
মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে বোমা ফাটিয়েছেন শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা সঞ্জয় রাওয়াত। রাজ্যসভার সংসদ সদস্য কপিল সিবালের পডকাস্ট ‘দিল সে’-তে দেওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে রাওয়াত দাবি করেছেন, গুজরাটের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন অমিত শাহ যখন আইনি জটিলতায় ফেঁসেছিলেন, তখন নরেন্দ্র মোদীর অনুরোধে শারদ পাওয়ারই...

নয়াদিল্লিতে গৃহকর্মীর কাজ করেন বাঙালি সীমা দাস। টানা দুই দিনের দীর্ঘ যাত্রায়, মাঝপথে ট্রেন বদলাতে বদলাতে, পশ্চিমবঙ্গে নিজ গ্রামে পৌঁছান। লক্ষ্য একটাই—প্রাদেশিক নির্বাচনে ভোট দেওয়া। আগে, ভোটার হওয়ার পর থেকেই তিনি সবসময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেসকে (টিএমসি) ভোট দিতেন।

মোদি বলেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে পদ্ম ফুটেছে! ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এটি মানুষের শক্তির জয় এবং বিজেপির সুশাসনের রাজনীতির বিজয়। আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি মানুষের কাছে মাথা নত করছি।’

ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের গত পাঁচ দশকের প্রথা ভেঙে এক ব্যতিক্রম ও কৌশলগত পরিবর্তনের পথে হাঁটছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। দীর্ঘ সময় ধরে ঢাকায় হাইকমিশনার হিসেবে পেশাদার কূটনীতিকদের ওপর ভরসা রাখলেও, এবার নয়াদিল্লি সেখানে একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিকে পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।