
টানা তৃতীয় মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। আজ রোববার সন্ধ্যায় নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনিসহ প্রায় ৩০ জন মন্ত্রী শপথ নেবেন। তার আগে আসুন, ভারতের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর বেতন এবং কী কী সুবিধা তাঁরা পান তা দেখে নেওয়া যাক।
প্রেসিডেন্ট
তিনটি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ কমান্ডার হিসেবে ২০১৮ সালে ভারতের প্রেসিডেন্টের মাসিক বেতন দেড় লাখ রুপি থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লাখ রুপিতে উন্নীত করা হয়।
ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি তাঁর বাজেট বক্তৃতায় এই বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ভারতীয় প্রেসিডেন্টের সম্মানী সর্বশেষ সংশোধিত হয়েছিল ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুসারে, যেসব সুবিধা প্রেসিডেন্ট পেয়ে থাকেন সেগুলো হলো—
- বিমান, রেল বা স্টিমারের মাধ্যমে দেশের যেকোনো জায়গায় বিনা মূল্যে ভ্রমণ করতে পারবেন প্রেসিডেন্ট। তিনি একজন ব্যক্তিকে সঙ্গে রাখতে পারেন, যার খরচও রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে।
- সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা পাবেন প্রেসিডেন্ট।
- আসবাব সজ্জিত বিনা ভাড়ার বাসা, দুটি বিনা মূল্যের টেলিফোন সংযোগ (একটি ইন্টারনেট সংযোগের জন্য), একটি মোবাইল ফোন, পাঁচজন ব্যক্তিগত কর্মীসহ বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণও রাষ্ট্রীয় খরচে করা হবে।
- দায়িত্বরত অবস্থায় প্রেসিডেন্ট মৃত্যুবরণ করলে তাঁর স্বামী বা স্ত্রীকে অবসরপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট যে পেনশন পেতেন, তার ৫০ শতাংশ হারে বাকি জীবনের জন্য পারিবারিক পেনশন প্রদান করা হবে।
- প্রেসিডেন্টের স্বামী বা স্ত্রীও বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা পাবেন।
প্রধানমন্ত্রী
ভারতের প্রধানমন্ত্রী প্রতি মাসে বেতন বাবদ ১ লাখ ৬৬ হাজার রুপি পান। আরও যেসব সুবিধা পেয়ে থাকেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী সেসব হলো—
- প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত থাকে একটি স্পেশাল প্রটেকশন গ্রুপ (এসপিজি) বা বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী।
লোকসভা নির্বাচন সম্পর্কিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন
- প্রধানমন্ত্রীর সরকারি সফরের জন্য রয়েছে বিশেষ বিমান ‘এয়ার ইন্ডিয়া ওয়ান’।
- প্রধানমন্ত্রীর জন্য রয়েছে সরকারি বাসভবন ৭, রেসকোর্স রোড।
আরও খবর পড়ুন:

টানা তৃতীয় মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। আজ রোববার সন্ধ্যায় নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনিসহ প্রায় ৩০ জন মন্ত্রী শপথ নেবেন। তার আগে আসুন, ভারতের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর বেতন এবং কী কী সুবিধা তাঁরা পান তা দেখে নেওয়া যাক।
প্রেসিডেন্ট
তিনটি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ কমান্ডার হিসেবে ২০১৮ সালে ভারতের প্রেসিডেন্টের মাসিক বেতন দেড় লাখ রুপি থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লাখ রুপিতে উন্নীত করা হয়।
ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি তাঁর বাজেট বক্তৃতায় এই বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ভারতীয় প্রেসিডেন্টের সম্মানী সর্বশেষ সংশোধিত হয়েছিল ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুসারে, যেসব সুবিধা প্রেসিডেন্ট পেয়ে থাকেন সেগুলো হলো—
- বিমান, রেল বা স্টিমারের মাধ্যমে দেশের যেকোনো জায়গায় বিনা মূল্যে ভ্রমণ করতে পারবেন প্রেসিডেন্ট। তিনি একজন ব্যক্তিকে সঙ্গে রাখতে পারেন, যার খরচও রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে।
- সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা পাবেন প্রেসিডেন্ট।
- আসবাব সজ্জিত বিনা ভাড়ার বাসা, দুটি বিনা মূল্যের টেলিফোন সংযোগ (একটি ইন্টারনেট সংযোগের জন্য), একটি মোবাইল ফোন, পাঁচজন ব্যক্তিগত কর্মীসহ বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণও রাষ্ট্রীয় খরচে করা হবে।
- দায়িত্বরত অবস্থায় প্রেসিডেন্ট মৃত্যুবরণ করলে তাঁর স্বামী বা স্ত্রীকে অবসরপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট যে পেনশন পেতেন, তার ৫০ শতাংশ হারে বাকি জীবনের জন্য পারিবারিক পেনশন প্রদান করা হবে।
- প্রেসিডেন্টের স্বামী বা স্ত্রীও বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা পাবেন।
প্রধানমন্ত্রী
ভারতের প্রধানমন্ত্রী প্রতি মাসে বেতন বাবদ ১ লাখ ৬৬ হাজার রুপি পান। আরও যেসব সুবিধা পেয়ে থাকেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী সেসব হলো—
- প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত থাকে একটি স্পেশাল প্রটেকশন গ্রুপ (এসপিজি) বা বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী।
লোকসভা নির্বাচন সম্পর্কিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন
- প্রধানমন্ত্রীর সরকারি সফরের জন্য রয়েছে বিশেষ বিমান ‘এয়ার ইন্ডিয়া ওয়ান’।
- প্রধানমন্ত্রীর জন্য রয়েছে সরকারি বাসভবন ৭, রেসকোর্স রোড।
আরও খবর পড়ুন:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি আরও জোরালো করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পথ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পিছু হটার সুযোগ নেই’ এবং ‘গ্রিনল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
২ ঘণ্টা আগে
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) সদর দপ্তর গতকাল মঙ্গলবার ভেঙে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের নেতৃত্বে স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ৭টায় ইসরায়েলি বাহিনী ওই কম্পাউন্ডে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে মূল ভবনের ওপর
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনসহ খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে দেশটির সহকারী হাইকমিশন রয়েছে। এসব মিশন থেকেই কূটনীতিক ও অন্য কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে কূটনীতিকদের জন্য বাংলাদেশকে ‘নন-ফ্যামিলি’ পোস্টিং ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি।
৩ ঘণ্টা আগে
গাজা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত শান্তি পর্ষদ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজাকে পুনরুজ্জীবিত করার কথা বলা হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগের আড়ালে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং ঘনিষ্ঠ মহলের প্রভাব বিস্তারের...
১২ ঘণ্টা আগে