
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ পৌর শহরের গুয়াগাঁওয়ে মাত্র পাঁচ মাসের শিশু একটি বিরল রোগ হাইড্রোসেফালাসে (মাথায় পানি জমা) আক্রান্ত হয়েছে। মাথায় অস্বাভাবিকভাবে পানি জমে যাওয়ায় শিশুটির মস্তিষ্কের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, যা তার জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শিশুটির দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর বিশেষায়িত হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন।
শিশুটির মা গৃহিনী বৃষ্টি আক্তার বলেন, ‘কিছুদিন ধরে আমার সন্তানের মাথা অস্বাভাবিকভাবে বড় হতে থাকে। পরে স্থানীয় চিকিৎসকেরা বলেন, শিশুটির উন্নত চিকিৎসা জরুরি। আর এর ব্যয় কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।’
কিন্তু শিশুটির বাবা একজন দিনমজুর। যেখানে সংসারের খরচ জোগানোই কঠিন, সেখানে এত ব্যয়বহুল চিকিৎসা তাঁদের পক্ষে বহন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে পরিবারটি।
এখন পর্যন্ত তারা কোনো সহযোগিতা পাননি। তাই নিরুপায় হয়ে শিশুটির পরিবার সমাজের হৃদয়বান ও বিত্তবান মানুষের কাছে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে, যেন তাদের সন্তান নতুন করে বাঁচার সুযোগ পায়।
সহযোগিতা করতে আগ্রহী ব্যক্তিরা দ্রুত শিশুটির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে