয়ে উঠতে পারে এক ধরনের আসক্তি। যুক্তরাজ্যে এমনই উদ্বেগজনক প্রবণতা নিয়ে কাজ করছেন থেরাপিস্টরা।
৭ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করলেন ‘আসন্ন ম্যাচে লিওনেল মেসি কি খেলবেন?’ উত্তরে কোচ জানালেন, ‘এই প্রশ্নটা যদি অন্য কেউ করত, আমি নিশ্চিতভাবেই এড়িয়ে যেতাম। যেহেতু আপনি জিজ্ঞেস করেছেন, তাই উত্তর দিচ্ছি, লিও (মেসি) আগামীকাল শুরুর একাদশে থাকছে না।
৮ ঘণ্টা আগে
বলতে গেলে এখন প্রায় সবার ঘরে রয়েছে পাকা আম। খেতে সুস্বাদু এই ফল ত্বক সুন্দর রাখতেও খুব ভালো ভূমিকা রাখে। ভিটামিন এ, সি, ই, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রাকৃতিক এনজাইমে সমৃদ্ধ আম ভেতর-বাইরে থেকে ত্বকের ক্ষয়ক্ষতি সারিয়ে তোলে, আর্দ্রতা বজায় রাখে এবং উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
১১ ঘণ্টা আগে